تَجۡرِي بِأَعۡيُنِنَا جَزَآءٗ لِّمَن كَانَ كُفِرَ

তাজরী বিআ‘ইউনিনা- জাঝাআল লিমান ক-না কুফির।উচ্চারণ

যা আমার তত্ত্বাবধানে চলছিলো। এ ছিলো সে ব্যক্তির জন্য প্রতিশোধ যাকে অস্বীকার ও অবমাননা করা হয়েছিলো। ১৩ তাফহীমুল কুরআন

যা চলছিল আমার তত্ত্বাবধানে, যার অকৃতজ্ঞতা করা হয়েছিল তার (অর্থাৎ সেই রাসূলের) পক্ষে বদলা গ্রহণের জন্য। মুফতী তাকী উসমানী

যা চলত আমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে। এটা পুরস্কার তার জন্য যে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল।মুজিবুর রহমান

যা চলত আমার দৃষ্টি সামনে। এটা তার পক্ষ থেকে প্রতিশোধ ছিল, যাকে প্রত্যখ্যান করা হয়েছিল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যা চলত আমার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে; এটা পুরস্কার তার জন্যে, যে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যা আমার চাক্ষুস তত্ত্বাবধানে চলত, তার জন্য পুরস্কারস্বরূপ, যাকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।আল-বায়ান

যা আমার চোখের সামনে (ও আমার তত্ত্বাবধানে) ভেসে চলল সেই ব্যক্তির পক্ষে প্রতিশোধ হিসেবে যাকে অমান্য ও অস্বীকার করা হয়েছিল।তাইসিরুল

তা ভেসে চলেছিল আমাদের চোখের সামনে, -- এক প্রতিদান তাঁর জন্য যাঁকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৩

মূল ইবারত হচ্ছে جَزَاءً لِمَنْ كَانَ كُفِرَ অর্থাৎ এসব করা হয়েছে সে ব্যক্তির কারণে প্রতিশোধ গ্রহণের উদ্দেশ্যে যাকে অবমাননা ও অসম্মান করা হয়েছিল। كفر শব্দটিকে যদি অস্বীকৃতি অর্থে গ্রহণ করা হয় তাহলে অর্থ হবে “যার কথা মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছিল।” আর যদি নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা বা অস্বীকৃতি অর্থে গ্রহণ করা হয় তাহলে তার অর্থ হয় “যার সত্ত্বা ছিল একটি নিয়ামত স্বরূপ তার প্রতি অকৃজ্ঞতা ও অস্বীকৃতির আচরণ করা হয়েছিল।”

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

অর্থাৎ হযরত নূহ (আ.) ছিলেন তাঁর কওমের জন্য আল্লাহ তাআলার এক মহা নিয়ামত। কিন্তু তারা এ নি‘আমতের কদর করেনি। তাকে প্রত্যাখ্যান করে, তাঁর দাওয়াতকে অগ্রাহ্য করে তারা চরম অকৃতজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছিল, তারই বদলা নেওয়ার জন্য তাদেরকে মহাপ্লাবনে নিমজ্জিত করা হয়েছিল। -অনুবাদক

তাফসীরে জাকারিয়া

১৪. যা চলত আমাদের চোখের সামনে; এটা পুরস্কার তাঁর জন্য, যার সাথে কুফরী করা হয়েছিল।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৪) যা চলল আমার চোখের সামনে, এ ছিল অবিশ্বাসীদের প্রতিফল।