আলাম তার ইলাল্লাযীনা তাওয়াল্লাও কাওমান গাদিবাল্লা-হু ‘আলাইহিম মা-হুম মিনকুম ওয়ালা-মিনহুম ওয়া ইয়াহলিফূনা ‘আলাল কাযিবি ওয়া হুম ইয়া‘লামূন।উচ্চারণ
তুমি কি তাদের দেখনি যারা এমন এক গোষ্ঠীকে বন্ধু বানিয়ে নিয়েছে যারা আল্লাহর গযবে নিপতিত। ৩১ তারা তোমাদেরও নয়, তাদেরও নয়। ৩২ তারা জেনে ও বুঝে মিথ্যা বিষয়ে কসম করে। ৩৩ তাফহীমুল কুরআন
তুমি কি তাদেরকে দেখনি, যারা আল্লাহ যে সম্প্রদায়ের প্রতি ক্রুদ্ধ হয়েছেন তাদেরকে বন্ধু বানিয়ে নিয়েছে? তারা তাদের দলেরও নয় এবং তোমাদের দলেরও নয়। #%১১%# তারা জেনে শুনে মিথ্যা বিষয়ের উপর কসম করে।মুফতী তাকী উসমানী
তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করনি, যারা আল্লাহ যে সম্প্রদায়ের প্রতি রুষ্ট, তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে? তারা তোমাদের (মুসলিমদের) দলভুক্ত নয় এবং তাদেরও (ইয়াহুদদের) দলভুক্ত নয় এবং তারা জেনে মিথ্যা শপথ করে।মুজিবুর রহমান
আপনি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করেননি, যারা আল্লাহর গযবে নিপতিত সম্প্রদায়ের সাথে বন্ধুত্ব করে? তারা মুসলমানদের দলভুক্ত নয় এবং তাদেরও দলভূক্ত নয়। তারা জেনেশুনে মিথ্যা বিষয়ে শপথ করে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য কর নাই যারা, আল্লাহ্ যে সম্প্রদায়ের প্রতি রুষ্ট, তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে ? এরা তোমাদের দলভুক্ত নয়, তাদের দলভুক্তও নয় এবং এরা জেনে-শুনে মিথ্যা শপথ করে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তুমি কি তাদের লক্ষ্য করনি, যারা এমন এক কওমের সাথে বন্ধুত্ব করে যাদের উপর আল্লাহর গযব নিপতিত হয়েছে? তারা তোমাদের দলভুক্ত নয় এবং তোমরাও তাদের দলভুক্ত নও। আর তারা জেনে শুনেই মিথ্যার উপর কসম করে।আল-বায়ান
তুমি কি তাদেরকে দেখনি যারা সেই সম্প্রদায়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে যেই সম্প্রদায়ের প্রতি আল্লাহ রাগান্বিত? তারা না তোমাদের লোক, আর না তাদের লোক আর তারা জেনে শুনে মিথ্যে শপথ করে।তাইসিরুল
তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য কর নি যারা এমন এক জাতির সহিত বন্ধুত্ব পাতে যাদের উপরে আল্লাহ্ রুষ্ট হয়েছেন? তারা তোমাদের দলভুক্ত নয় আর তাদেরও অন্তর্ভুক্ত নয়। আর তারা জেনে-শুনেই মিথ্যা হলফ করে।মাওলানা জহুরুল হক
৩১
এখানে মদীনার ইহুদীদের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে, মুনাফিকরা এসব ইহুদীদেরকেই বন্ধু বানিয়ে রেখেছিল।
৩২
অর্থাৎ মুসলমান বা ইহুদী কারো সাথেই তাদের আন্তরিক সম্পর্ক ছিল না। নিজেদের স্বার্থের কারণেই তারা উভয়ের সাথে সম্পর্ক পাতিয়ে রেখেছিল।
৩৩
অর্থাৎ তারা এই বলে মিথ্যামিথ্যি কসম খায় যে, তারা ঈমান এনেছে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে তাদের নেতা ও পথ প্রদর্শনকারী হিসেবে মেনে নিয়েছে এবং ইসলাম ও ইসলামের অনুসারীদের প্রতি বিশ্বস্ত আছে।
ইশারা মুনাফেকদের প্রতি। তারা ইয়াহুদীদের সাথে বন্ধুত্বের গাঁটছড়া বেঁধে রেখেছিল এবং তারই ফলশ্রুতিতে সর্বদা মুমিনদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকত।
১৪. আপনি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করেননি যারা এমন এক সম্প্রদায়ের সাথে বন্ধুত্ব করে যাদের উপর আল্লাহ ক্ৰোধান্বিত হয়েছেন? তারা তোমাদের দলভুক্ত নয়। আর তোমরাও তাদের দলভুক্ত নও। আর তারা জেনে শুনে মিথ্যার উপর শপথ করে।
(১৪) তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করনি, যারা সেই সম্প্রদায়ের সাথে বন্ধুত্ব করে, যাদের প্রতি আল্লাহ রাগান্বিতত?(1) তারা (মুনাফিকগণ) তোমাদের দলভুক্ত নয়, তাদেরও দলভুক্ত নয়।(2) আর তারা জেনে-শুনে মিথ্যা শপথ করে।(3)
(1) ‘যাদের প্রতি আল্লাহ রাগান্বিত’ কুরআনের স্পষ্ট উক্তি মুতাবেক তারা হল ইয়াহুদী। আর তাদের সাথে যারা বন্ধুত্ব করেছিল, তারা ছিল মুনাফিক। এই আয়াতগুলি সেই সময় নাযিল হয়, যখন মদীনাতে মুনাফিকদেরও বড় দাপট ছিল এবং ইয়াহুীদের ষড়যন্ত্রও বহু শীর্ষে উঠেছিল। আর তখনও তাদেরকে (মদীনা থেকে) বহিষ্কার করা হয়নি।
(2) অর্থাৎ, মুনাফিকবরা না মুসলিম ছিল, আর না ধর্মের দিক দিয়ে তারা ইয়াহুদী ছিল। তা সত্ত্বেও তারা ইয়াহুদীদের সাথে বন্ধুত্ব কেন করত? শুধু এই কারণে যে, তারা নবী করীম (সাঃ) এবং ইসলামের সাথে শত্রুতা করার ব্যাপারে ইয়াহুদীদের সমানভাবে শরীক ছিল।
(3) অর্থাৎ, কসম খেয়ে মুসলিমদেরকে বুঝাতে চেষ্টা করে যে, আমরাও তোমাদের মত মুসলিম। অথবা (বুঝাতে চায় যে,) ইয়াহুদীদের সাথে তাদের কোন সম্পর্ক নেই।