ওয়া ছামূদা ফামাআবক-।উচ্চারণ
এবং সামূদকে এমনভাবে নিশ্চিহ্ন করেছেন যে, কাউকে অবশিষ্ট রাখেননি। তাফহীমুল কুরআন
এবং ছামুদ (জাতি)-কেও। কাউকে বাকি রাখেননি।মুফতী তাকী উসমানী
এবং সামূদ সম্প্রদায়কেও, কেহকেও তিনি বাকী রাখেননি।মুজিবুর রহমান
এবং সামুদকেও; অতঃপর কাউকে অব্যহতি দেননি।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এবং সামূদ সম্প্রদায়কেও; কাউকেও তিনি বাকি রাখেন নাই- ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর সামূদ জাতিকেও। কাউকে তিনি অবশিষ্ট রাখেন নি।আল-বায়ান
আর সামূদ জাতিকেও, তাদের একজনকেও বাকী রাখেননি।তাইসিরুল
আর ছামূদ-জাতিও, তাই তিনি বাকী রাখেন নি,মাওলানা জহুরুল হক
৫১. এবং সামূদ সম্প্রদায়কেও(১); অতঃপর কাউকেও তিনি বাকী রাখেননি—
(১) ‘আদ’ জাতি ছিল পৃথিবীর শক্তিশালী দুর্ধর্ষতম জাতি। তাদের দুটি শাখা পর পর প্রথম ও দ্বিতীয় নামে পরিচিত। তাদের প্রতি হুদ আলাইহিস সালাম-কে রাসূলরক্ষপে প্রেরণ করা হয়। অবাধ্যতার কারণে ঝঞ্ঝা বায়ুর আযাব আসে। ফলে সমগ্র জাতি ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে যায়। কওমে-নূহের পর তারাই সর্বপ্রথম আযাব দ্বারা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ছামুদ সম্প্রদায়ও তাদের অপর শাখা। তাদের প্রতি সালেহ আলাইহিস সালাম-কে প্রেরণ করা হয়। যারা অবাধ্যতা করে, তাদের প্রতি বজ্রনিনাদের আযাব আসে। ফলে তারা হৃদপিণ্ড বিদীর্ণ হয়ে মৃত্যুমুখে পতিত হয়। (কুরতুবী)
(৫১) এবং সামূদ সম্প্রদায়কেও, সুতরাং কাউকেও তিনি বাকী রাখেননি।