فَلۡيَعۡبُدُواْ رَبَّ هَٰذَا ٱلۡبَيۡتِ

ফালইয়া‘বুদূরব্বা হা-যাল বাঈত।উচ্চারণ

কাজেই তাদের এই ঘরের রবের ইবাদাত করা উচিত, তাফহীমুল কুরআন

তাই তারা যেন এই ঘরের মালিকের ইবাদত করে,মুফতী তাকী উসমানী

অতএব তারা ইবাদাত করুক এই গৃহের রবের,মুজিবুর রহমান

অতএব তারা যেন এবাদত করে এই ঘরের পালনকর্তারমাওলানা মুহিউদ্দিন খান

অতএব, এরা ‘ইবাদত করুক এই গৃহের মালিকের, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতএব তারা যেন এ গৃহের রবের ‘ইবাদাত করে,আল-বায়ান

তাদের কর্তব্য হল এই (কা‘বা) ঘরের রবের ‘ইবাদাত করা,তাইসিরুল

অতএব তারা এই গৃহের প্রভুর উপাসনা করুক;মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

এ ঘর মানে কা’বা শরীফ। এখানে আল্লাহর বক্তব্যের অর্থ হচ্ছে, এ ঘরের বদৌলতেই কুরাইশরা এ নিয়ামতের অধিকারী হয়েছে। তারা নিজেরাই একথা মেনে নিয়েছেযে, এই যে ৩৬০টি মূর্তিকে তারা পূজা করে এরা এ ঘরের রব নয়। বরং একমাত্র আল্লাহই এর রব। তিনিই আসহাবে ফীলের আক্রমণ থেকে তাদেরকে বাঁচিয়েছেন। আবরাহার সেনাবাহিনীর মোকাবিলায় সাহায্য করার জন্য তাঁর কাছেই তারা আবেদন জানিয়েছিল। তাঁর ঘরের আশ্রয় লাভ করার আগে যখন তারা আরবের চারদিকে ছড়িয়েছিল তখন তাদের কোন মর্যাদাই ছিল না। আরবের অন্যান্য গোত্রের ন্যায় তারাও একটি বংশধারার বিক্ষিপ্ত দল ছিল মাত্র। কিন্তু মক্কায় এই ঘরের চারদিকে একত্র হবার এবং এর সেবকের দায়িত্ব পালন করতে থাকার পর সমগ্র আরবে তারা মর্যাদাশালী হয়ে উঠেছে। সবদিকে তাদের বাণিজ্য কাফেলা নির্ভয়ে যাওয়া আসা করছে। কাজেই তারা যা কিছুই লাভ করেছে এ ঘরের রবের বদৌলতেই লাভ করেছে। কাজেই তাদের একমাত্র সেই রবেরই ইবাদাত করা উচিত।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩. অতএব, তারা ইবাদাত করুক এ ঘরের রবের(১),

(১) ‘এ ঘর’ অর্থ কা'বা শরীফ বলা হয়েছে, এ ঘরের রব-এর ইবাদত কর। এখানে ঘরটিকে আল্লাহর সাথে সম্পর্কযুক্ত করার মাধ্যমে ঘরকে সম্মানিত করাই উদ্দেশ্য। (সা'দী) আর এই গৃহই যেহেতু তাদের সব শ্রেষ্ঠত্ব ও কল্যাণের উৎস ছিল, তাই বিশেষভাবে এই গৃহের মৌলিক গুণটি উল্লেখ করা হয়েছে। আর তা হচ্ছে, এটি মহান রবের ঘর। অর্থাৎ এ ঘরের বদৌলতেই কুরাইশরা এই নিয়ামতের অধিকারী হয়েছে। একমাত্র আল্লাহই যার রব। তিনিই আসহাবে ফীলের আক্রমণ থেকে তাদেরকে বাঁচিয়েছেন। আবরাহার সেনাবাহিনীর মোকাবিলায় সাহায্য করার জন্য তাঁর কাছেই তারা আবেদন জানিয়েছিল। তাঁর ঘরের আশ্রয় লাভ করার আগে যখন তারা আরবের চারদিকে ছড়িয়ে ছিল তখন তাদের কোন মর্যাদাই ছিল না।

আরবের অন্যান্য গোত্রের ন্যায় তারাও একটি বংশধারার বিক্ষিপ্ত দল ছিল মাত্র। কিন্তু মক্কায় এই ঘরের চারদিকে একত্র হবার এবং এর সেবকের দায়িত্ব পালন করতে থাকার পর সমগ্র আরবে তারা মর্যাদাশালী হয়ে উঠেছে। সবদিকে তাদের বাণিজ্য কাফেলা নিৰ্ভয়ে যাওয়া আসা করছে। তারা যা কিছুই লাভ করেছে এ ঘরের রবের বদৌলতেই লাভ করেছে। কাজেই তাদের একমাত্র সেই রবেরই ইবাদত করা উচিত। (দেখুন: মুয়াস্‌সার, কুরতুবী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

৩। অতএব তারা ইবাদত করুক এই গৃহের প্রতিপালকের।