ওয়া ইন ক-না কাবুর ‘আলাইকা ই‘র-দুহুম ফাইনিছতাতা‘তা আন তাবতাগিয়া নাফাকান ফিল আরদিআও ছুল্লামান ফিছছামাই ফাতা’তিয়াহুম বিআ-ইয়াতিওঁ ওয়া লাও শাআল্লা-হু লাজামা‘আহুম ‘আলাল হুদা-ফালা-তাকূনান্না মিনাল জা-হিলীন।উচ্চারণ
তবুও যদি তাদের উপেক্ষা তোমার কাছে অসহনীয় হয়ে থাকে তাহলে তোমার মধ্যে কিছু শক্তি থাকলে তুমি ভূগর্ভে কোন সুড়ংগ খুঁজে নাও অথবা আকাশে সিঁড়ি লাগাও এবং তাদের কাছে কোন নিদর্শন আনার চেষ্টা করো। ২৩ আল্লাহ চাইলে এদের সবাইকে হেদায়াতের ওপর একত্র করতে পারতেন। কাজেই মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। ২৪ তাফহীমুল কুরআন
যদি তাদের উপেক্ষা তোমার কাছে বেশি পীড়াদায়ক হয়, তবে পারলে তুমি ভূগর্ভে (যাওয়ার জন্য) কোনও সুড়ঙ্গ অথবা আকাশে (ওঠার জন্য) কোনও সিঁড়ি সন্ধান কর, অতঃপর তাদের কাছে (তাদের ফরমায়েশী) কোন নিদর্শন নিয়ে এসো। আল্লাহ চাইলে তাদের সকলকে হিদায়াতের উপর একত্র করতেন। সুতরাং তুমি কিছুতেই অজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। #%১২%#মুফতী তাকী উসমানী
আর যদি তাদের অনাগ্রহ ও উপেক্ষা সহ্য করা তোমার কাছে কঠিন হয়ে পড়ে তাহলে ক্ষমতা থাকলে মাটির কোন সুড়ঙ্গ পথ অনুসন্ধান কর অথবা আকাশে সিঁড়ি লাগিয়ে দাও; অতঃপর তাদের কাছে কোন নিদর্শন নিয়ে এসো, আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাদের সকলকে হিদায়াতের উপর সমবেত করতেন। সুতরাং তুমি অবুঝদের মত হয়োনা।মুজিবুর রহমান
আর যদি তাদের বিমুখতা আপনার পক্ষে কষ্টকর হয়, তবে আপনি যদি ভূতলে কোন সুড়ঙ্গ অথবা আকাশে কোন সিড়ি অনুসন্ধান করতে সমর্থ হন, অতঃপর তাদের কাছে কোন একটি মোজেযা আনতে পারেন, তবে নিয়ে আসুন। আল্লাহ ইচ্ছা করলে সবাইকে সরল পথে সমবেত করতে পারতেন। অতএব, আপনি নির্বোধদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যদি তাদের উপেক্ষা তোমার নিকট কষ্টকর হয় তবে পারলে ভূগর্ভে সুড়ঙ্গ বা আকাশের সোপান অনে¦ষণ কর এবং তাদের নিকট কোন নিদর্শন আন। আল্লাহ্ ইচ্ছা করলে তাদের সকলকে অবশ্যই সৎপথে একত্র করতেন। সুতরাং তুমি মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর যদি তাদের উপেক্ষা তোমার উপর কঠিন মনে হয়, তাহলে যদি তুমি পার যমীনে কোন সুড়ঙ্গ অথবা আসমানে কোন সিঁড়ি অনুসন্ধান করতে, অতঃপর তাদের কাছে কোন নিদর্শন নিয়ে আসতে (তবে কর)। যদি আল্লাহ চাইতেন তিনি অবশ্যই তাদেরকে হিদায়াতের উপর একত্র করতেন। সুতরাং তুমি কখনো মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।আল-বায়ান
তাদের উপেক্ষা যদি তোমার কাছে কঠিন বলে মনে হয় তাহলে পারলে ভূগর্ভে সুড়ঙ্গের কিংবা আকাশে আরোহণের জন্য সিঁড়ির সন্ধান কর অত:পর তাদের কাছে (নতুন) নিদর্শন হাজির কর। আল্লাহ ইচ্ছে করলে তাদের সকলকে সৎপথে একত্র করতেন। কাজেই তুমি মূর্খদের মত হয়ো না।তাইসিরুল
আর যদি তাদের ফিরে যাওয়া তোমার কাছে কষ্টকর হয়, তবে যদি সমর্থ হও তো ভূগর্ভে সুড়ঙ্গপথ খোঁজো অথবা আকাশে উঠবার একটি মই, এবং তাদের কাছে নিয়ে এস কোনো নিদর্শন! আর যদি আল্লাহ্ ইচ্ছা করতেন তবে তিনি তাদের সকলকে অবশ্য সৎপথে সমবেত করতেন, কাজেই তুমি অজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।মাওলানা জহুরুল হক
