জাঝাআম মির রব্বিকা ‘আতাআন হিছা-বা-।উচ্চারণ
প্রতিদান ও যথেষ্ট পুরস্কার ২২ তোমাদের রবের পক্ষ থেকে, তাফহীমুল কুরআন
তাদের প্রতিপালকের পক্ষ হতে পুরস্কারস্বরূপ, (আল্লাহর) এমন দান, যা মানুষের কর্ম হিসাবে দেওয়া হবে। মুফতী তাকী উসমানী
এটাই তোমার রবের অনুগ্রহের পূর্ণ প্রতিদান।মুজিবুর রহমান
এটা আপনার পালনকর্তার তরফ থেকে যথোচিত দান,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এটা পুরস্কার, যথোচিত দান তোমার প্রতিপালকের, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তোমার রবের পক্ষ থেকে প্রতিফল, যথোচিত দানস্বরূপ।আল-বায়ান
এটা তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে প্রতিফল, যথোচিত দান।তাইসিরুল
তোমার প্রভুর কাছ থেকে প্রতিফল, -- হিসাবমতো পুরস্কার, --মাওলানা জহুরুল হক
২২
প্রতিদান শব্দের পরে আবার যথেষ্ট পুরস্কার দেবার কথা বলার অর্থ এ দাঁড়াবে যে, তারা নিজেদের সৎকাজের বিনিময়ে যে প্রতিদান লাভের অধিকারী হবে কেবলমাত্র ততটুকুই তাদেরকে দেয়া হবো না বরং তার ওপর অতিরিক্ত পুরস্কার এবং অনেক বেশী পুরস্কার দেয়া হবে। বিপরীত পক্ষে জাহান্নামবাসীদের জন্য কেবলমাত্র এতটুকুই বলা হয়েছে যে, তাদেরকে তাদের কাজের পূর্ণ প্রতিফল দেয়া হবে। অর্থাৎ তাদের যে পরিমাণ অপরাধ তার চেয়ে বেশী শাস্তি দেয়া হবে না এবং কমও দেয়া হবে না। কুরআন মজীদের বিভিন্ন স্থানে একথা সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। যেমন সূরা ইউনুস ২৬-২৭ আয়াত, আন নামল ৮৯-৯০ আয়াত, আল কাসাস ৮৪ আয়াত, সাবা ৩৩ আয়াত এবং আল মু’মিন ৪০ আয়াত।
এ তরজমা করা হয়েছে হযরত আতা (রহ.) থেকে বর্ণিত একটি ব্যাখ্যা অনুযায়ী। এর মর্ম এই যে, মুত্তাকীদের এই যা-কিছু দেওয়া হবে, এটা আল্লাহ তাআলার দান, যা তারা তাদের কোন অধিকার ছাড়াই লাভ করবে। কিন্তু আল্লাহ তাআলা এটা প্রত্যেককে দেবেন তার আমল হিসাবে। এর দ্বিতীয় তরজমা হতে পারে এ রকম, (আল্লাহর) এমন দান হবে, যা প্রত্যেকের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে, অর্থাৎ তাদের প্রয়োজন ও চাহিদা পূরণের জন্য তা যথেষ্ট হবে।
৩৬. আপনার রবের পক্ষ থেকে পুরস্কার, যথোচিত দানস্বরূপ(১),
(১) লক্ষণীয় যে, এসব নেয়ামত বর্ণনা করে বলা হয়েছে, জান্নাতের এসব নেয়ামত মুমিনদের প্রতিদান এবং আপনার রবের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত দান। এখানে জান্নাতের নেয়ামতসমূহকে প্রথমে কর্মের প্রতিদান ও পরে আল্লাহর দান বলা হয়েছে। প্রতিদান শব্দের পরে আবার যথেষ্ট পুরস্কার দেবার কথা বলার অর্থ এ দাঁড়ায় যে, তারা নিজেদের সৎকাজের বিনিময়ে যে প্রতিদান লাভের অধিকারী হবে কেবলমাত্র ততটুকুই তাদেরকে দেয়া হবে না বরং তার ওপর অতিরিক্ত পুরস্কার এবং অনেক বেশী পুরস্কার দেয়া হবে। বিপরীত পক্ষে জাহান্নামবাসীদের জন্য কেবলমাত্র এতটুকুই বলা হয়েছে যে, তাদেরকে তাদের কাজের পূর্ণ প্রতিফল দেয়া হবে। অর্থাৎ তাদের যে পরিমাণ অপরাধ তার চেয়ে বেশী শাস্তি দেয়া হবে না এবং কমও দেয়া হবে না। (দেখুন, তাতিস্মাতু আদওয়াউল বায়ান) কুরআন মজীদের বিভিন্ন স্থানে একথা সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। যেমন সূরা ইউসুস ২৬–২৭ আয়াত, সূরা আন নামল ৮৯–৯০ আয়াত, সূরা আল কাসাস ৮৪ আয়াত, সূরা সাবা ৩৩ আয়াত এবং সূরা আল মু'মিন ৪০ আয়াত।
৩৬। (এ হবে তাদের জন্য) তোমার প্রতিপালকের তরফ থেকে প্রতিদান, যথেষ্ট অনুদান। (1)
(1) عطاء -এর সাথে حساب শব্দটি অতিশয়োক্তি স্বরূপ ব্যবহার হয়ে থাকে। অর্থাৎ, সেখানে আল্লাহর দান, প্রতিদান ও অনুদানের পর্যাপ্তি ও প্রাচুর্য থাকবে।