লাছাতা ‘আলইহিম বিমুসাইতির।উচ্চারণ
এদের উপর বল প্রয়োগকারী নও। ৮ তাফহীমুল কুরআন
তোমাকে তাদের উপর জবরদস্তি করার ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। মুফতী তাকী উসমানী
তুমি তাদের কর্মনিয়ন্ত্রক নও।মুজিবুর রহমান
আপনি তাদের শাসক নন,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তুমি এদের কর্ম নিয়ন্ত্রক নও। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি তাদের উপর শক্তি প্রয়োগকারী নও।আল-বায়ান
তুমি তাদের ওপর জবরদস্তিকারী নও।তাইসিরুল
তুমি তাদের উপরে আদৌ অধ্যক্ষ নও,মাওলানা জহুরুল হক
৮
অর্থাৎ ন্যায়সঙ্গত যুক্তি মানতে যদি কোন ব্যক্তি প্রস্তুত না হয়, তাহলে মানা না মানা তার ইচ্ছা তবে তোমাকে এই দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়নি যে, যে ব্যক্তি মানতে প্রস্তুত নয় তাকে জবরদস্তি মানাতে হবে। তোমার কাজও কেবল এতটুকুঃ লোকদেরকে ভুল ও সঠিক এবং সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য জানিয়ে দাও। তাদেরকে ভুল পথে চলার পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করো। কাজেই এ দায়িত্ব তুমি পালন করে যেতে থাকো।
কাফেরদের গোঁয়ার্তুমির কারণে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কষ্ট পেতেন, তার জন্য তাঁকে সান্তনা দেওয়া হয়েছে যে, কেবল তাবলীগ দ্বারাই আপনার দায়িত্ব আদায় হয়ে যায়। তাদেরকে জোর করে মুসলিম বানানো আপনার দায়িত্ব না। প্রত্যেক মুবাল্লিগ ও সত্যের প্রচারকের জন্য এর ভেতর এই মূলনীতি রয়েছে যে, তার উচিত তাবলীগের দায়িত্ব আদায়ে রত থাকা। কাউকে জোরপূর্বক মানানোর দায়িত্ব তার নয়।
২২. আপনি তাদের উপর শক্তি প্রয়োগকারী নন।
২২। তুমি তাদের কর্মনিয়ন্ত্রক নও। (1)
(1) সুতরাং ঈমান আনার জন্য তাদেরকে বাধ্য করতে পার না। কোন কোন উলামাগণ বলেন যে, এটা হল হিজরতের পূর্বেকার নির্দেশ; যা জিহাদের আয়াত দ্বারা রহিত করা হয়েছে। কেননা, এর পর নবী (সাঃ) বলেছেন, ‘‘আমি আদেশপ্রাপ্ত হয়েছি যে, লোকেদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করি; যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা ‘আল্লাহ ছাড়া উপাস্য নেই’ বলে সাক্ষ্য দেয়। অতএব যখন তারা তা বলবে, তখন তারা আমার হাত হতে ইসলামী হক ছাড়া তাদের জান-মালকে বাঁচিয়ে নেবে। আর (যে ব্যাপারে আমাদের অজানা সে ব্যাপারে) তাদের হিসাব আল্লাহর উপর। (সহীহ বুখারী যাকাত ওয়াজেব হওয়ার পরিচ্ছেদ, মুসলিম ঈমান অধ্যায়)