فِي كِتَٰبٖ مَّكۡنُونٖ

ফী কিতা-বিম মাকনূন।উচ্চারণ

একখানা সুরক্ষিত গ্রন্থে লিপিবদ্ধ। ৩৮ তাফহীমুল কুরআন

যা এক সুরক্ষিত কিতাবে (পূর্ব থেকেই) লিপিবদ্ধ আছে।মুফতী তাকী উসমানী

যা আছে সুরক্ষিত কিতাবে,মুজিবুর রহমান

যা আছে এক গোপন কিতাবে,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যা আছে সুরক্ষিত কিতাবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যা আছে সুরক্ষিত কিতাবে,আল-বায়ান

(যা লিখিত আছে) সুরক্ষিত কিতাবে,তাইসিরুল

এক সুরক্ষিত গ্রন্থে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৩৮

এর অর্থ ‘লওহে মাহফুজ’। এটি বুঝাতে كِتَابٍ مَكْنُونٍ শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এর অর্থ এমন লিখিত বস্তু যা গোপন করে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ যা কারো ধরা ছোঁয়ার বাইরে। সুরক্ষিত ঐ লিপিতে কুরআন মজীদ লিখিত হওয়ার অর্থ হচ্ছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপরে কুরআন নাযিল হওয়ার পূর্বে আল্লাহ তা’আলার কাছে তা সেই ভাগ্যলিপিতে লিপিবদ্ধ হয়ে গিয়েছে যাতে কোন রকম পরিবর্তন পরিবর্ধন সম্ভব নয়। কারণ, তা যেকোন সৃষ্টির ধরা ছোঁয়ার ঊর্ধ্বে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৭৮. যা আছে সুরক্ষিত কিতাবে।(১)

(১) অর্থাৎ সুরক্ষিত বা গোপন কিতাব। একথা বলে এখানে লাওহে-মাহফুয বোঝানো হয়েছে। এর অর্থ এমন লিখিত বস্তু যা গোপন করে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ যা কারো ধরা ছোয়ার বাইরে। (কুরতুবী)

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৭৮) যা আছে সুরক্ষিত কিতাবে।(1)

(1) অর্থাৎ, ‘লওহে মাহফূয’এ।