২৩
নবী ﷺ যখন দেখতেন, এ জাতিকে বুঝাতে বুঝাতে দীর্ঘকাল হয়ে গেলো অথচ এরা কোনক্রমেই হেদায়াতের পথে আসছে না তখন অনেক সময় তাঁর মনের গহনে এ ধরনের ইচ্ছা ও বাসনা জন্ম নিতো যে, আহা, যদি আল্লাহর পক্ষ থেকে এমন কোন নিদর্শন প্রকাশিত হতো, যার ফলে এরা কুফরী পরিহার করে আমার দাওয়াতকে সত্য বলে গ্রহণ করে নিতো! তাঁর এ ইচ্ছা ও বাসনার জবাব এ আয়াতে দেয়া হয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে, অধৈর্য হয়ো না। যে বিন্যাস ও ধারাবাহিকতা সহকারে আমি এ কাজটি চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছি তার ওপর সবর করে এগিয়ে চলো। অলৌকিকতার আশ্রয় নিতে হলে তা কি আমি নিজেই নিতে পারতাম না? কিন্তু আমি জানি, তোমাকে যে চিন্তাগত ও নৈতিক বিপ্লব এবং এ সুস্থ সাংস্কৃতিক জীবনধারা নির্মাণের কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে তাকে সফলতার মনযিলে পৌঁছাবার সঠিক পথ এটা নয়। তবুও যদি লোকদের বর্তমান নিশ্চলতা ও অস্বীকৃতির অচলায়তনের মোকাবিলায় তুমি সবর করতে না পারো এবং তুমি ধারণা করে থাকো যে, এ নিশ্চলতা দূর করার জন্য কোন বস্তুগত নিদর্শনের চাক্ষুষ প্রদর্শনী অপরিহার্য, তাহলে তুমি নিজেই চেষ্টা করো, শক্তি ব্যবহার করো এবং ক্ষমতা থাকলে যমীনের মধ্যে সুড়ংগ কেটে বা আসমানে উঠে এমন কোন অলৌকিক ব্যাপার ঘটাবার চেষ্টা করো, যা অবিশ্বাসকে বিশ্বাসে রূপান্তরিত করে দেবার জন্য যথেষ্ট বলে তুমি মনে কর। কিন্তু আমি তোমার এ বাসনা পূর্ণ করবো, এ ধরনের আকাঙ্ক্ষা আমার ব্যাপারে পোষণ করো না। কারণ আমার পরিকল্পনায় এ ধরনের কৌশল ও পদ্ধতি অবলম্বনের কোন অবকাশ নেই।
২৪
অর্থাৎ যদি কেবলমাত্র সমস্ত মানুষকে কোন না কোনভাবে সত্যপন্থী বানানোই উদ্দেশ্য হতো, তাহলে কিতাব নাযিল করা, মু’মিনদেরকে কাফেরদের মোকাবিলায় সংগ্রামরত করা এবং সত্যের দাওয়াতকে পর্যায়ক্রমে আন্দোলনের মনযিল অতিক্রম করাবার কি প্রয়োজন ছিল? আল্লাহর একটি মাত্র সৃজনী ইঙ্গিতেই এ কাজ সম্পন্ন হতে পারতো। কিন্তু আল্লাহ এ কাজটি এ পদ্ধতিতে করতে চান না। তিনি চান সত্যকে যুক্তি-প্রমাণ সহকারে লোকদের সামনে পেশ করতে। তারপর তাদের মধ্য থেকে যারা সঠিক ও নির্ভুল চিন্তা শক্তি প্রয়োগ করে সত্যকে চিনে নেবে, তারা নিজেদের স্বাধীন মতামতের ভিত্তিতে তাঁর প্রতি ঈমান আনবে। নিজেদের চরিত্রকে তার ছাঁচে ঢালাই করে বাতিল পূজারীদের মোকাবিলায় নিজেদের নৈতিক শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করবে। নিজেদের শক্তিশালী যুক্তি-প্রমাণ উপস্থাপন, উন্নত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য, উত্তম জীবনধারা এবং পবিত্র ও নিষ্কলুষ চরিত্র মাধুর্যে মানব সমাজের সত্যনিষ্ঠ ও সদাচারী ব্যক্তিদেরকে নিজেদের দিকে আকৃষ্ট করতে থাকবে এবং বাতিলের বিরুদ্ধে উপর্যুপরি সংগ্রাম চালিয়ে স্বাভাবিক পরিবর্তনের পথ ধরে আল্লাহর সত্য দ্বীন প্রতিষ্ঠার মনযিলে পৌঁছে যাবে। এ কাজে আল্লাহ তাদেরকে পথ দেখাবেন এবং যে পর্যায়ে তারা আল্লাহর কাছ থেকে যে ধরনের সাহায্য লাভের যোগ্য বলে নিজেদেরকে প্রমাণ করতে পারবে সে পর্যায়ে তাদেরকে সে সাহায্যও দিয়ে