ওয়া লাম নাকুনুত‘ইমুল মিছকীন।উচ্চারণ
অভাবীদের খাবার দিতাম না। ৩৪ তাফহীমুল কুরআন
আমরা মিসকীনদেরকে খাবার দিতাম না।মুফতী তাকী উসমানী
আমরা অভাবগ্রস্তকে আহার্য দান করতামনা।মুজিবুর রহমান
অভাবগ্রস্তকে আহার্য্য দিতাম না,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘আমরা অভাবগ্রস্তকে আহার্য দান করতাম না, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
‘আর আমরা অভাবগ্রস্তকে খাদ্য দান করতাম না’।আল-বায়ান
আর মিসকীনদেরকে খাবার খাওয়াতাম না,তাইসিরুল
"আর আমরা অভাবগ্রস্তদের খাবার দিতে চাইতাম না;মাওলানা জহুরুল হক
৩৪
এ থেকে জানা যায় কোন মানুষকে ক্ষুধার্ত দেখার পর সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও খাবার না দেয়া ইসলামের দৃষ্টিতে কত বড় গোনাহ যে, মানুষের দোযখে যাওয়ার কারণসমূহের মধ্যে এটাকেও একটা কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
৪৪. আর আমরা অভাবগ্রস্থকে খাদ্য দান করতাম না(১),
(১) এ থেকে জানা যায় কোন অভাবী মানুষকে সামর্থ থাকা সত্বেও খাবার না দেয়া বা সাহায্য না করা মানুষের দোযখ যাওয়ার কারণসমূহের মধ্যে একটা কারণ। (দেখুন: ফাতহুল কাদীর, কুরতুবী)
(৪৪) আমরা অভাবগ্রস্তদেরকে অন্নদান করতাম না। (1)
(1) নামায হল আল্লাহর অধিকার এবং মিসকীনদেরকে খাবার দেওয়া হল বান্দাদের অধিকার। অর্থ দাঁড়াল, আমরা না আল্লাহর অধিকার আদায় করেছি, আর না বান্দাদের।