وَجَمَعَ فَأَوۡعَىٰٓ

ওয়া জামা‘আ ফাআও‘আ- ।উচ্চারণ

আর সম্পদ জমা করে ডিমে তা দেয়ার মত করে আগলে রেখেছিল ১২ তাফহীমুল কুরআন

এবং (অর্থ-সম্পদ) সঞ্চয় করেছে অতঃপর তা সযত্নে সংরক্ষণ করেছে। মুফতী তাকী উসমানী

যে সম্পদ পুঞ্জীভুত এবং সংরক্ষিত করে রাখছিল।মুজিবুর রহমান

সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছিল, অতঃপর আগলিয়ে রেখেছিল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যে সম্পদ পুঞ্জীভ‚ত এবং সংরক্ষিত করে রেখেছিল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর সম্পদ জমা করেছিল, অতঃপর তা সংরক্ষণ করে রেখেছিল।আল-বায়ান

সে মালধন জমা করত, অতঃপর তা আগলে রাখত,তাইসিরুল

আর জমা করেছিল এবং আটকে রেখেছিল।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১২

এ স্থানে ও আখেরাতের মানুষের মন্দ পরিণামের দু’টি কারণ বলা হয়েছে যা সূরা আল হাক্কার ৩৩ও ৩৪ আয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে। একটি হলো হক থেকে ফিরে যাওয়া এবং ঈমান আনয়নের অস্বীকৃতি। অপরটি হলো দুনিয়া পূজা ও কৃপণতা। এ কারণেই মানুষ সম্পদ জমা করে এবং কোন কল্যাণকর কাজের জন্য তা খরচ করে না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা অর্থ-সম্পদে অন্যদের যে হক ধার্য করেছেন তা আদায় না করে কেবল সঞ্চয়েরই ধান্ধায় থাকত।

তাফসীরে জাকারিয়া

১৮. আর যে সম্পদ পুঞ্জীভূত করেছিল অতঃপর সংরক্ষিত করে রেখেছিল।(১)

(১) এই অগ্নি নিজে সেই ব্যক্তিকে ডাকবে যে সত্যের প্রতি পৃষ্ঠপ্ৰদৰ্শন করে অস্বীকার করে; তা কাজে পরিণত করা থেকে বিরত থাকে এবং ধন-সম্পদ সংগ্রহ করে তা পুঞ্জীভূত করে আগলিয়ে রাখে। পুঞ্জীভূত করার এবং আগলিয়ে রাখার অর্থ ফরয ও ওয়াজিব হক আদায় না করা। (ইবন কাসীর)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৮) সে সম্পদ পুঞ্জীভূত এবং সংরক্ষিত করে রেখেছিল। (1)

(1) অর্থাৎ, যে ব্যক্তি দুনিয়াতে সত্য থেকে পিঠ ফিরিয়ে ও মুখ ঘুরিয়ে নিত এবং মাল-ধন জমা করে ধনাগারে সুরক্ষিত করে রাখত, তা আল্লাহর পথে না ব্যয় করত এবং না তার যাকাত আদায় করত। আল্লাহ তাআলা জাহান্নামকে বাকশক্তি দান করবেন। ফলে জাহান্নাম খোদ নিজ জবান দ্বারা এমন লোকদেরকে আহবান করবে যাদের জন্য নিজেদের কৃতকর্মের ফলে জাহান্নাম ওয়াজিব হয়ে গেছে। কেউ কেউ বলেন, আহবানকারী তো ফিরিশতাগণ হবেন, এটাকে জাহান্নামের দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে। কেউ কেউ বলেন, কেউ-ই আহবান করবে না, বরং শুধুমাত্র উদাহরণস্বরূপ এইরূপ বলা হয়েছে। মোট কথা হল যে, উল্লিখিত লোকদের ঠিকানা জাহান্নাম হবে।