مُّتَّكِـِٔينَ فِيهَا عَلَى ٱلۡأَرَآئِكِۖ لَا يَرَوۡنَ فِيهَا شَمۡسٗا وَلَا زَمۡهَرِيرٗا

মুত্তাকিঈনা ফীহা- ‘আলাল আরইকি লা- ইয়ারওনা ফীহা- শামছাওঁ ওয়ালাঝামহারীর- ।উচ্চারণ

তারা সেখানে উঁচু আসনের ওপরে হেলান দিয়ে বসবে। সেখানে রোদের উত্তাপ কিংবা শীতের তীব্রতা তাদের কষ্ট দেবে না। তাফহীমুল কুরআন

তারা তাতে (জান্নাতে) আরামদায়ক উচ্চ আসনে হেলান দিয়ে বসে থাকবে, যেখানে তারা কোন রোদ-তাপ বোধ করবে না এবং অতিশয় শীতও না।মুফতী তাকী উসমানী

সেখানে তারা সমাসীন হবে সুসজ্জিত আসনে, তারা সেখানে অতিশয় গরম ও অতিশয় শীত অনুভব করবেনা।মুজিবুর রহমান

তারা সেখানে সিংহাসনে হেলান দিয়ে বসবে। সেখানে রৌদ্র ও শৈত্য অনুভব করবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

সেখানে তারা সমাসীন হবে সুসজ্জিত আসনে, তারা সেখানে অতিশয় গরম বা অতিশয় শীত বোধ করবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তারা সেখানে সুউচ্চ আসনে হেলান দিয়ে আসীন থাকবে। তারা সেখানে না দেখবে অতিশয় গরম, আর না অত্যধিক শীত।আল-বায়ান

সেখানে তারা উচ্চ আসনগুলোতে হেলান দিয়ে বসবে, সেখানে তারা দেখবে না অতি গরম, আর অতি শীত।তাইসিরুল

তারা সেখানে সমাসীন থাকবে রাজকীয় আসনে, তারা সেখানে দেখতে পাবে না সূর্যোত্তাপ, না কোনো কনকনে ঠান্ডা,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১৩. সেখানে তারা হেলান দিয়ে আসীন থাকবে সুসজ্জিত আসনে, তারা সেখানে খুব গরম অথবা খুব শীত দেখবে না।(১)

(১) কারণ খুব গরম ও খুব শীত তো জাহান্নাম থেকে নিৰ্গত হয়। জান্নাতবাসীরা সেটা কোনক্রমেই পাবে না। হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “জাহান্নাম তার রবের কাছে অভিযোগ করল যে, হে রব! আমার একাংশ (গরম অংশ) অপর অংশ (ঠাণ্ডা অংশ)কে শেষ করে দিল। তখন তাকে দুটি নিঃশ্বাস ফেলার অনুমতি দেয়া হলো। একটি শীতকালে অপরটি গ্ৰীষ্মকালে। সেটাই তা তোমরা কঠিন গরম আকারে গ্ৰীষ্মকালে পাও এবং কঠিন শীত আকারে শীতকালে অনুভব করা।” (বুখারী: ৩২৬০, মুসলিম: ৬১৭)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৩) সেখানে তারা সুসজ্জিত আসনে হেলান দিয়ে বসবে, তারা সেখানে রৌদ্রতাপ অথবা অতিশয় শীত বোধ করবে না। (1)

(1) زَمْهَرِيْرٌ কঠিন শীতকে বলা হয়। অর্থাৎ, সেখানে সর্বদা একই রকম আবহাওয়া থাকবে। আর সেটা হবে বসন্তকাল; না গরম, আর না ঠান্ডা।