يُدۡخِلُ مَن يَشَآءُ فِي رَحۡمَتِهِۦۚ وَٱلظَّـٰلِمِينَ أَعَدَّ لَهُمۡ عَذَابًا أَلِيمَۢا

ইউদখিলুমাইঁ ইয়াশাউ ফী রহমাতিহী ওয়াজ্জা-লিমীনা আ‘আদ্দা লাহুম ‘আযাবান আলীমা- ।উচ্চারণ

আল্লাহ সর্বজ্ঞ ও সুবিজ্ঞ। যাকে ইচ্ছা তিনি তাকে তাঁর রহমতের মধ্যে শামিল করেন। আর জালেমদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন কঠিন শাস্তি। ৩৪ তাফহীমুল কুরআন

তিনি যাকে ইচ্ছা করেন নিজ রহমতের ভেতর দাখিল করে নেন আর যারা জালেম, তাদের জন্য তিনি যন্ত্রণাময় শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন।মুফতী তাকী উসমানী

তিনি যাকে ইচ্ছা তাঁর অনুগ্রহের অন্তর্ভুক্ত করেন, কিন্তু যালিমদের জন্যতো তিনি প্রস্তুত রেখেছেন মর্মন্তদ শাস্তি।মুজিবুর রহমান

তিনি যাকে ইচ্ছা তাঁর রহমতে দাখিল করেন। আর যালেমদের জন্যে তো প্রস্তুত রেখেছেন মর্মন্তুদ শাস্তি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

তিনি যাকে ইচ্ছা তাঁর অনুগ্রহের অন্তর্ভুক্ত করেন, কিন্তু জালিমরা-এদের জন্যে তো তিনি প্রস্তুত রেখেছেন মর্মন্তুদ শাস্তি।ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যাকে ইচ্ছা তিনি স্বীয় রহমতে প্রবেশ করাবেন এবং যালিমদের জন্য তিনি প্রস্তুত রেখেছেন যন্ত্রণাদায়ক আযাব।আল-বায়ান

তিনি যাকে ইচ্ছে তাঁর রাহমাতে দাখিল করেন। আর যালিমরা- তাদের জন্য তিনি প্রস্তুত করে রেখেছেন বড়ই পীড়াদায়ক শাস্তি।তাইসিরুল

তিনি যাকে ইচ্ছা করেন তাকে তাঁর অনুগ্রহের মধ্যে প্রবেশ করান। কিন্ত অন্যায়কারীরা -- তাদের জন্য তিনি তৈরি করেছেন মর্মন্তুদ শাস্তি।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৩৪

এ সূরার ভূমিকাতে আমরা এর ব্যাখ্যা করেছি। (তাছাড়া সূরা আদ দাহরের ২নং পরিশিষ্ট দেখুন।) পরিশিষ্ট-২
৩৪নং টীকার সাথে সম্পর্কিত

এ আয়াতে জালেম বলে সেসব লোককে বুঝানো হয়েছে যাদের কাছে আল্লাহর বাণী এবং তাঁর নবীর শিক্ষা আসার পর তারা অনেক চিন্তা-ভাবনা ও বিচার-বিবেচনার পর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, তার আনুগত্য তারা করবে না। এর মধ্যে সেসব জালেমও আছে যারা পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছে আমরা এ বাণীকে আল্লাহর বাণী এবং এ নবীকে আল্লাহর নবী বলে মানি না। অথবা আল্লাহকেই আদৌ মানি না। আবার সেসব জালেমও আছে যারা আল্লাহ, নবী ও কুরআনকে মানতে অস্বীকার করে না বটে কিন্তু সিদ্ধান্ত তাদের এটাই থাকে যে, তারা তার আনুগত্য করবে না। প্রকৃতপক্ষে এ দু’টি গোষ্ঠিই জালেম। প্রথম গোষ্ঠির ব্যাপারটা তো স্পষ্ট। কিন্তু দ্বিতীয় গোষ্টীও তাদের চেয়ে কোন অংশে কম জালেম নয়। বরং জালেম হওয়ার সাথে সাথে তারা মুনাফিক এবং প্রতারকও। তারা মুখে বলে, আমরা আল্লাহকে মানি, কুরআনকে মানি। কিন্তু তাদের মন ও মগজের ফায়সালা হলো, তাঁর অনুসরণ তারা করবে না। আর তারা কাজও করে এর পরিপন্থী। এ দু’শ্রেণীর মানুষ সম্পর্কেই আল্লাহ‌ তা’আলার ঘোষণা হলো, আমি তাদের জন্য কষ্টদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি। দুনিয়াতে তারা যতই নির্ভীক ও বেপরোয়া চলুক, আরাম আয়েশে বিভোর থাকুক এবং নিজের বাহাদুরীর ডংকা বাজাক না কেন অবশেষে তাদের পরিণাম কঠোর শাস্তি ছাড়া কিছুই নয়। আল্লাহর রহমতের মধ্যে প্রবেশ করা তাদের ভাগ্যলিপিতেই নেই।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৩১. তিনি যাকে ইচ্ছে তাঁর অনুগ্রহের অন্তর্ভুক্ত করেন, কিন্তু যালেমরা— তাদের জন্য তিনি প্ৰস্তুত রেখেছেন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩১) তিনি যাকে ইচ্ছা তাঁর করুণার অন্তর্ভুক্ত করেন। আর যালেমরা; তাদের জন্য তো তিনি প্রস্তুত রেখেছেন যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (1)

(1) الظَّالِمِيْنَ কর্মপদ। কারণ এর পূর্বে يُعَذِّبُ ক্রিয়াপদ ঊহ্য আছে।