وَلَا تُطِعۡ كُلَّ حَلَّافٖ مَّهِينٍ

ওয়ালা-তুতি‘ কুল্লা হাল্লাফিম মাহীন।উচ্চারণ

তুমি অবদমিত হয়ো না তার দ্বারা যে কথায় কথায় শপথ করে, যে মর্যাদাহীন, তাফহীমুল কুরআন

এবং অত্যধিক কসমকারী হীন ব্যক্তির কথায়ও চলো না, মুফতী তাকী উসমানী

এবং অনুসরণ করনা তার যে কথায় কথায় শপথ করে, যে লাঞ্ছিত –মুজিবুর রহমান

যে অধিক শপথ করে, যে লাঞ্ছিত, আপনি তার আনুগত্য করবেন না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এবং অনুসরণ কর না তার-যে কথায় কথায় শপথ করে, যে লাঞ্ছিত, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তুমি আনুগত্য করো না প্রত্যেক এমন ব্যক্তির যে অধিক কসমকারী, লাঞ্ছিত।আল-বায়ান

তুমি তার অনুসরণ কর না, যে বেশি বেশি কসম খায় আর যে (বার বার মিথ্যা কসম খাওয়ার কারণে মানুষের কাছে) লাঞ্ছিত।তাইসিরুল

আর আজ্ঞাপালন করো না প্রত্যেকটি হলফকারীর, লাঞ্ছিতজনের, --মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

মূল আয়াতে مَهِينٍ (মাহিনিন) শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে। এ শব্দটি নগণ্য, তুচ্ছ এবং নীচু লোকদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এটা কথায় কথায় শপথকারী ব্যক্তির চারিত্রিক বৈশিষ্ট। সে কথায় কথায় কসম খায়। কারণ সে নিজেই বুঝে যে লোকে তাকে মিথ্যাবাদী মনে করে। কসম না খাওয়া পর্যন্ত লোকে তাকে বিশ্বাস করবে না। তাই সে নিজের বিবেকের কাছে হীন এবং সমাজের কাছেও তার কোন মর্যাদা নেই।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

যে সকল কাফের মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিরুদ্ধাচরণে অগ্রণী ভূমিকা রাখছিল এবং যে-কোনও উপায়ে তাকে দীনের প্রচার কার্য হতে বিরত রাখার চেষ্টা করছিল, তাদের মধ্যে কয়েকজন আখলাক-চরিত্রের দিক থেকে অত্যন্ত নিম্ন পর্যায়ের ছিল। ১০ থেকে ১২নং পর্যন্ত আয়াতগুলিতে তাদের চারিত্রিক দোষগুলি উল্লেখ করা হয়েছে। কোন কোন মুফাসসিরের বর্ণনা অনুযায়ী তারা হল আখনাস ইবনে শারীক, আসওয়াদ ইবনে আবদে ইয়াগূছ বা ওয়ালীদ ইবনে মুগীরা।

তাফসীরে জাকারিয়া

১০. আর আপনি আনুগত্য করবেন না প্ৰত্যেক এমন ব্যক্তির যে অধিক শপথকারী, লাঞ্ছিত,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১০) এবং অনুসরণ করো না তার, যে কথায় কথায় শপথ করে, যে লাঞ্ছিত।