যেতে থাকবেন। কিন্তু যদি কেউ চায় এ স্বাভাবিক পথ পরিহার করে আল্লাহ নিছক তাঁর প্রবল পরাক্রান্ত শক্তির জোরে খারাপ চিন্তা নির্মূল করে মানুষের মধ্যে সুস্থ চিন্তার বিস্তার ঘটাবেন এবং অসুস্থ সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিলোপ সাধন করে সৎ ও সুস্থ জীবনধারা নির্মাণ করে দেবেন, তাহলে এমনটি কখনো হবে না। কারণ, যে প্রজ্ঞাপূর্ণ কর্মনীতির ভিত্তিতে আল্লাহ মানুষকে দুনিয়ায় একটি দায়িত্বশীল প্রাণী হিসেবে সৃষ্টি করেছেন, তাকে কাজ করার ও আল্লাহর সৃষ্ট বস্তুকে কাজে লাগাবার ক্ষমতা দিয়েছেন, আনুগত্য ও অবাধ্যতা করার স্বাধীনতা দান করেছেন, পরীক্ষার অবকাশ দিয়েছেন এবং তার প্রচেষ্টা অনুযায়ী পুরস্কার ও শাস্তি প্রদানের জন্য ফায়সালার সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন, এটি তার সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
আল্লাহ তাআলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বহু মুজিযা (নিদর্শন) দান করেছিলেন। সর্বাপেক্ষা বড় মুজিযা হল কুরআন মাজীদ। কেননা তিনি একজন উম্মী বা নিরক্ষর ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও তাঁর প্রতি এমন বিশুদ্ধ ও অলংকারময় বাণী নাযিল হয়, যার সামনে বড় বড় কবি-সাহিত্যিক নতি স্বীকারে বাধ্য হয়ে যায় এবং সূরা বাকারা ( ২ : ২৩) ও অন্যান্য সূরায় যে চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে একজনও তা গ্রহণ করতে সক্ষম হয়নি। সূরা আনকাবুতে (২৯ : ৫১) এরই দিকে ইশারা করে বলা হয়েছে যে, একজন সত্য সন্ধানীর জন্য কেবল এই এক মুজিযাই যথেষ্ট ছিল, কিন্তু নিজেদের জেদ ও হঠকারিতার কারণে মক্কার কাফেরগণ নিত্য-নতুন মুজিযা দাবী করতে থাকে। এভাবে তারা যে সব বেহুদা ফরমায়েশ ও দাবী-দাওয়া করত, সূরা বনী ইসরাঈলে (১৭ : ৮৯-৯৩) তার একটা তালিকাও উল্লেখ করা হয়েছে। এ কারণে কখনও কখনও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামেরও ধারণা হত তাদের ফরমায়েশী মুজিযাসমূহের থেকে কোনও মুজিযা দেখিয়ে দেওয়া হলে হয়ত তারা ঈমান আনত ও জাহান্নাম থেকে রক্ষা পেত। এ আয়াতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সদয় সম্বোধন করে বলা হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে তাদের এ দাবীর উদ্দেশ্য সত্য গ্রহণ নয়; বরং কেবল জেদ প্রকাশ এবং যেমন পূর্বে ২৫ নং আয়াতে বলা হয়েছে, সব রকমের নিদর্শন দেখানো হলেও তারা ঈমান আনবে না। কাজেই তাদের ফরমায়েশ পূরণ করাটা কেবল নিষ্ফল কাজই নয়; বরং সামনে ৩৭নং আয়াতে আল্লাহ তাআলার যে হিকমতের কথা বর্ণিত হয়েছে, তারও পরিপন্থী। হাঁ আপনি নিজে যদি তাদের দাবী-দাওয়া পূরণ করার জন্য তাদের কথা মত ভূগর্ভে ঢোকার কোনও সুড়ঙ্গ বানাতে বা আকাশে আরোহণের কোনও সিঁড়ি তৈরি করতে পারেন, তবে তাও করে দেখতে পারেন। বলা বাহুল্য, আল্লাহ তাআলার ইচ্ছা ছাড়া আপনি তা করতে সক্ষম হবেন না। সুতরাং তাদেরকে তাদের ইচ্ছানুরূপ মুজিযা দেখানোর চিন্তা ছেড়ে দিন। অতঃপর আল্লাহ তাআলা এটাও জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি চাইলে দুনিয়ার সমস্ত মানুষকে জোরপূর্বক একই দীনের অনুসারী বানাতে পারতেন। কিন্তু