نَذِيرٗا لِّلۡبَشَرِ

নাযীরল লিলবাশার।উচ্চারণ

মানুষের জন্য ভীতিকর। তাফহীমুল কুরআন

যা সমস্ত মানুষকে সতর্ক করছে। #%১৬%#মুফতী তাকী উসমানী

মানুষের জন্য সতর্ককারী।মুজিবুর রহমান

মানুষের জন্যে সতর্ককারী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

মানুষের জন্যে সতর্ককারী- ইসলামিক ফাউন্ডেশন

মানুষের জন্য সতর্ককারীস্বরূপ।আল-বায়ান

মানুষের জন্য সতর্ককারী,তাইসিরুল

মানুষের জন্য সতর্কীকরণরূপে,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ জাহান্নাম একটি মহা মুসিবত এবং তার আলোচনা সেই সব বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত, যা মানুষকে গাফলতি ছেড়ে সচেতন হয়ে ওঠার আহ্বান জানায়। একথা বলার আগে আল্লাহ তাআলা চাঁদের শপথ করে নিয়েছেন। এর তাৎপর্য এই যে, চাঁদ প্রথমে পর্যায়ক্রমে বাড়তে থাকে, তারপর আবার একইভাবে কমতে থাকে। এভাবে মাসের মাঝখানে তা ষোলকলায় পূর্ণ হয় এবং মাসের শেষে সম্পূর্ণরূপে লুপ্ত হয়ে যায়। মানুষের অবস্থাও ঠিক তাই। প্রথম দিকে তার শক্তি ক্রমশ বাড়তে থাকে। যৌবনে পূর্ণতা লাভ করে, তারপর তার ক্রমক্ষয় ঘটে। পরিশেষে এক সময় তার বিনাশ ও মৃত্যু ঘটে। দুনিয়ার সব জিনিসেরই এই একই হাল। তারপর আল্লাহ তাআলা শপথ করেছেন সেই সময়ের, যখন রাত অপসৃত হতে শুরু করে এবং ক্রমে ভোরের আলো বিকশিত হয়ে এক সময় গোটা প্রকৃতি আলোকিত হয়ে ওঠে। ইশারা করা হয়েছে যে, এখন তো কাফেরদের সামনে গাফলতির অন্ধকার বিরাজ করছে। একদিন এমন আসবে, যখন এ অন্ধকার দূর হয়ে যাবে এবং সত্য তার পূর্ণ দ্যুতিসহ প্রকাশ লাভ করবে। আর সে দ্যুতিতে পরিবেশ- পরিস্থিতি সব আলোকৌজ্জ্বল হয়ে ওঠবে। অথবা ইশারা করা হয়েছে, দুনিয়ায় থাকা অবস্থায় অনেক কিছুই মানুষের চোখের আড়াল থাকে। কিয়ামতের দিন তা পরিপূর্ণরূপে তার সামনে পরিষ্কার হয়ে যাবে।

তাফসীরে জাকারিয়া

৩৬. মানুষের জন্য সতর্ককারীস্বরূপ-

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৩৬) মানুষের জন্য সতর্ককারী। (1)

(1) অর্থাৎ, এই জাহান্নাম সতর্ককারী। অথবা এই সতর্ককারী হলেন নবী (সাঃ) অথবা কুরআন মাজীদ। কেননা, কুরআন মাজীদও তার বর্ণিত অঙ্গীকার ও ধমকের মাধ্যমে মানুষের জন্য সতর্ককারী ও ভীতিপ্রদর্শনকারী।