ক-লূলাম নাকুমিনাল মুসাল্লীন।উচ্চারণ
তারা বলবেঃ আমরা নামায পড়তাম না। ৩৩ তাফহীমুল কুরআন
তারা বলবে, আমরা নামাযীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম নামুফতী তাকী উসমানী
তারা বলবেঃ আমরা সালাত আদায় করতামনা –মুজিবুর রহমান
তারা বলবেঃ আমরা নামায পড়তাম না,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরা বলবে, ‘আমরা মুসল্লীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তারা বলবে, ‘আমরা সালাত আদায়কারীদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না’।আল-বায়ান
তারা বলবে, ‘আমরা নামায আদায়কারী লোকেদের মধ্যে শামিল ছিলাম না,তাইসিরুল
তারা বলবে -- "আমরা নামাযীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না,মাওলানা জহুরুল হক
৩৩
এর অর্থ হলো, যেসব মানুষ আল্লাহ, তাঁর রসূল এবং তাঁর কিতাবকে মেনে নিয়ে মানুষের কাছে আল্লাহর প্রাথমিক হক অর্থাৎ নামায ঠিকমত আদায় করেছে আমরা তাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না। এক্ষেত্রে একথাটি খুব ভাল করে বুঝে নেয়া দরকার যে, কোন ব্যক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত নামায পড়তেই পারে না যতক্ষণ না সে ঈমান আনে। তাই নামাযী হওয়ার অনিবার্য অর্থ হচ্ছে ঈমানাদার হওয়া। কিন্তু নামাযী না হওয়াকে দোযখে যাওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করার মাধ্যমে স্পষ্ট করে একথাই বলা হয়েছে যে, কোন ব্যক্তি নামায না পড়লে ঈমানদার হওয়া সত্ত্বেও সে দোখয থেকে বাঁচতে পারবে না।
৪৩. তারা বলবে, আমরা সালাত আদায়কারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না(১),
(১) এর অর্থ হলো, যেসব মানুষ আল্লাহর প্রতি ঈমান এনে সালাত ঠিকমত আদায় করেছে আমরা তাদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না। (কুরতুবী)
(৪৩) তারা বলবে, ‘আমরা নামাযীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না।