ওয়া লা-তাহাদ্দূ না ‘আলা-তা‘আ-মিল মিছকীন।উচ্চারণ
এবং মিসকীনকে খাওয়াবার জন্য পরস্পরকে উৎসাহিত কর না। ১২ তাফহীমুল কুরআন
এবং মিসকীনদেরকে খাবার খাওয়ানোর জন্য একে অন্যকে উৎসাহিত করো না।মুফতী তাকী উসমানী
এবং তোমরা অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দানে পরস্পরকে উৎসাহিত করনা,মুজিবুর রহমান
এবং মিসকীনকে অন্নদানে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং তোমরা অভাবগ্রস্তদেরকে খাদ্যদানে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর তোমরা মিসকীনদের খাদ্যদানে পরষ্পরকে উৎসাহিত কর না।আল-বায়ান
আর তোমরা ইয়াতীম মিসকিনকে খাদ্য দেয়ার জন্য পরস্পরকে উৎসাহিত কর না,তাইসিরুল
আর নিঃস্বদের খাবার দিতে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না,মাওলানা জহুরুল হক
১২
অর্থাৎ তোমাদের সমাজে গরীবদের আহার করাবার কোন রেওয়াজই নেই। কোন ব্যক্তি নিজে অগ্রসর হয়ে কোন অভুক্তকে আহার করাবার উদ্যোগ নেয় না। অথবা ক্ষুধার্তদের ক্ষুধা নিবারণ করার কোন চিন্তাই তোমাদের মনে আসে না এবং এর ব্যবস্থা করার জন্য তোমরা পরস্পরকে উৎসাহিতও করো না।
১৮. এবং তোমরা মিসকীনকে খাদ্যদানে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না(১),
(১) এখানে তাদের দ্বিতীয় মন্দ অভ্যাস বর্ণনা করা হয়েছে যে, তোমরা নিজেরা তো গরীব-মিসকীনকে খাবার দাওই না, পরন্তু অপরকেও এ কাজে উৎসাহিত কর না।
১৮। এবং অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দানে পরস্পরকে উৎসাহিত কর না।