ثُمَّ شَقَقۡنَا ٱلۡأَرۡضَ شَقّٗا

ছু ম্মা শাকাকনাল আরদা শাক্ক-।উচ্চারণ

তারপর যমীনকে অদ্ভূতভাবে বিদীর্ণ করেছি। ১৯ তাফহীমুল কুরআন

তারপর ভূমিকে বিস্ময়করভাবে বিদীর্ণ করেছি। মুফতী তাকী উসমানী

অতঃপর আমি ভূমিকে প্রকৃষ্ট রূপে বিদীর্ণ করি;মুজিবুর রহমান

এরপর আমি ভূমিকে বিদীর্ণ করেছি,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরপর আমি ভূমি প্রকৃষ্টরূপে বিদীর্ণ করি ; ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তারপর যমীনকে যথাযথভাবে বিদীর্ণ করি।আল-বায়ান

তারপর যমীনকে বিদীর্ণ করে দেই,তাইসিরুল

তারপর আমরা মাটিকে ফাটিয়ে দিই চৌচির ক’রে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৯

যমীনকে বিদীর্ণ করার মানে হচ্ছে, মাটি এমনভাবে ফাটিয়ে ফেলা যার ফলে মানুষ তার মধ্যে যে বীজ, আঁটি বা চারা রোপণ বা বপন করে অথবা যা বাতাস ও পাখির মাধ্যমে বা অন্য কোনভাবে তার মধ্যে পৌঁছে যায় তা অংকুর গজাতে পারে। মানুষ বড় জোর মাটি খনন করতে বা তার মধ্যে লাঙল চালাতে পারে এবং আল্লাহ‌ যে বীজ সৃষ্টি করেছেন তাকে মাটিতে রোপণ করতে পারে। এর বেশী সে কিছুই করতে পারে না। এছাড়া সমস্ত কাজ আল্লাহ‌ করেন। তিনি অসংখ্য জাতের উদ্ভিদের বীজ সৃষ্টি করেছেন। তিনিই এসব বীজের মধ্যে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি করেছেন, যার ফলে মাটির বুকে এদের অংকুর বের হয় এবং প্রতিটি বীজ থেকে তার প্রজাতির পৃথক উদ্ভিদ জন্ম নেয়। আবার তিনি মাটির মধ্যে এমন যোগ্যতা সৃষ্টি করে দিয়েছেন যার ফলে তা পানির সাথে মিশে ঐ বীজগুলোর প্রত্যেকটির খোসা আলগা করে তার মুখ খুলে দেয় এবং সেখান থেকে বিভিন্ন জাতের উদ্ভিদের জন্য তার উপযোগী খাদ্য সরবরাহ করে তার উদগম ও বিকাশ লাভে সাহায্য করে। আল্লাহ‌ যদি এই বীজগুলোর মধ্যে এই বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি না করতেন এবং মাটির এই উপরি স্তরকে এই যোগ্যতা সম্পন্ন না করতেন তাহলে মানুষ কি এখানে কোন খাদ্য লাভ করতে পারতো?

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

দানা ফুঁড়ে কচি চারার কোমল অঙ্কুর যেভাবে শক্ত মাটি ভেদ করে বের হয়ে আসে, তার প্রতি লক্ষ্য করলে আল্লাহ তাআলার কুদরত উপলব্ধি করা ও তাঁর প্রতি ঈমান আনার জন্য আর কোন দলীলের দরকার পড়ে না। এই এক নিদর্শনই যথেষ্ট।

তাফসীরে জাকারিয়া

২৬. তারপর আমরা যমীনকে যথাযথভাবে বিদীর্ণ করি;

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

২৬। অতঃপর ভূমিকে প্রকৃষ্টরূপে বিদীর্ণ করি।