আন্না-সাবাবনাল মাআ সাব্বা-।উচ্চারণ
আমি প্রচুর পানি ঢেলেছি। ১৮ তাফহীমুল কুরআন
আমি উপর থেকে প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করেছি।মুফতী তাকী উসমানী
আমিই প্রচুর বারি বর্ষণ করি,মুজিবুর রহমান
আমি আশ্চর্য উপায়ে পানি বর্ষণ করেছি,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমিই প্রচুর বারি বর্ষণ করি, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
নিশ্চয় আমি প্রচুর পরিমাণে পানি বর্ষণ করি।আল-বায়ান
আমি প্রচুর পানি ঢালি,তাইসিরুল
কেমন ক’রে আমরা বৃষ্টি বর্ষণ করি বর্ষণধারায়,মাওলানা জহুরুল হক
১৮
এর অর্থ বৃষ্টি। সূর্য তাপে সমুদ্র পৃষ্ঠের বিপুল বারি রাশিকে বাষ্পের আকারে আকাশে উঠিয়ে নেয়া হয়। তা থেকে সৃষ্টি হয় ঘন মেঘ। বায়ু প্রবাহ সেগুলো নিয়ে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়। তারপর মহাশূন্যের শীতলতায় সেই বাষ্পগুলো আবার পানিতে পরিণত হয়ে দুনিয়ার প্রত্যেক এলাকায় একটি বিশেষ পরিমাণ অনুযায়ী বর্ষিত হয়। এরপর এই পানি সরাসরি পৃথিবী পৃষ্ঠে বর্ষিত হয়, ভূ-গর্ভে কূয়া ও ঝর্ণার আকার ধারণ করে, নদী-নালায় স্রোতের আকারেও প্রবাহিত হয়। আবার পাহাড়ে জমাট বাঁধা বরফের আকার ধারণ করে গলে যেতেও থাকে। এভাবে বর্ষাকাল ছাড়াও অন্যান্য মওসুমে নদীর বুকে প্রবাহিত হতে থাকে। এসব ব্যবস্থা কি মানুষ নিজেই করেছে? তার স্রষ্টা তার জীবিকার জন্য যদি এসবের ব্যবস্থা না করতেন তাহলে মানুষ কি পৃথিবীর বুকে জীবন ধারণ করতে পারতো?
২৫. নিশ্চয় আমরা প্রচুর বারি বর্ষণ করি,
২৫। আমিই তো প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করি,