ক-লূছুবহা- না রব্বিনাইন্না-কুন্না- জা- লিমীন।উচ্চারণ
তখন তারা বলে উঠলোঃ আমাদের রব অতি পবিত্র। বাস্তবিকই আমরা গোনাহগার ছিলাম। তাফহীমুল কুরআন
তখন তারা বলল, আমরা আমাদের প্রতিপালকের তাসবীহ (তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা) করছি। নিশ্চয়ই আমরা জালেম ছিলাম।মুফতী তাকী উসমানী
তখন তারা বললঃ আমরা আমাদের রবের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি, আমরাতো ছিলাম সীমালংঘনকারী।মুজিবুর রহমান
তারা বললঃ আমরা আমাদের পালনকর্তার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, নিশ্চিতই আমরা সীমালংঘনকারী ছিলাম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তখন এরা বলল, ‘আমরা আমাদের প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি, আমরা তো সীমালংঘনকারী ছিলাম।’ ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তারা বলল, ‘আমরা আমাদের রবের পবিত্রতা ঘোষণা করছি। অবশ্যই আমরা যালিম ছিলাম’।আল-বায়ান
তারা বলল, ‘আমরা আমাদের প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি, আমরা সীমালঙ্ঘনকারীই ছিলাম।’তাইসিরুল
তারা বললে -- "আমাদের প্রভুর মহিমা ঘোষিত হোক, আমরা নিশ্চয় কিছুটা ফসল দান করতে অন্যায় করেছি।"মাওলানা জহুরুল হক
২৯. তারা বলল, আমরা আমাদের রবের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি, আমরা তো যালিম ছিলাম।
(২৯) তারা বলল, ‘আমরা আমাদের প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি, নিশ্চয় আমরা তো সীমালংঘনকারী ছিলাম।’(1)
(1) অর্থাৎ, এখন তারা বুঝতে পেরেছে যে, পিতা যে নিয়মে কাজ করেছেন তার বিপরীত পদক্ষেপ গ্রহণ করে আমরা বড়ই ভুল করেছি। যার শাস্তি আল্লাহ আমাদেরকে দিয়েছেন। এ থেকে এও বোঝা গেল যে, গোনাহ করার দৃঢ় সংকল্প করা ও তার প্রতি প্রাথমিক পদক্ষেপও গোনাহ করার মতই অপরাধ। এতে পাকড়াও হতে পারে। (যেমন হাদীসে এসেছে, দুই মুসলিম খুনাখুনি করলে খুনী ও নিহত ব্যক্তি উভয়েই দোযখে যাবে। কারণ নিহত ব্যক্তিরও তার সঙ্গীকে খুন করার দৃঢ় সংকল্প ছিল।) শুধুমাত্র সেই পাপ-ইচ্ছা ক্ষমার যোগ্য, যা মনের খেয়াল ও কল্পনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।