কাল্লাইন্নাহা-তাযকিরহ।উচ্চারণ
কখখনো নয়, ৩ এটি তো একটি উপদেশ, ৪ তাফহীমুল কুরআন
কিছুতেই এরূপ উচিত নয়। এ কুরআন তো এক উপদেশবাণী।মুফতী তাকী উসমানী
না, এই আচরণ অনুচিত, এটাতো উপদেশ বাণী;মুজিবুর রহমান
কখনও এরূপ করবেন না, এটা উপদেশবানী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
না, এটা ঠিক নয়, এটা তো উপদেশবাণী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
কখনো নয়, নিশ্চয় এটা উপদেশ বাণী।আল-বায়ান
না, এটা মোটেই ঠিক নয়, এটা তো উপদেশ বাণী,তাইসিরুল
কদাচ না! নিঃসন্দেহ এ এক স্মরণীয় বার্তা,মাওলানা জহুরুল হক
৩
অর্থাৎ এমনটি কখনো করো না। যেসব লোক আল্লাহকে ভুলে আছে এবং যারা নিজেদের দুনিয়াবী সহায়-সম্পদ ও প্রভাব-প্রতিপত্তির অহংকারে মত্ত হয়ে আছে, তাদেরকে অযথা গুরুত্ব দিয়ো না। ইসলামের শিক্ষা এমন কোন জিনিস নয় যে, যে ব্যক্তি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকে তার সামনে নতজানু হয়ে তা পেশ করতে হবে। আবার এই ধরনের অহংকারী লোককে ইসলামের দিকে আহবান করার জন্য এমন ধরনের কোন প্রচেষ্টা চালানোও তোমার মর্যাদা বিরোধী, যার ফলে সে এ ভুল ধারণা করে বসে যে, তার সাথে তোমার কোন স্বার্থ জড়িত আছে এবং সে মেনে নিলে তোমার দাওয়াত সম্প্রসারিত হবার পথ প্রশস্ত হবে। অন্যথায় তুমি ব্যর্থ হয়ে যাবে। সে সত্যের যতটা মুখাপেক্ষী নয় সত্যও তার ততটা মুখাপেক্ষী নয়।
৪
অর্থাৎ কুরআন।
১১. কখনো নয়, এটা তো উপদেশ বাণী(১),
(১) অর্থাৎ এমনটি কখনো করবেন না। যে সব লোক আল্লাহকে ভুলে আছে এবং যারা নিজেদের দুনিয়াবী সহায়-সম্পদ ও প্রভাব-প্রতিপত্তির অহংকারে মত্ত হয়ে আছে, তাদেরকে অযথা গুরুত্ব দিবেন না। ইসলাম, আহি বা কুরআন এমন কিছু নয় যে, যে ব্যক্তি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকে তার সামনে নতজানু হয়ে তা পেশ করতে হবে। বরং সে সত্যের যতটা মুখাপেক্ষী নয় সত্যও তার ততটা মুখাপেক্ষী নয়। বরং তাদেরই ইসলামের মহত্তের সামনে নতজানু হতে হবে। (তাতিম্মাতু আদওয়াউল বায়ান)
১১। কক্ষনো (এরূপ করবে) না।(1) এটা তো উপদেশবাণী;
(1) অর্থাৎ, গরীব-মিসকীন ব্যক্তি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া আর ধনবান ব্যক্তির প্রতি খাস মনোযোগ দেওয়া ঠিক নয়। এর ভাবার্থ হল যে, আগামীতে যেন পুনর্বার এইরূপ না ঘটে।