وَتَكُونُ ٱلۡجِبَالُ كَٱلۡعِهۡنِ ٱلۡمَنفُوشِ

ওয়া তাকূনুল জিবা-লুকাল‘ইহনিল মানফূশ।উচ্চারণ

এবং পাহাড়গুলো রং বেরঙের ধূনা পশমের মতো হবে। তাফহীমুল কুরআন

এবং পাহাড়সমূহ হবে ধূনিত রঙ্গিন পশমের মত।মুফতী তাকী উসমানী

এবং পর্বতসমূহ হবে ধূনিত রঙ্গীন পশমের মত।মুজিবুর রহমান

এবং পর্বতমালা হবে ধুনিত রঙ্গীন পশমের মত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এবং পর্বতসমূহ হবে ধূনিত রংগিন পশমের মত। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর পর্বতরাজি হবে ধুনা রঙিন পশমের মত।আল-বায়ান

আর পর্বতগুলো হবে ধুনা রঙ্গিন পশমের মত।তাইসিরুল

আর পাহাড়গুলো হয়ে যাবে ধোনা পশমের মতো।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

এ পর্যন্ত কিয়ামতের প্রথম পর্যায়ের আলোচনা চলেছে। অর্থাৎ যখন মহাদুর্ঘটনা ঘটে যাবে। আর এর ফলে সারা দুনিয়ার ব্যবস্থাপনা ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে, লোকেরা আতংকগ্রস্ত হয়ে এদিক ওদিক দৌড়াদৌড়ি করতে থাকবে যেমন আলোর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়া পতঙ্গরা চারদিকে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। পাহাড়গুলো রং বেরঙের ধূনা পশমের মতো উড়তে থাকবে। পাহাড়গুলোর রং বিভিন্ন হওয়ার কারণে আসলে তাদেরকে রং বেরঙের পশমের সাথে তুলনা করা হয়েছে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৫. আর পর্বতসমূহ হবে ধুনিত রঙ্গিন পশমের মত।(১)

(১) অর্থাৎ যখন মহাদুর্ঘটনা ঘটে যাবে। আর এর ফলে সারা দুনিয়ার ব্যবস্থাপনা ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে, লোকেরা আতংকগ্ৰস্ত হয়ে এদিক ওদিক দৌড়াদৌড়ি করতে থাকবে যেমন আলোর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়া পতংগরা চারদিকে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। পাহাড়গুলো ধূনা পশমের মত হবে, যা হাল্কা বাতাসে উড়ে যাবে। (সা’দী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

৫। এবং পর্বতসমূহ হবে ধূনিত রঙ্গিন পশমের ন্যায়। (1)

(1) عِهن সেই পশমকে বলা হয় যা নানান রঙে রঞ্জিত হয়। مَنفُوش অর্থ হল ধূনিত। এতে পাহাড়ের সেই অবস্থাকে বর্ণনা করা হয়েছে, যা কিয়ামতের দিন তার ঘটবে। কুরআন কারীমে পাহাড়ের উক্ত অবস্থা নানানভাবে বিভিন্ন স্থানে উল্লিখিত হয়েছে; যার বিস্তারিত বিবরণ পূর্বেই বর্ণিত হয়েছে। এরপর সেই দুই দলের কথা সংক্ষেপে উল্লেখ করা হচ্ছে, যারা কিয়ামতের দিন নিজ নিজ আমলানুযায়ী বিভক্ত হবে।