كَلَّآ إِنَّ كِتَٰبَ ٱلۡأَبۡرَارِ لَفِي عِلِّيِّينَ

কাল্লাইন্না কিতা-বাল আবর-রি লাফী ‘ইলিলইঈন।উচ্চারণ

কখ্খনো নয়, অবশ্যি নেক লোকদের আমলনামা উন্নত মর্যাদাসম্পন্ন লোকদের দফতরে রয়েছে। তাফহীমুল কুরআন

জেনে রেখ, পুণ্যবানদের আমলনামা থাকে ইল্লিয়্যীনে। মুফতী তাকী উসমানী

অবশ্যই পুণ্যবানদের ‘আমলনামা ইল্লিয়্যীনে থাকবে,মুজিবুর রহমান

কখনও না, নিশ্চয় সৎলোকদের আমলনামা আছে ইল্লিয়্যীনে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

অবশ্যই পুণ্যবানদের ‘আমলনামা ‘ইলিয়্যীনে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

কখনো নয়, নিশ্চয় নেককার লোকদের আমলনামা থাকবে ইল্লিয়্যীনে ।*আল-বায়ান

(ভাল-মন্দের বিচার হবে না, শাস্তি-পুরস্কার কিছুই হবে না তা) কক্ষনো না, নিশ্চয়ই সৎলোকদের ‘আমালমানা ‘ইল্লিয়ীনে (সংরক্ষিত) আছে।তাইসিরুল

না, নিঃসন্দেহ ধর্মপরায়ণদের কর্মবিবরণী তো ইল্লিয়ীনে রয়েছে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

অর্থাৎ মানুষের ভালো ও মন্দ কাজের কোন পুরস্কার ও শাস্তি দেয়া হবে না, তাদের এ ধারণা একেবারেই ভুল।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

‘ইল্লিয়্যীন’-এর শাব্দিক অর্থ অট্টালিকা। মুমিনদের রূহ যেখানে নিয়ে রাখা হয় এটা সেই স্থানের নাম। তাদের আমলনামাও এখানেই হেফাজত করা হয়।

তাফসীরে জাকারিয়া

১৮. কখনো নয়, নিশ্চয় পূণ্যবানদের আমলনামা ইল্লিয়্যীনে(১),

(১) কারও কারও মতে عِلِّيِّينَ শব্দটি علوّ এর বহুবচন। উদ্দেশ্য উচ্চতা। (ইবন কাসীর) আবার কেউ কেউ বলেন, এটা জায়গার নাম- বহুবচন নয়। (কুরতুবী; ইবন কাসীর) বারা ইবনে আযেব রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদীসে এসেছে যে, ফেরশেতাগণ রূহ নিয়ে উঠতেই থাকবেন حَتّٰى يُنْتَهٰى بِهِ إِلَى السَّمَاءَ السَّابِعَةِ فَيَقُوْلُ اللهُ عزَّ وَجَلَّ اكْتُبُوا كِتَابَ عَبْدِي فِي عِلِّيِّينَ “শেষ পর্যন্ত সপ্তম আসমানে উঠবেন তখন মহান আল্লাহ বলবেন, আমার বান্দার কিতাব ইল্লিয়্যীনে লিখে নাও।” (মুসনাদে আহমাদ: ৪/২৮৭)। এ থেকে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, ইল্লিয়্যীন সপ্তম আকাশে আরশের কাছে এক স্থানের নাম। এতে মুমিনদের রূহ ও আমলনামা রাখা হয়। (ইবন কাসীর ইবন আব্বাস থেকে)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

১৮। অবশ্যই পুণ্যবানদের আমলনামা ইল্লিয়্যীনে থাকবে। (1)

(1) عليين (ইল্লিয়্যীন) শব্দটি علو থেকে এসেছে (যার অর্থ মহা উচ্চ), এটা হল ‘সিজ্জীন’ শব্দের বিপরীত। এটা আসমানে অথবা জান্নাতে কিংবা সিদরাতুল মুন্তাহায় কিংবা আরশের নিকটবর্তী এক স্থান। যেখানে নেক লোকদের আত্মা এবং তাদের আমল-নামা সংরক্ষিত আছে। যার নিকটে আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত ফিরিশতা উপস্থিত হন।