مِّمَّا خَطِيٓـَٰٔتِهِمۡ أُغۡرِقُواْ فَأُدۡخِلُواْ نَارٗا فَلَمۡ يَجِدُواْ لَهُم مِّن دُونِ ٱللَّهِ أَنصَارٗا

মিম্মা খাতীআতিহিম উগরিকুফাউদখিলূনা-রন ফালাম ইয়াজিদূলাহুম মিন দূ নিল্লা- হি আনসা-র- ।উচ্চারণ

নিজেদের অপরাধের কারণেই তাদের নিমজ্জিত করা হয়েছিল তারপর আগুনের মধ্যে নিক্ষেপ করা হয়েছিল। ১৯ অতঃপর তারা আল্লাহর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কোন সাহায্যকারী পায়নি। ২০ তাফহীমুল কুরআন

তাদের গুনাহের কারণেই তাদেরকে নিমজ্জিত করা হয়েছিল #%১০%#, তারপর তাদেরকে দাখিল করা হয়েছে আগুনে #%১১%# আর আল্লাহ ছাড়া তারা অন্য কোন সাহায্যকারী পায়নি। #%১২%#মুফতী তাকী উসমানী

তাদের অপরাধের জন্য তাদেরকে নিমজ্জিত করা হয়েছিল এবং পরে তাদেরকে দাখিল করা হয়েছিল আগুনে, অতঃপর তারা কেহকেও আল্লাহর মুকাবিলায় পায়নি সাহায্যকারী।মুজিবুর রহমান

তাদের গোনাহসমূহের দরুন তাদেরকে নিমজ্জিত করা হয়েছে, অতঃপর দাখিল করা হয়েছে জাহান্নামে। অতঃপর তারা আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত কাউকে সাহায্যকারী পায়নি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এদের অপরাধের জন্যে এদেরকে নিমজ্জিত করা হয়েছিল এবং পরে এদেরকে দাখিল করা হয়েছিল দোযখে, এরপর এরা কাউকেও আল্লাহ্ র মুকাবিলায় পায় নাই সাহায্যকারী। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তাদের পাপের কারণে তাদেরকে ডুবিয়ে দেয়া হল অতঃপর আগুনে প্রবেশ করানো হল; তারা নিজদের সাহায্যকারী হিসেবে আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে পায়নি।আল-বায়ান

পাপের কারণে তাদেরকে ডুবিয়ে দেয়া হয়েছে, পরে তাদেরকে দাখিল করা হয়েছে আগুনে, অত:পর তারা আল্লাহকে ছাড়া কাউকে সাহায্যকারী পায়নি।তাইসিরুল

তাদের অপরাধের জন্য তাদের ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ফলে তাদের ঢোকানো হয়েছিল আগুনে। সুতরাং তারা আল্লাহ্‌কে বাদ দিয়ে তাদের জন্য কোনো সাহায্যকারী পায় নি।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৯

অর্থাৎ নিমজ্জিত হওয়াতেই তাদের ব্যাপারটি চূড়ান্তভাবে শেষ হয়ে যায়নি। বরং ধ্বংস হওয়ার পরপরই তাদের রূহসমূহকে আগুনের কঠিন শাস্তির মধ্যে নিক্ষেপ করা হয়েছে। এ আচরণের সাথে ফেরাউন ও তার জাতির সাথে কৃত আচরণের হুবহু মিল রয়েছে। এ বিষয়টিই সূরা আল মু’মিনের ৪৫ ও ৪৬ আয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে। (ব্যাখ্যার জন্য দেখুন তাফহীমুল কুরআন, সূরা আল মু’মিন, টীকা-৬৩) যেসব আয়াত দ্বারা মৃত্যুর পরবর্তী জীবনের আযাব বা কবরের আযাব প্রমাণিত হয় এ আয়াতটি তারই একটি।

২০

অর্থাৎ তারা যেসব দেব-দেবীকে সাহায্যকারী মনে করতো, সেসব দেব-দেবীর কেউ-ই তাদের রক্ষা করতে আসেনি। এটা যেন মক্কাবাসীদের জন্য এ মর্মে সতর্কবাণী যে, তোমরাও যদি আল্লাহর আযাবে পাকড়াও হও তাহলে যেসব দেব-দেবীর ওপর তোমরা ভরসা করে আছো তারা তোমাদের কোন কাজেই আসবে না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

مما এর মূল রূপ من ما ; ’ما‘ অব্যয়টি অতিরিক্ত। কথায় জোর সৃষ্টির জন্য এটি ব্যবহৃত। ’من‘ অব্যয়টিকে শুরুতে আনার উদ্দেশ্য জোর সৃষ্টি। বোঝানো হয়েছে, তাদের নিমজ্জিত করা হয়েছে তাদের কুফর ও পাপাচারেরই কারণে। এর অন্য কোনো কারণ নেই। -অনুবাদক

তাফসীরে জাকারিয়া

২৫. তাদের অপরাধের জন্য তাদেরকে নিমজ্জিত করা হয়েছিল এবং পরে তাদেরকে প্রবেশ করানো হয়েছিল আগুনে, অতঃপর তারা আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকেও সাহায্যকারী পায়নি।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৫) তাদের অপরাধের জন্য তাদেরকে (বন্যায়) ডুবানো হয়েছিল(1) এবং পরে তাদেরকে প্রবেশ করানো হয়েছিল আগুনে, অতঃপর তারা কাউকেও আল্লাহর মুকাবিলায় সাহায্যকারী পায়নি।

(1) مما ‘মিম্মা’ তে مَا ‘মা’ শব্দটি অতিরিক্ত। مِنْ خَطِيْئَاتِهِمْ أَيْ: مِنْ أَجْلِهَا وَبِسَبَبِهَا أُغْرِقُوا بِالطُّوْفَانِ (فتح القدير)