نَّحۡنُ خَلَقۡنَٰهُمۡ وَشَدَدۡنَآ أَسۡرَهُمۡۖ وَإِذَا شِئۡنَا بَدَّلۡنَآ أَمۡثَٰلَهُمۡ تَبۡدِيلًا

নাহনুখালাকনা-হুম ওয়াশাদাদনাআছরহুম ওয়া ইযা- শি’না- বাদ্দালনাআমছালাহুম তাবদীলা-।উচ্চারণ

আমিই এদের সৃষ্টি করেছি এবং এদের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও সন্ধিস্থল মজবুত করেছি। আর যখনই চাইবো তাদের আকার-আকৃতি পরিবর্তন করে দেব। ৩২ তাফহীমুল কুরআন

আমিই তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এবং তাদের গ্রন্থিবন্ধন দৃঢ় করেছি এবং আমি যখন ইচ্ছা করব তাদের পরিবর্তে তাদের অনুরূপ কিছু সৃষ্টি করব। মুফতী তাকী উসমানী

আমি তাদের সৃষ্টি করেছি এবং তাদের গঠন সুদৃঢ় করেছি। আমি যখন ইচ্ছা করব তখন তাদের পরিবর্তে তাদের অনুরূপ এক জাতিকে প্রতিষ্ঠিত করব।মুজিবুর রহমান

আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এবং মজবুত করেছি তাদের গঠন। আমি যখন ইচ্ছা করব, তখন তাদের পরিবর্তে তাদের অনুরূপ লোক আনব।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আমি এদেরকে সৃষ্টি করেছি এবং এদের গঠন সুদৃঢ় করেছি। আমি যখন ইচ্ছা করব এদের পরিবর্তে এদের অনুরূপ এক জাতিকে প্রতিষ্ঠা করব। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আমিই তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এবং তাদের গ্রন্থি শক্ত করে দিয়েছি আর আমি চাইলে তাদের স্থানে তাদের মত (মানুষ) দিয়ে পরিবর্তন করে দিতে পারি।আল-বায়ান

আমিই তাদেরকে সৃষ্টি করেছি আর তাদের গঠন মজবুত করেছি। আমি যখন চাইব তখন তাদের স্থলে তাদের মত অন্য লোক আনব।তাইসিরুল

আমরাই তাদের সৃষ্টি করেছি এবং মজবুত করেছি তাদের গঠন, কাজেই যখন আমরা চাইব তখন তাদের অনুরূপদের আমরা বদলে দেবো আমূল পরিবর্তনে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৩২

মূল বাক্য হলোوَإِذَا شِئْنَا بَدَّلْنَا أَمْثَالَهُمْ تَبْدِيلًا । এ আয়াতাংশের কয়েকটি অর্থ হতে পারে। একটি অর্থ হতে পারে যখনই ইচ্ছা আমি তাদের ধ্বংস করে তাদের স্থলে অন্য মানুষদের নিয়ে আসতে পারি, যারা তাদের কাজ-কর্ম ও আচার-আচরণে এদের থেকে ভিন্ন প্রকৃতির হবে। এর দ্বিতীয় অর্থ হতে পারে, যখনই ইচ্ছা আমি এদের আকার-আকৃতি পরিবর্তন করে দিতে পারি। অর্থাৎ আমি যেমন কাউকে সুস্থ ও নিখুঁত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অধিকারী করে সৃষ্টি করতে সক্ষম তেমনি কাউকে পুরোপুরি পক্ষাঘাতগ্রস্ত করে দিতে এবং কাউকে আংশিক পক্ষাঘাতের দ্বারা মুখ বাঁকা করে দিতে আবার কাউকে কোন রোগ বা দুর্ঘটনার শিকার বানিয়ে পঙ্গু করে দিতেও সক্ষম। তৃতীয় অর্থ হলো, যখনই ইচ্ছা মৃত্যুর পর আমি এদেরকে পুনরায় অন্য কোন আকার আকৃতিতে সৃষ্টি করতে পারি।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এর এক অর্থ হতে পারে এই যে, তিনি ইচ্ছা করলে সকলকে ধ্বংস করে তাদের স্থলে নতুন মানুষ সৃষ্টি করতে পারেন। যারা ইবাদত-আনুগত্যে তাদের চেয়ে উৎকৃষ্ট হবে। দ্বিতীয় অর্থ হতে পারে, তিনি প্রথমবার যেমন সকলকে সৃষ্টি করেছেন, তেমনি সকলের মৃত্যুর পরও যখন ইচ্ছা তাদেরকে পুনরায় সৃষ্টি করবেন।

তাফসীরে জাকারিয়া

২৮. আমরা তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এবং তাদের গঠন সুদৃঢ় করেছি। আর আমরা যখন ইচ্ছে করব তাদের স্থানে তাদের মত (কাউকে) দিয়ে পরিবর্তন করে দেব।(১)

(১) এ আয়াতাংশের কয়েকটি অর্থ হতে পারে। একটি অর্থ হতে পারে, যখনই ইচ্ছা আমি তাদের ধ্বংস করে তাদের স্থলে অন্য মানুষদের নিয়ে আসতে পারি, যারা তাদের কাজ-কর্ম ও আচার-আচরণে এদের থেকে ভিন্ন প্রকৃতির হবে। এর দ্বিতীয় অর্থ হতে পারে, যখনই ইচ্ছা আমি এদের আকার-আকৃতি ও গুণাবলি নিকৃষ্টরূপে পরিবর্তন করে দিতে পারি। (কুরতুবী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৮) আমি তাদেরকে সৃষ্টি করেছি এবং তাদের গঠন সুদৃঢ় করেছি।(1) আর আমি যখন ইচ্ছা করব, তখন তাদের পরিবর্তে তাদের অনুরূপ (এক জাতিকে) প্রতিষ্ঠিত করব। (2)

(1) অর্থাৎ, সৃষ্টিগঠনকে বলিষ্ঠ করেছি অথবা শিরা-উপশিরা দ্বারা তাদের জোড়গুলোকে এক অপরের সাথে মিলিয়ে দিয়েছেন। অন্য কথায় তাদের জোড়গুলোকে বড় শক্তিশালী করেছি।

(2) অর্থাৎ, তাদেরকে ধ্বংস করে তাদের স্থলে অন্য কোন সম্প্রদায়কে সৃষ্টি করব অথবা এর অর্থ হল, কিয়ামতের দিন পুনরায় সৃষ্টি করব।