ওয়া দা- নিয়াতান ‘আলাইহিম জিলা- লুহা- ওয়া যুলিল্লাত কুতূফুহা- তাযলীলা- ।উচ্চারণ
জান্নাতের বৃক্ষরাজির ছায়া তাদের ওপর ঝুঁকে পড়ে ছায়া দিতে থাকবে। আর তার ফলরাজি সবসময় তাদের নাগালের মধ্যে থাকবে (তারা যেভাবে ইচ্ছা চয়ন করতে পারবে)। তাফহীমুল কুরআন
অবস্থা এমন হবে যে, সে উদ্যানের ছায়া তাদের উপর নামানো থাকবে এবং তার ফলমূল সম্পূর্ণরূপে তাদের আয়ত্তাধীন করে দেওয়া হবে। মুফতী তাকী উসমানী
উহার বৃক্ষছায়া তাদের উপর ঝুকে থাকবে এবং এর ফলমূল সম্পূর্ণ রূপে তাদের নাগালের মধ্যে থাকবে।মুজিবুর রহমান
তার বৃক্ষছায়া তাদের উপর ঝুঁকে থাকবে এবং তার ফলসমূহ তাদের আয়ত্তাধীন রাখা হবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সন্নিহিত বৃক্ষছায়া তাদের ওপর থাকবে এবং এর ফলমূল সম্পূর্ণরূপে তাদের আয়ত্তাধীন করা হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাদের উপর সন্নিহিত থাকবে উদ্যানের ছায়া এবং তার ফলমূলের থোকাসমূহ তাদের সম্পূর্ণ আয়ত্তাধীন করা হবে।আল-বায়ান
জান্নাতের বৃক্ষরাজির ছায়া তাদের উপর থাকবে, আর ফলের গুচ্ছ একেবারে তাদের নাগালের মধ্যে রাখা হবে।তাইসিরুল
আর তাদের সন্নিকটে থাকবে তাদের গাছের ছায়া, আর তাদের থোকা-থোকা ফল থাকবে নত হয়ে নাগালের মধ্যে।মাওলানা জহুরুল হক
অর্থাৎ সমস্ত ফলমূল তাদের হাতের নাগালে থাকবে। অতি সহজেই তারা তা নিয়ে নিতে পারবে।
১৪. আর তাদের উপর সন্নিহিত থাকবে গাছের ছায়া এবং তার ফলমূলের থোকাসমূহ সম্পূর্ণরূপে তাদের আয়ত্তাধীন করা হবে।
(১৪) সন্নিহিত বৃক্ষছায়া তাদের উপর থাকবে(1) এবং ওর ফলমূল সম্পূর্ণরূপে তাদের আয়ত্তাধীন করা হবে। (2)
(1) সেখানে সূর্যের তাপ থাকবে না। তা সত্ত্বেও গাছের ছায়া তাদের প্রতি ঝুঁকে থাকবে অথবা এর অর্থ হল, গাছের শাখাগুলো তাদের অনেক কাছে হবে।
(2) অর্থাৎ, গাছের ফল আজ্ঞাবহ দাসের মত অপেক্ষায় থাকবে। মানুষের যখনই তা খাবার ইচ্ছা জাগবে, তখনই তা (ফল) নুয়ে এত নিকটে হয়ে যাবে যে, তারা বসে বসে অথবা শুয়ে শুয়ে তা নিয়ে খেতে পারবে। (ইবনে কাসীর)