فَنَادَوۡاْ صَاحِبَهُمۡ فَتَعَاطَىٰ فَعَقَرَ

ফানা-দাও সা-হিবাহুম ফাত‘আ-তা-ফা‘আকার।উচ্চারণ

শেষ পর্যন্ত তারা নিজেদের লোকটিকে ডাকলো, সে এ কাজের দায়িত্ব গ্রহণ করলো এবং উটনীকে হত্যা করলো ২০ তাফহীমুল কুরআন

অতঃপর তারা তাদের এক সঙ্গীকে ডাকল। সুতরাং সে হাত বাড়াল এবং (উটনীটিকে) হত্যা করল। মুফতী তাকী উসমানী

অতঃপর তারা তাদের এক সঙ্গীকে আহবান করল, সে ওকে ধরে হত্যা করল।মুজিবুর রহমান

অতঃপর তারা তাদের সঙ্গীকে ডাকল। সে তাকে ধরল এবং বধ করল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এরপর এরা এদের এক সঙ্গীকে আহ্বান করল, সে একে ধরে হত্যা করল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

অতঃপর তারা তাদের সাথীকে ডেকে আনল। তখন সে উষ্ট্রীকে ধরল, তারপর হত্যা করল।আল-বায়ান

শেষে তারা তাদের এক সঙ্গীকে ডাকল আর সে তাকে (অর্থাৎ উষ্ট্রীটিকে) ধরে হত্যা করল।তাইসিরুল

কিন্তু তারা তাদের সেঙাৎকে ডাক দিল, তখন সে ধরল ও কেটে ফেলল।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

২০

এ শব্দগুলো থেকে আপনা আপনি একটি পরিস্থিতির আভাস পাওয়া যায়। তাহলো ঐ উটনীটা অনেক দিন পর্যন্ত তাদের জনপদে দৌরাত্ম্য চালিয়েছে। তার পানি পানের নির্দিষ্ট দিনে পানির ধারে কাছে যাওয়ার সাহস কারো হতো না। অবশেষে তারা তাদের কওমের একজন দুঃসাহসী নেতাকে ডেকে বললোঃ তুমি তো অত্যন্ত সাহসী বীরপুরুষ। কথায় কথায় হাতা গুটিয়ে মারতে ও মরতে প্রস্তুত হয়ে যাও। একটু সাহস করে এ উটনীর ব্যাপারটা চুকিয়ে দাও তো। তাদের উৎসাহ দানের কারণে সে এ কাজ সমাধা করার দায়িত্ব গ্রহণ করলো এবং উটনীকে মেরে ফেললো। এর পরিষ্কার অর্থ হচ্ছে, উটনীর কারণে তারা অত্যন্ত ভীত সন্ত্রস্ত ছিল। তারা উপলব্ধি করতে পেরেছিল যে, এর পেছনে অস্বাভাবিক কোন শক্তি কাজ করছে। তাই তাকে আঘাত করতে তারা ভয় পাচ্ছিল। এ কারণে একটি উটনীকে হত্যা করা, তাদের কাছে একটি অভিযান পরিচালনার চেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। অথচ উটনীটা পেশ করেছিলেন একজন নবী যার কোন সেনাবাহিনী ছিল না, যার ভয়ে তারা ভীত ছিল। (আরো বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন, তাফহীমুল কুরআন, আল আ’রাফ, টীকা-৫৮, আশ শূ’আরা, টীকা ১০৪, ১০৫)।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

বর্ণিত হয়েছে, লোকটির নাম ছিল কুদার। সে-ই উটনীটি হত্যা করেছিল।

তাফসীরে জাকারিয়া

২৯. অতঃপর তারা তাদের সঙ্গীকে ডাকল, ফলে সে সেটাকে (উষ্ট্রী) ধরে হত্যা করল।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(২৯) অতঃপর তারা তাদের এক সঙ্গীকে আহবান করল,(1) সে ওকে (উষ্ট্রীকে) ধরে হত্যা করল। (2)

(1) অর্থাৎ, যাকে তারা উটনীকে হত্যা করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিল। যার নাম কুবদার বিন সালেফ বলা হয়। তাকে তার কাজ সম্পাদন করার জন্য ডাক দিল।

(2) অথবা তরবারি বা উটনীকে ধরে তার পা কেটে দিল। অতঃপর তাকে জবাই করে দিল। কেউ কেউ فَتَعَاطَى অর্থ করেছেন, فَجَسَرَ সে সাহস করল।