وَنَبِّئۡهُمۡ أَنَّ ٱلۡمَآءَ قِسۡمَةُۢ بَيۡنَهُمۡۖ كُلُّ شِرۡبٖ مُّحۡتَضَرٞ

ওয়া নাব্বি’হুম আন্নাল মাআ কিছমাতুম বাইনাহুম কুল্লুশিরবিম মুহতাদার।উচ্চারণ

তাদের জানিয়ে দাও, এখন তাদের ও উটনীর মধ্যে পানি ভাগ হবে এবং প্রত্যেকেই তার পালার দিনে পানির জন্য আসবে।” ১৯ তাফহীমুল কুরআন

এবং তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, (কুয়ার) পানি তাদের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া হয়েছে। পানির প্রতি পালায় উপস্থিত হবে তার হকদার। মুফতী তাকী উসমানী

আর তুমি তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের মধ্যে পানি বন্টন নির্ধারিত এবং পানির অংশের জন্য প্রত্যেকে হাযির হবে পালাক্রমে।মুজিবুর রহমান

এবং তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের মধ্যে পানির পালা নির্ধারিত হয়েছে এবং পালাক্রমে উপস্থিত হতে হবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এবং এদেরকে জানিয়ে দাও যে, এদের মধ্যে পানি বণ্টন নির্ধারিত এবং পানির অংশের জন্যে প্রত্যেকে উপস্থিত হবে পালাক্রমে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আর তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের মধ্যে পানি বণ্টন সুনির্দিষ্ট। প্রত্যেকেই (পালাক্রমে) পানির অংশে উপস্থিত হবে।আল-বায়ান

আর তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের মধ্যে (ও উষ্ট্রীর মধ্যে) পানি বণ্টিত হবে, প্রত্যেকের পানি পানের পালা আসবে।তাইসিরুল

আর তাদের জানিয়ে দাও যে পানির ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে ভাগাভাগি রয়েছে, প্রত্যেক জলপানে হাজিরা থাকবে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৯

“আমি উটনীকে তাদের জন্য ফিতনা বানিয়ে পাঠাচ্ছি” এটা এ কথার ব্যাখ্যা। ফিতনাটা ছিল এই যে, হঠাৎ একটি উটনী এনে তাদের সামনে পেশ করে তাদেরকে বলে দেয়া হলো যে, একদিন এটি একা পানি পান করবে। অন্যদিন তোমরা সবাই নিজের ও তোমাদের জীবজন্তুর জন্য পানি নিতে পারবে। যেদিন উটনীর পানি পানের পালা সেদিন তোমাদের মধ্য থেকে কোন ব্যক্তি নিজেও কোন ঝর্ণা বা কূপের ধারে পানি নিতে আসবে না এবং তাদের জীবজন্তুকেও পানি পান করানোর জন্য আনবে না। এ চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছিল সে ব্যক্তির পক্ষ থেকে যার সম্পর্কে তারা নিজেরাই বলতো যে, তার না আছে কোন সৈন্য সামন্ত, না আছে কোন বড় দল।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এ উটনীটি সৃষ্টি করা হয়েছিল তাদেরই দাবি অনুযায়ী। অতঃপর তাদেরকে বলা হয়েছিল, মহল্লার কুয়া থেকে একদিন উটনীটি পানি পান করবে এবং একদিন মহল্লাবাসী। এভাবে পালা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছিল, যাতে কুয়া থেকে একের পালায় অন্যে পানি পান না করে। কিন্তু ছামুদ জাতি এ নিয়ম রক্ষা করেনি। বিস্তারিত দেখুন সূরা আরাফ (৭ : ৭৩) ও তার টীকা।

তাফসীরে জাকারিয়া

২৮. আর তাদেরকে জানিয়ে দিন যে, তাদের মধ্যে পানি বন্টন নির্ধারিত এবং পানির অংশের জন্য প্রত্যেকে উপস্থিত হবে পালাক্রমে।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৮) আর তুমি তাদেরকে জানিয়ে দাও যে, তাদের মধ্যে পানি বণ্টন নির্ধারিত(1) এবং পানির অংশের জন্য প্রত্যেকে হাজির হবে পালাক্রমে। (2)

(1) অর্থাৎ, একদিন উটনীর পানি পানের জন্য এবং একদিন লোকেদের পানি পানের জন্য।

(2) অর্থাৎ, প্রত্যেকের পানির অংশ তার সাথে নির্দিষ্ট। সে নিজের পালির দিনে উপস্থিত হয়ে তা সংগ্রহ করবে। অপরজন সে দিন আসবে না। شُرْبٌ মানে পানির অংশ।