লাওলা আন তাদা-রকাহূনি‘মাতুম মিররব্বিহী লানুবিযা বিল‘আরইওযাহুওয়া মাযমূম।উচ্চারণ
তার রবের অনুগ্রহ যদি তার সহায়ক না হতো তাহলে সে অপমানিত হয়ে খোলা প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হতো। ৩৪ তাফহীমুল কুরআন
তাঁর প্রতিপালকের অনুগ্রহ যদি তাকে না আগলাত, তবে সে খোলা ময়দানে নিক্ষিপ্ত হত নিকৃষ্ট অবস্থায়। #%১৮%#মুফতী তাকী উসমানী
তার রবের অনুগ্রহ তার নিকট না পৌঁছলে সে লাঞ্ছিত হয়ে নিক্ষিপ্ত হত উন্মুক্ত প্রান্তরে।মুজিবুর রহমান
যদি তার পালনকর্তার অনুগ্রহ তাকে সামাল না দিত, তবে সে নিন্দিত অবস্থায় জনশুন্য প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তার প্রতিপালকের অনুগ্রহ তার নিকট না পৌঁছিলে সে লাঞ্ছিত হয়ে নিক্ষিপ্ত হত উন্মুক্ত প্রান্তরে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যদি তার রবের অনুগ্রহ তার কাছে না পৌঁছত, তাহলে সে নিন্দিত অবস্থায় উন্মুক্ত প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।আল-বায়ান
তার প্রতিপালকের অনুগ্রহ যদি তার কাছে না পৌঁছত, তাহলে সে লাঞ্ছিত অবস্থায় ধুঁধুঁ বালুকাময় তীরে নিক্ষিপ্ত হত।তাইসিরুল
যদি তাঁর প্রভুর কাছ থেকে অনুগ্রহ তাঁর কাছে না পৌঁছুত তাহলে তিনি অবশ্যই উন্মুক্ত প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হতেন, আর তিনি হতেন নিন্দিত।মাওলানা জহুরুল হক
৩৪
এ আয়াতটিকে সূরা সাফ্ফাতের ১৪২ থেকে ১৪৬ পর্যন্ত আয়াতগুলোর পাশাপাশি রেখে পড়লে দেখা যাবে যে, যে সময় হযরত ইউনুস মাছের পেটে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন তখন তিনি তিরষ্কারের পাত্র ছিলেন। কিন্তু যখন তিনি আল্লাহর তাসবীহ করলেন এবং নিজের অপরাধ স্বীকার করলেন তখন তাঁকে মাছের পেট থেকে বের করে অসুস্থ অবস্থায় এবং উন্মুক্ত ভূখণ্ডের ওপর নিক্ষেপ করা হলো। কিন্তু সে মুহূর্তে তিনি আর তিরষ্কারের পাত্র নন। মহান আল্লাহ তাঁর রহমতের সে জায়গায় একটি লতানো গাছ উৎপন্ন করে দিলেন, যাতে এ গাছের পাতা তাকে ছায়াদান করতে পারে এবং এর ফল খেয়ে তিনি ক্ষুধা ও পিপাসা নিবৃত করতে পারেন।
এর দ্বারা সেই মাঠকে বোঝানো হয়েছে, মাছ যেখানে হযরত ইউনুস আলাইহিস সালামকে উগরে ফেলে দিয়েছিল। বোঝানো হচ্ছে যে, তিনি যখন মাছের পেট থেকে বের হন তখন ভীষণ কমজোর হয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর জীবিত থাকাটাই কঠিন ছিল। কিন্তু আল্লাহ তাআলা নিজ অনুগ্রহে তাঁকে রক্ষা করেন এবং তিনি পুনরায় সুস্থ-সবল হয়ে ওঠেন।
৪৯. যদি তার রবের অনুগ্রহ তার কাছে না পৌছত তবে তিনি লাঞ্ছিত অবস্থায় নিক্ষিপ্ত হতেন উন্মুক্ত প্রান্তরে।
(৪৯) তার প্রতিপালকের অনুগ্রহ তার নিকট না পৌঁছলে, সে নিন্দিত হয়ে নিক্ষিপ্ত হত গাছ-পালাহীন সৈকতে। (1)
(1) অর্থাৎ, আল্লাহ তাআলা যদি অনুগ্রহপূর্বক তাকে তওবা ও মুনাজাতের তওফীক দান না করতেন এবং তার প্রার্থনা মঞ্জুর না করতেন, তাহলে তাকে সমুদ্র তীরে নিক্ষেপ করতেন না; যেখানে তার ছায়ার ও খোরাকের জন্য লতাবিশিষ্ট গাছ উৎপন্ন করে দিয়েছিলেন। বরং (তিমি মাছের পেটেই রেখে দিতেন অথবা) কোন গাছ-পালাহীন তীরে নিক্ষেপ করতেন এবং সে আল্লাহর নিকট নিন্দিতই থাকত। পক্ষান্তরে দু’আ মঞ্জুর হওয়ার পর সে প্রশংসিত বিবেচিত হল।