দুনিয়ায় মানব প্রেরণের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে পরীক্ষা করা, আর পরীক্ষার দাবী হল মানুষ জবরদস্তিমূলক নয়, বরং সে তার নিজ বুদ্ধি-বিবেককে কাজে লাগিয়ে, নিখিল বিশ্বে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অগণিত নিদর্শনের ভেতর চিন্তা করে স্বেচ্ছায় খুশি মনে তাওহীদ, রিসালাত ও আখিরাতের উপর ঈমান আনবে। বস্তুত নবী-রাসূলগণ মানুষকে তাদের ফরমায়েশ অনুসারে নিত্য-নতুন কারিশমা দেখানোর জন্য নয়; বরং মহা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা নিদর্শনাবলীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই প্রেরিত হয়ে থাকেন। আসমানী কিতাব নাযিলের উদ্দেশ্য হচ্ছে তাদের এ পরীক্ষাকে সহজ করে দেওয়া। তবে এসব দ্বারা উপকৃত হয় কেবল তারাই, যাদের অন্তরে সত্য জানার আগ্রহ আছে। যারা নিজেদের জেদ ধরে রাখার জন্য কসম করে নিয়েছে, তাদের জন্য না কোনও দলীল-প্রমাণ কাজে আসতে পারে, না কোনও মুজিযা।
৩৫. আর যদি তাদের উপেক্ষা আপনার কাছে কষ্টকর হয় তবে পারলে ভূগর্ভে সুড়ঙ্গ বা আকাশে সিড়ি খোঁজ করুন এবং তাদের কাছে কোন নিদর্শন নিয়ে আসুন। আর আল্লাহ্ ইচ্ছা করলে তাদের সবাইকে অবশ্যই সৎপথে একত্র করতেন। কাজেই আপনি মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হবেন না।
(৩৫) যদি তাদের উপেক্ষা তোমার নিকট কষ্টকর হয়, তাহলে পারলে ভূগর্ভে কোন সুড়ঙ্গ অথবা আকাশে কোন সোপান অন্বেষণ করে তাদের নিকট কোন নিদর্শন আনয়ন কর। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তাদের সকলকে অবশ্যই সৎপথে একত্র করতেন।(1) সুতরাং তুমি অবশ্যই মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।(2)
(1) নবী করীম (সাঃ)-কে বিরোধিতাকারী কাফেরদের মিথ্যা মনে করার কারণে তিনি যে মনঃপীড়া ও কষ্ট অনুভব করতেন সে ব্যাপারেই মহান আল্লাহ বলছেন, এটা তো আল্লাহর ইচ্ছা এবং তাঁর নির্ধারিত নিয়তির ভিত্তিতে হওয়ারই ছিল। আর আল্লাহর নির্দেশ ছাড়া তুমি তাদেরকে ইসলাম গ্রহণ করার প্রতি আকৃষ্ট করতে পার না। এমন কি যদি তুমি ভূতলে কোন সুড়ঙ্গ বানিয়ে অথবা আকাশে সিঁড়ি বা মই লাগিয়ে সেখান থেকে কোন নিদর্শন এনে তাদেরকে দেখিয়ে দাও, তাহলে প্রথমতঃ এ রকম করা তোমার পক্ষে সম্ভব নয়, আর যদি এ রকম দেখিয়েও দাও, তবুও তারা ঈমান আনবে না। কেননা, তাদের ঈমান আনার ব্যাপারটা আল্লাহর হিকমত ও ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল; যাকে মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি সম্পূর্ণরূপে পরিবেষ্টিত করতে পারে না। অবশ্য এতে তার একটি বাহ্যিক হিকমত হল এই যে, মহান আল্লাহ তাদেরকে এখতিয়ার এবং (করা ও না করার) স্বাধীনতা দিয়ে পরীক্ষা করছেন। অন্যথা সমস্ত মানুষকে হিদায়াতের পথে পরিচালিত করা আল্লাহর জন্য কোন কঠিন ব্যাপার ছিল না। তাঁর كُنْ (হও) শব্দ দ্বারা নিমিষে এ কাজ হতে পারত।
(2) অর্থাৎ, তুমি তাদের কুফরীর কারণে খুব বেশী আফসোস ও অনুতাপ প্রকাশ করো না। কেননা, তার সম্পর্ক আল্লাহর ইচ্ছা ও তাঁর নির্ধারিত নিয়তির সাথে। কাজেই এটাকে আল্লাহর উপরেই ছেড়ে দাও। তিনি এর হিকমত এবং ভাল-মন্দের ব্যাপারটা বেশী বুঝেন।