ইন্না- লাম্মা-তাগালমাউ হামালনা-কুম ফিল জা-রিয়াহ।উচ্চারণ
যে সময় পানির তুফান সীমা অতিক্রম করলো ৭ তখন আমি তোমাদেরকে জাহাজে সওয়ার করিয়েছিলাম ৮ তাফহীমুল কুরআন
যখন পানি নিয়ন্ত্রণহারা হয়ে গিয়েছিল, তখন আমি তোমাদেরকে আরোহণ করিয়েছিলাম নৌযানে, মুফতী তাকী উসমানী
যখন প্লাবন হয়েছিল তখন আমি তোমাদেরকে (মানব জাতিকে) আরোহণ করিয়েছিলাম নৌযানে।মুজিবুর রহমান
যখন জলোচ্ছ্বাস হয়েছিল, তখন আমি তোমাদেরকে চলন্ত নৌযানে আরোহণ করিয়েছিলাম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
যখন জলোচ্ছ¦াস হয়েছিল তখন আমি তোমাদের-কে আরোহণ করিয়েছিলাম নৌযানে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যখন জলোচ্ছ্বাস হল, অবশ্যই তখন আমি তোমাদেরকে নৌযানে আরোহণ করিয়েছি।আল-বায়ান
(নূহের বানের) পানি যখন কূল ছাপিয়ে সীমা ছাড়িয়ে গেল, তখন আমি তোমাদেরকে চলন্ত নৌযানে আরোহণ করালাম।তাইসিরুল
নিঃসন্দেহ যখন পানি ফেঁপে উঠেছিল, তখন আমরা তোমাদের বহন করেলিাম জাহাজের মধ্যে,মাওলানা জহুরুল হক
৭
নূহের সময়ের মহা প্লাবনের কথা বলা হয়েছে। এ মহা প্লাবনে গোটা একটি জাতিকে এ একই মহা অপরাধের কারণে ডুবিয়ে ধ্বংস করা হয়েছিল। শুধু তারাই বেঁচে ছিল যারা আল্লাহর রসূলের কথা মেনে নিয়েছিলো।
৮
যেসব লোককে জাহাজে উঠিয়ে নেয়া হয়েছিলো তারা হাজার হাজার বছর পর্বে অতিক্রান্ত হয়ে গিয়েছে। পরবর্তীকালের গোটা মানব গোষ্ঠী যেহেতু এ মহা প্লাবন থেকে রক্ষা পাওয়া লোকদের সন্তান-সন্তুতি, তাই বলা হয়েছেঃ আমি তোমাদেরকে জাহাজে উঠিয়ে নিয়েছিলাম। অর্থাৎ আজ তোমরা পৃথিবীতে এ কারণে বিচরণ করতে পারছো যে, মহান আল্লাহ ঐ মহা প্লাবন দ্বারা শুধু কাফেরদের ডুবিয়ে মেরেছিলেন এবং ঈমানদারদের তা থেকে রক্ষা করেছিলেন।
এর দ্বারা হযরত নূহ আলাইহিস সালামের কওমকে শাস্তি দেওয়ার জন্য যে মহা প্লাবন সৃষ্টি করা হয়েছিল তার পানি বোঝানো হয়েছে। হযরত নূহ আলাইহিস সালামের উপর যারা ঈমান এনেছিল তারা ছাড়া বাকি সকলে সেই পানিতে নিমজ্জিত হয়েছিল। যারা ঈমান এনেছিল আল্লাহ তাআলা তাদেরকে একটি নৌযানে চড়িয়ে হেফাজত করেছিলেন। বিস্তারিত ঘটনা দেখুন সূরা হুদ (১১ : ৩৬-৪৮)। [‘নিয়ন্ত্রণহারা হয়েছিল’ এর অর্থ, পানি ফিরিশতাদের নিয়ন্ত্রণ অগ্রাহ্য করে আল্লাহ তাআলার নির্দেশে উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠেছিল। অথবা এর অর্থ তা স্ফীত হয়ে উচ্চতার স্বাভাবিক সীমানা অতিক্রম করেছিল এবং সর্বোচ্চ পাহাড়েরও পনের হাত উপরে উঠে গিয়েছিল। -অনুবাদক]
১১. যখন জলোচ্ছাস হয়েছিল নিশ্চয় তখন আমরা তোমাদেরকে আরোহণ করিয়েছিলাম নৌযানে,
(১১) যখন পানি উথলে উঠেছিল,(1) তখন আমি তোমাদেরকে আরোহণ করিয়েছিলাম নৌযানে। (2)
(1) অর্থাৎ, পানি তার উচ্চতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। অর্থাৎ, পানি খুব বেড়ে গিয়েছিল।
(2) এখানে ‘তোমাদেরকে’ বলে কুরআন অবতীর্ণকালের লোকদেরকে সম্বোধন করা হয়েছে। অর্থ হল যে, তোমরা যে পূর্বপুরুষদের বংশধর, আমি তাদেরকে কিশ্তীতে সওয়ার করিয়ে মহাপ্লাবন থেকে বাঁচিয়েছি। الجَارِيَةِ (নৌযান) বলতে নূহ (আঃ)-এর কিশ্তীকে বুঝানো হয়েছে।