আল্লাযী জামা‘আ মা-লাওঁ‘ওয়া ‘আদ্দাদাহ।উচ্চারণ
যে অর্থ জমায় এবং তা গুণে গুণে রাখে। ২ তাফহীমুল কুরআন
যে অর্থ সঞ্চয় করে ও তা বারবার গুণে দেখে।মুফতী তাকী উসমানী
যে অর্থ জমায় ও তা গুণে গুণে রাখে।মুজিবুর রহমান
যে অর্থ সঞ্চিত করে ও গণনা করেমাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যে অর্থ জমায় ও তা বারবার গণনা করে; ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যে সম্পদ জমা করে এবং বার বার গণনা করে।আল-বায়ান
যে ধন-সম্পদ জমা করে আর বার বার গণনা করে,তাইসিরুল
যে ধনসম্পদ জমা করছে এবং তা গুনছে,মাওলানা জহুরুল হক
২
প্রথম বাক্যটির পর এই দ্বিতীয় বাক্যটির থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ অর্থই প্রকাশিত হয় যে, নিজের অগাধ ধনদৌলতের অহংকারে সে মানুষকে এভাবে লাঞ্ছিত ও অপমানিত করে। অর্থ জমা করার জন্য جَمَعَ مَالًا শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এ থেকে অর্থ প্রাচুর্য বুঝা যায়। তারপর ‘গুণে গুণে রাখা’ থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কার্পণ্য ও অর্থ লালসার ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে।
২. যে সম্পদ জমায় ও তা বার বার গণনা করে(১);
(১) অর্থাৎ নিজের অগাধ ধনদৌলতের অহংকারে সে মানুষকে এভাবে লাঞ্ছিত ও অপমানিত করে। যেসব বদভ্যাসের কারণে আয়াতে শাস্তির কথা উচ্চারণ করা হয়েছে, তন্মধ্যে এটি হচ্ছে তৃতীয়। যার মূল কথা হচ্ছে অর্থালিপ্সা। আয়াতে একে এভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে— অর্থালিপ্সার কারণে সে তা বার বার গণনা করে। গুণে গুণে রাখা বাক্য থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কার্পণ্য ও অর্থ লালসার ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে। তবে অন্যান্য আয়াত ও হাদীস সাক্ষ্য দেয় যে, অর্থ সঞ্চয় করা সর্বাবস্থায় হারাম ও গোনাহ নয়। তাই এখানেও উদ্দেশ্য সেই সঞ্চয় হবে, যাতে জরুরি হক আদায় করা হয় না, কিংবা গর্ব ও অহমিকা লক্ষ্য হয় কিংবা লালসার কারণে দ্বীনের জরুরি কাজ বিঘ্নিত হয়। (আদওয়াউল বায়ান)
২। যে অর্থ জমায় ও তা গণনা করে রাখে। (1)
(1) এর অর্থ হল যে, সে (মাল) জমা করে ও গুনে গুনে রাখে; গুছিয়ে গুছিয়ে রাখে এবং আল্লাহর রাস্তায় খরচ করে না। নচেৎ, সাধারণভাবে মাল সঞ্চয় করে রাখা কোন নিন্দনীয় কাজ নয়। নিন্দনীয় তখনই হয় যখন তার যাকাত দেওয়া না হয়, দান-খয়রাত এবং আল্লাহর রাস্তায় খরচ না করা হয়।