আন ক-না যা- মা-লিওঁ ওয়া বানীন।উচ্চারণ
কারণ সে সম্পদশালী ও অনেক সন্তানের পিতা ১০ তাফহীমুল কুরআন
এই কারণে যে, সে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে সমৃদ্ধ। মুফতী তাকী উসমানী
সে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে সমৃদ্ধশালী।মুজিবুর রহমান
এ কারণে যে, সে ধন-সম্পদ ও সন্তান সন্ততির অধিকারী।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এইজন্যে যে, সে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে সমৃদ্ধিশালী। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এ কারণে যে, সে ছিল ধন-সম্পদ ও সন্তান- সন্ততির অধিকারী।আল-বায়ান
কারণ সে সম্পদ আর (অনেক) সন্তানাদির অধিকারী।তাইসিরুল
এইজন্য যে সে ধনসম্পদের এবং সন্তানসন্ততির অধিকারী।মাওলানা জহুরুল হক
১০
এ আয়াতটির সম্পর্কে পূর্বোক্ত আয়াতগুলোর সাথেও হতে পারে এবং পরের আয়াতের সাথেও হতে পারে। পূর্বোক্ত আয়াতগুলোর সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অর্থ হবে, বিপুল অর্থ-সম্পদ এবং অনেক সন্তান আছে বলে এ ধরনের লোকের দাপট ও প্রভাব-প্রতিপত্তি মেনে নিয়ো না। পরবর্তী আয়াতের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অর্থ হবে, বিপুল অর্থ-সম্পদ ও অনেক সন্তান থাকার কারণে সে অহংকারী হয়েছে। তাকে আমার আয়াত শুনালে সে বলে এসব তো প্রাচীনকালের কিস্সা কাহিনী মাত্র।
অর্থাৎ সে অতি সম্পদশালী এবং তার বংশে লোকজনও অনেক বেশি, কেবল এ কারণেই এই শ্রেণীর লোকের কথায় পড়া উচিত নয়। আখলাক-চরিত্র ও ভদ্রতাই মানুষের আসল জিনিস। তা যাদের মধ্যে নেই, ধনে জনে তারা যত বড়ই হোক তাদের কথা ভ্রক্ষেপযোগ্য নয়।
১৪. এজন্যে যে, সে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে সমৃদ্ধশালী।
(১৪) (এ জন্য যে) সে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে সমৃদ্ধিশালী।(1)
(1) অর্থাৎ, উল্লিখিত মন্দ চরিত্রের শিকার সে এই জন্য হয় যে, আল্লাহ তাআলা তাকে ধন-সম্পদ এবং সন্তান-সন্ততির নিয়ামত দানে ধন্য করেছেন। অর্থাৎ, সে নিয়ামতের প্রতি কৃতজ্ঞ না হয়ে অকৃতজ্ঞ হয়। কেউ কেউ বলেন, এর সম্পর্ক হল, ولا تُطِعْ (আনুগত্য করো না) কথার সাথে। অর্থাৎ, যে ব্যক্তির মধ্যে এইসব মন্দ গুণ বিদ্যমান থাকে, তার কথা কেবল এই জন্য মেনে নেওয়া হয় যে, তার আছে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি।