لَّا يَسۡمَعُونَ فِيهَا لَغۡوٗا وَلَا كِذَّـٰبٗا

লা-ইয়াছমা‘উনা ফীহা-লাগওয়াওঁ ওয়ালা-কিযযা-বা-।উচ্চারণ

সেখানে তারা শুনবে না কোন বাজে ও মিথ্যা কথা। ২১ তাফহীমুল কুরআন

সেখানে তারা কোন অহেতুক কথা শুনবে না এবং কোন মিথ্যা কথাও না।মুফতী তাকী উসমানী

সেখানে তারা শুনবেনা অসার ও মিথ্যা বাক্য;মুজিবুর রহমান

তারা তথায় অসার ও মিথ্যা বাক্য শুনবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

সেখানে তারা শুনবে না অসার ও মিথ্যা বাক্য; ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তারা সেখানে কোন অসার ও মিথ্যা কথা শুনবে না।আল-বায়ান

সেখানে তারা শুনবে না অসার অর্থহীন আর মিথ্যে কথা,তাইসিরুল

তারা সেখানে খেলো কথা শুনবে না, আর মিথ্যাকথাও নয়।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২১

জান্নাতে মানুষ কোন বাজে, নোংরা, মিথ্যা ও অর্থহীন কথা শুনবে না। মানুষের কান এ থেকে সংরক্ষিত থাকবে। কুরআনের বিভিন্ন স্থানে এ বিষয়টিকে জান্নাতের বিরাট নিয়ামত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। জান্নাতে কোন কটূকথা ও আজেবাজে গপসপ হবে না। কেউ কারোর সাথে মিথ্যা কথা বলবে না এবং কারোর কথাকে মিথ্যাও বলবে না। দুনিয়ায় গালিগালাজ, মিথ্যা দোষারোপ, অভিযোগ, কুৎসা প্রচার ও অন্যের ওপর মিথ্যা দোষ চাপিয়ে দেবার যে ব্যাপক প্রচেষ্টা মানুষের সমাজে চলছে তার ছিঁটে ফোটাও সেখানে থাকবে না। (আরো বেশী ব্যাখ্যা জানার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন, সূরা মারয়াম ৩৮ টীকা এবং আল ওয়াকিয়াহ ১৩ ও ১৪ টীকা।)

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩৫. সেখানে তারা শুনবে না কোন অসার ও মিথ্যা বাক্য(১);

(১) জান্নাতে কোন কটুকথা ও আজেবাজে গল্পগুজব হবে না। কেউ কারো সাথে মিথ্যা বলবে না এবং কারো কথাকে মিথ্যাও বলবে না। কুরআনের বিভিন্ন স্থানে এ বিষয়টিকে জান্নাতের বিরাট নিয়ামত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। (সা’দী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

৩৫। সেখানে তারা শুনবে না কোন অসার ও মিথ্যা কথা। (1)

(1) অর্থাৎ, কোন অসার, ফালতু বা অশ্লীল কথাবার্তা সেখানে হবে না। আর না এক অপরকে মিথ্যা বলবে।