ফামা-মিনকুম মিন আহাদিন ‘আনহু হা-জিঝীন।উচ্চারণ
তোমাদের কেউ-ই (আমাকে) এ কাজ থেকে বিরত রাখতে পারতো না। ২৫ তাফহীমুল কুরআন
তখন তোমাদের কেউ তাকে রক্ষা করার জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারত না। #%১১%#মুফতী তাকী উসমানী
অতঃপর তোমাদের মধ্যে এমন কেহ নেই যে, তাকে রক্ষা করতে পারবে।মুজিবুর রহমান
তোমাদের কেউ তাকে রক্ষা করতে পারতে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এরপর তোমাদের মধ্যে এমন কেউই নেই, যে তাকে রক্ষা করতে পারে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেউই তাকে রক্ষা করার থাকত না।আল-বায়ান
অতঃপর তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে, (আমার গোস্বা থেকে তাকে রক্ষা করার জন্য) বাধা সৃষ্টি করতে পারে।তাইসিরুল
তখন তোমাদের মধ্যের কেউই ওর থেকে নিবৃত্ত করতে পারতে না।মাওলানা জহুরুল হক
২৫
নিজের পক্ষ থেকে অহীর মধ্যে কম বেশী করার ইখতিয়ার নবীর নেই, নবী যদি এ কাজ করে তাহলে আমি তাকে কঠিন শাস্তি দেবো, একথাটি বলাই এ আয়াতের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু এথাটি বলতে যে বাচনভংগী গ্রহণ করা হয়েছে তাতে চোখের সামনে এমন একটি চিত্র ভেসে উঠে যে, বাদশাহর নিযুক্ত কর্মচারী বাদশাহের নামে জালিয়াতী করলে তিনি তাকে পাকড়াও করে তার গর্দান মেরে দেবেন। কিছু লোক এ আয়াত থেকে এ ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, কোন ব্যক্তি নবুওয়াতের দাবী করলে তৎক্ষণাৎ আল্লাহর তরফ থেকে যদি তার গর্দানের রগ কেটে দেয়া না হয় তাহলে এটা হবে তার নবী হওয়ার প্রমাণ। অথচ এ আয়াতে যা বলা হয়েছে তা সত্য নবী সম্পর্কে বলা হয়েছে। নবুওয়াতের মিথ্যা দাবীদার সম্পর্কে তা প্রযোজ্য নয়। মিথ্যা দাবীদার তো শুধু নবুওয়াতের দাবীই করে না, খোদায়ীর দাবী পর্যন্ত করে বসে এবং দীর্ঘদিন পর্যন্ত পৃথিবীতে বুক ফুলিয়ে চলে। এটা তাদের সত্য হওয়ার কোন প্রমাণ নয়। (আমি তাফহীমুল কোরআনের সূরা ইউনুসের ২৩ নং টীকায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।)
বলা হচ্ছে, কেউ যদি নবুওয়াতের মিথ্যা দাবি করতঃ নিজের থেকে কোনও বাণী রচনা করে এবং আল্লাহ তা‘আলার ওপর তা আরোপ করে বলে, এ বাণী তিনি অবতীর্ণ করেছেন, তবে আল্লাহ তা‘আলা দুনিয়াতেই তাকে লাঞ্ছিত করেন। ফলে তাকে কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হতে হয়। সুতরাং মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়াত যদি মিথ্যা হত (নাউযুবিল্লাহ) এবং তিনি নিজের থেকে কোনও বাণী রচনা করে আল্লাহ তাআলার নামে চালানোর চেষ্টা করতেন, তবে আল্লাহ তা‘আলা তার সংগে সেই আচরণই করতেন, যেমনটা আয়াতে বলা হয়েছে।
৪৭. অতঃপর তোমাদের মধ্যে এমন কেউই নেই, যে তাঁকে রক্ষা করতে পারে।
(৪৭) অতঃপর তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে তাকে রক্ষা করতে পারত। (1)
(1) এ থেকে জানা গেল যে, মুহাম্মাদ (সাঃ) সত্য রসূল ছিলেন। যেহেতু তাঁকে আল্লাহ শাস্তি দেননি। বরং বহু প্রমাণাদি, অলৌকিক ঘটনাবলী এবং বিশেষ সমর্থন ও সাহায্য দানে তাঁকে ধন্য করেছেন।