وَأَقِيمُواْ ٱلۡوَزۡنَ بِٱلۡقِسۡطِ وَلَا تُخۡسِرُواْ ٱلۡمِيزَانَ

ওয়া আকীমুল ওয়াঝনা বিলকিছতিওয়ালা-তুখছিরুল মীঝা-ন।উচ্চারণ

ইনসাফের সাথে সঠিকভাবে ওজন করো এবং ওজনে কম দিও না। তাফহীমুল কুরআন

এবং ইনসাফের সাথে ওজন ঠিক রাখ এবং পরিমাপে কম না দাও।মুফতী তাকী উসমানী

ওযনের ন্যায্য মান প্রতিষ্ঠিত কর এবং মিযানে কম করনা।মুজিবুর রহমান

তোমরা ন্যায্য ওজন কায়েম কর এবং ওজনে কম দিয়ো না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

ওজনের ন্যায্য মান প্রতিষ্ঠিত কর এবং ওজনে কম দিও না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তোমরা ন্যায়সঙ্গতভাবে ওযন প্রতিষ্ঠা কর এবং ওযনকৃত বস্তু কম দিও না।আল-বায়ান

সুবিচারের সঙ্গে ওজন প্রতিষ্ঠা কর আর ওজনে কম দিও না,তাইসিরুল

আর ওজন সঠিকভাবে কায়েম করো, আর মাপজোখে কমতি করো না।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

অর্থাৎ তোমরা যেহেতু এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ বিশ্বলোকে বাস করছো যার গোটা ব্যবস্থাপনাই সুবিচার ও ইনসাফের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তাই তোমাদেরকেও সুবিচার ও ইনসাফের ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। যে গণ্ডির মধ্যে তোমাদেরকে স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে সেখানে যদি তোমরা বে-ইনসাফী করো এবং যে হকদারদের হক তোমাদের হাতে দেয়া হয়েছে যদি তোমরা হরণ কর, তাহলে তা হবে বিশ্ব প্রকৃতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহের শামিল। এ মহা বিশ্বের প্রকৃতি জুলুম, বে-ইনসাফী ও অধিকার হরণকে স্বীকার করে না। এখানে বড় রকমের কোন জুলুম তো দূরের কথা, দাঁড়ি পাল্লার ভারসাম্য বিঘ্নিত করে কেউ যদি খরিদ্দারকে এক তোলা পরিমাণ জিনিসও কম দেয় তাহলে সে বিশ্বলোকের ভারসাম্যে বিপর্যয় সৃষ্টি করে।-এটা কুরআনের শিক্ষার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ তিনটি আয়াতে এ শিক্ষাটাই তুলে ধরা হয়েছে। কুরআনের প্রথম শিক্ষা হচ্ছে তাওহীদ এবং দ্বিতীয় শিক্ষা হচ্ছে, সুবিচার ও ইনসাফ। এভাবে সংক্ষিপ্ত কয়েকটি বাক্যে মানুষকে জানিয়ে দেয়া হয়েছে যে, ‘রাহমান’ বা পরম দয়াবান আল্লাহ‌ পথ প্রদর্শনের জন্য যে কুরআন পাঠিয়েছেন তা কি ধরনের শিক্ষা নিয়ে এসেছে!

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৯. আর তোমরা ওজনের ন্যায্য মান প্রতিষ্ঠিত কর এবং ওজনে কম দিও না।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৯) ওজনের ন্যায্য মান প্রতিষ্ঠা কর এবং ওজনে কম দিয়ো না।