বাল ইউরীদুকুল্লুম রিইম মিনহুম আইঁ ইউ’তা- সুহুফাম মুনাশশারহ।উচ্চারণ
বরং তারা প্রত্যেকে চায় যে, তার নামে খোলা চিঠি পাঠানো হোক। ৩৮ তাফহীমুল কুরআন
বরং তাদের প্রত্যেকেই কামনা করে যে, তাকে উন্মুক্ত এক গ্রন্থ দেওয়া হোক #%২১%#মুফতী তাকী উসমানী
বস্তুতঃ তাদের প্রত্যেকেই কামনা করে যে, তাকে একটি উম্মুক্ত গ্রন্থ দেয়া হোক।মুজিবুর রহমান
বরং তাদের প্রত্যেকেই চায় তাদের প্রত্যেককে একটি উম্মুক্ত গ্রন্থ দেয়া হোক।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বস্তুত এদের প্রত্যেকেই কামনা করে যে, তাকে একটি উন্মুক্ত গ্রন্থ দেওয়া হোক। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বরং তাদের মধ্যকার প্রত্যেক ব্যক্তিই কামনা করে যে তাকে উন্মুক্ত গ্রন্থ প্রদান করা হোক।আল-বায়ান
বস্তুতঃ তাদের প্রত্যেকেই চায়, তাকে (আল্লাহর পক্ষ থেকে) খোলা চিঠি দেয়া হোক (এই মর্মে যে, তোমরা এই নবীকে মেনে নাও)।তাইসিরুল
বস্তুত তাদের মধ্যের প্রত্যেকটি লোকই চায় যে তাকে যেন দেওয়া হয় খোলামেলা কাগজের তাড়া।মাওলানা জহুরুল হক
৩৮
অর্থাৎ তারা চায় যে, আল্লাহ তা’আলা যদি সত্যি সত্যিই মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নবী হিসেবে পাঠিয়ে থাকেন তাহলে তিনি মক্কার প্রত্যেক নেতা ও সমাজপতিদের কাছে যেন একখানা করে পত্র লিখে পাঠান যে, মুহাম্মাদ ﷺ সত্যিই আমার নবী, তোমরা তাঁর আনুগত্য করো। পত্রখানা এমন হবে যেন তা দেখে তারা দৃঢ় বিশ্বাস পোষণ করে যে, আল্লাহই এ পত্র লিখে পাঠিয়েছেন। কুরআন মজীদের অন্য এক জায়গায় মক্কার কাফেরদের এ উক্তিরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, “আল্লাহর রসূলদের যা দেয়া হয়েছে যতক্ষণ পর্যন্ত তা আমাদের দেয়া না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা মেনে নেব না।” (আল আন’আম ২৪) অন্য এক জায়গায় তাদের এ দাবীও উদ্ধৃত করা হয়েছে যে, “আপনি আমাদের চোখের সামনে আসমানে উঠে যান এবং সেখান থেকে লিখিত কিতাব নিয়ে আসেন, আমরা তা পড়ে দেখবো।” (বনী ইসরাঈল, ৯৩)
একদল কাফেরের কথা ছিল, কুরআন মাজীদ কেবল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপরই কেন নাযিল হবে? আল্লাহ তাআলা যদি হেদায়েতের জন্য কিতাব পাঠাতেই চান, তবে আমাদের প্রত্যেককে আলাদা আলাদা কিতাব দিচ্ছেন না কেন?
৫২. বরং তাদের মধ্যকার প্রত্যেকেই কামনা করে যে, তাকে একটি উন্মুক্ত গ্ৰন্থ দেয়া হোক।(১)
(১) অর্থাৎ তারা চায় যে, আল্লাহ তা'আলা যদি সত্যি সত্যিই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নবী হিসেবে পাঠিয়ে থাকেন তাহলে তিনি মক্কার প্রত্যেক নেতা ও সমাজপতিদের কাছে যেন একখানা করে পত্র লিখে পাঠান যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সত্যিই আমার নবী, তোমরা তাঁর আনুগত্য করো। (ফাতহুল কাদীর) কুরআন মজীদের অন্য এক জায়গায় মক্কার কাফেরদের এ উক্তিরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, “আল্লাহর রাসূলদের যা দেয়া হয়েছে যতক্ষণ পর্যন্ত তা আমাদের দেয়া না হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা মেনে নেব না।” (সূরা আল-আন’আম: ২৪) অন্য এক জায়গায় তাদের এ দাবীও উদ্ধৃত করা হয়েছে যে, “আপনি আমাদের চোখের সামনে আসমানে উঠে যান এবং সেখান থেকে লিখিত কিতাব নিয়ে আসেন, আমরা তা পড়ে দেখবো।” (সূরা আল-ইসরা: ৯৩)
(৫২) বস্তুতঃ তাদের প্রত্যেকেই কামনা করে যে, তাকে একটি উন্মুক্ত গ্রন্থ দেওয়া হোক। (1)
(1) অর্থাৎ, প্রত্যেকের হাতে আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি করে উন্মুক্ত কিতাব অবতীর্ণ হোক, যাতে লেখা থাকবে যে, মুহাম্মাদ (সাঃ) আল্লাহর রসূল। কেউ কেউ এর অর্থ করেছেন, আমল না করেই এরা আযাব হতে পরিত্রাণ পেতে চায়। অর্থাৎ, তাদের প্রত্যেককে পরিত্রাণের সার্টিফিকেট দেওয়া হোক। (ইবনে কাসীর)