وَجَعَلۡتُ لَهُۥ مَالٗا مَّمۡدُودٗا

ওয়া জা‘আলতুলাহূমা-লাম মামদূদা- ।উচ্চারণ

তাকে অঢেল সম্পদ দিয়েছি তাফহীমুল কুরআন

আমি তাকে দিয়েছি দূর-দূরান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত ধন-সম্পদমুফতী তাকী উসমানী

আমি তাকে দিয়েছি বিপুল ধন সম্পদ।মুজিবুর রহমান

আমি তাকে বিপুল ধন-সম্পদ দিয়েছি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

আমি তাকে দিয়েছি বিপুল ধন-সম্পদ ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর আমি তাকে দিয়েছি অঢেল সম্পদ,আল-বায়ান

আর তাকে (ওয়ালীদ বিন মুগীরাহকে) দিয়েছি অঢেল ধন-সম্পদ,তাইসিরুল

আর তার জন্য আমি বিপুল ধনসম্পদ দিয়েছিলাম,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১২. আর আমি তাকে দিয়েছি বিপুল ধন-সম্পদ(১),

(১) কেয়ামত দিবস সকল কাফেরের জন্যেই কঠিন হবে-একথা বর্ণনা করার পর জনৈক দুষ্টমতি কাফেরের অবস্থা ও তার কঠোর শাস্তি বর্ণিত হয়েছে। কোন কোন বর্ণনায় এসেছে যে, তার নাম ওলীদ ইবনে মুগীরা। তার দশ বারটি পুত্ৰ সন্তান ছিল। তাদের মধ্যে খালেদ ইবনে ওয়ালীদ ইতিহাসে অনেক বেশী প্রসিদ্ধি লাভ করেছিলেন। আল্লাহ তা'আলা তাকে ধনৈশ্বর্য ও সন্তান-সন্তুতির প্রাচুর্য দান করেছিলেন। (ইবন কাসীর) ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমার ভাষায়, তার ফসলের ক্ষেত ও বাগ-বাগিচা মক্কা থেকে তায়েফ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এমনকি তার ক্ষেতের ফসল ও বাগানের আমদানী সারা বছর তথা শীত ও গ্ৰীষ্ম সব ঋতুতে অব্যাহত থাকত। তাকে আরবের সরদার গণ্য করা হত। জনসাধারণের মধ্যে তার বিশেষ বিশেষ উপাধি ছিল। সে গর্ব ও অহংকারবশতঃ নিজেকে ওহীদ ইবনুল-ওহীদ অর্থাৎ এককের পুত্র একক বলত। তার দাবী ছিল এই যে, সম্প্রদায়ের মধ্যে সেও তার পিতা মুগীরা অদ্বিতীয়। (কুরতুবী, বাগভী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১২) আমি তাকে দিয়েছি বিপুল ধন-সম্পদ।