ওয়াল আরদিযা-তিসসাদ‘ই।উচ্চারণ
এবং (উদ্ভিদ জন্মাবার সময়) ফেটে যাওয়া যমীনের, তাফহীমুল কুরআন
এবং সেই ভূমির যা বিদীর্ণ হয়। মুফতী তাকী উসমানী
এবং শপথ যমীনের যা বিদীর্ণ হয়,মুজিবুর রহমান
এবং বিদারনশীল পৃথিবীরমাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং শপথ যমীনের, যা বিদীর্ণ হয়, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কসম বিদীর্ণ যমীনের।আল-বায়ান
এবং গাছপালার চারা গজানোর সময় বক্ষ দীর্ণকারী যমীনের শপথ, (বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে বৃক্ষলতার উৎপাদন যেমন অকাট্য সত্য, তেমনি কুরআন যা ঘোষণা করে তাও অকাট্য সত্য)তাইসিরুল
আর পৃথিবীর কথা যা বিদীর্ণ হয়।মাওলানা জহুরুল হক
অর্থাৎ সেই ভূমির শপথ, যা বৃষ্টিপাতের পর বীজ থেকে অঙ্কুর উদগত করার জন্য ফেটে যায়। বৃষ্টিপাত ও ভূমির বিদীর্ণ হওয়ার শপথ করার দ্বারা ইশারা করা উদ্দেশ্য যে, বৃষ্টির পানি সব জায়গায় সমানভাবে বর্ষিত হয়, কিন্তু সব ভূমিই তা দ্বারা উপকৃত হয় না। তা দ্বারা উপকৃত হয় কেবল সেই ভূমিই যার উর্বরা শক্তি আছে, ফসল ফলানোর যোগ্যতা আছে। এমনিভাবে কুরআন মাজীদও সকলের জন্যই হেদায়েতের বাণী ও পথের দিশারী, কিন্তু এর দ্বারা উপকৃত হয় কেবল এমন লোক, যার অন্তরে সত্য গ্রহণের যোগ্যতা আছে।
১২. এবং শপথ যমীনের, যা বিদীর্ণ হয়(১),
(১) যমীন বিদীর্ণ হওয়ার অর্থ উদ্ভিদ উৎপন্ন হওয়া। (ইবন কাসীর; সা’দী) মুজাহিদ বলেন, পথবিশিষ্ট যমীন যা পানি দ্বারা বিদীর্ণ হয়। অথবা যমীন যা বিদীর্ণ হয়ে মৃতরা পুনরুত্থানের জন্য বের হবে। (ফাতহুল কাদীর; সা’দী) তবে প্রথম তাফসীরটিই বেশী প্ৰসিদ্ধ।
১২। এবং শপথ বিদীর্ণশীল পৃথিবীর। (1)
(1) অর্থাৎ, মাটি ফেটে তা হতে শস্যদানা অঙ্কুরিত হয়। মাটি ফেটে ঝরনাধারা প্রবাহিত হয়। আর এইভাবে একদিন এমন আসবে যেদিন মাটি ফেটে সমস্ত মৃত জীব-জন্তু জীবিত হয়ে ভূগর্ভ থেকে বের হয়ে আসবে। এই জন্যই যমীন, মাটি ও পৃথিবীকে ‘বিদীর্ণশীল’ বলা হয়েছে। (এ ছাড়া সমুদ্রগর্ভেও বড় বড় ফাটল রয়েছে বলে বিজ্ঞান প্রমাণ করেছে।)