ফাইন্না লিল্লাযীনা জালামূযানূবাম মিছলা যানূবি আসহা-বিহিম ফালা-ইয়াছতা‘জিলূন।উচ্চারণ
তাই যারা জুলুম করেছে ৫৬ তাদের প্রাপ্য হিসেবে ঠিক তেমনি আযাব প্রস্তুত আছে যেমনটি এদের মত লোকেরা তাদের অংশ পুরো লাভ করেছে। সেজন্য এসব লোক যেন আমার কাছে তাড়াহুড়ো না করে। ৫৭ তাফহীমুল কুরআন
যারা জুলুম করেছে তাদেরও (শাস্তির) সেই পালা আসবে, যেমন পালা এসেছিল তাদের (পূর্ববর্তী) অনুরূপ লোকদের ক্ষেত্রে। সুতরাং তারা যেন আমার কাছে তাড়াহুড়া করে (শাস্তি) না চায়।মুফতী তাকী উসমানী
যালিমদের প্রাপ্য ওটাই যা অতীতে তাদের সম মতাবলম্বীরা ভোগ করেছে। সুতরাং তারা এর জন্য আমার নিকট যেন ত্বরা না করে।মুজিবুর রহমান
অতএব, এই যালেমদের প্রাপ্য তাই, যা ওদের অতীত সহচরদের প্রাপ্য ছিল। কাজেই ওরা যেন আমার কাছে তা তাড়াতাড়ি না চায়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
জালিমদের প্রাপ্য তাই যা অতীতে এদের সমমতাবলম্বীরা ভোগ করেছে। সুতরাং এরা এটার জন্যে আমার নিকট যেন ত্বরা না করে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
যারা যুলম করেছে তাদের জন্য রয়েছে তাদের সমমনাদের অনুরূপ আযাব; সুতরাং তারা যেন আমার কাছে (আযাবের) তাড়াহুড়া না করে।আল-বায়ান
কাজেই যারা যুলম করেছে তাদের প্রাপ্য তাই যে প্রাপ্য পূর্বে ছিল তাদের মত লোকেদের; কাজেই (নিজেদের প্রাপ্য পাওয়ার জন্য) তারা যেন তাড়াহুড়া না করে।তাইসিরুল
সুতরাং যারা অন্যায়াচরণ করেছে তাদের জন্য অবশ্যই রয়েছে এক ঝুড়ি তাদের সাঙ্গোপাঙ্গদের ঝুড়ির ন্যায়, সেজন্য তারা যেন আমার কাছে তড়িঘড়ি না করে।মাওলানা জহুরুল হক
৫৬
এখানে জুলুম অর্থ বাস্তব ও সত্যের প্রতি জুলুম করা এবং নিজে নিজের প্রকৃতির প্রতি জুলুম করা। পূর্বাপর প্রসঙ্গ থেকে একথা প্রকাশ পাচ্ছে যে, এখানে জুলুম-নির্যাতনকারী বলতে সেসব মানুষকে বুঝানো হয়েছে যারা বিশ্ব-জাহানের রবকে বাদ দিয়ে অন্যদের দাসত্ব করছে, যারা আখেরাত অস্বীকার করছে, পৃথিবীতে নিজেদেরকে দায়িত্ব মুক্ত মনে করছে এবং সেসব নবী-রসূলদের অস্বীকার করছে যারা তাদেরকে প্রকৃত সত্য সম্পর্কে সতর্ক করার চেষ্টা করেছেন।
৫৭
কাফেররা দাবী করে বলতো যে, সে প্রতিফল দিবস আসার পথে কোথায় আটকে গেল, তা এসে পড়ছে না কেন? এটা কাফেরদের সে দাবিরই জবাব।
৫৯. সুতরাং যারা যুলুম করেছে তাদের জন্য রয়েছে তাদের সমমতাবলম্বীদের অনুরূপ প্রাপ্য (শাস্তি)। কাজেই তারা এটার জন্য আমার কাছে যেন তাড়াহুড়ো না করে।(১)
(১) ذَنُوب শব্দের আসল অর্থ কুয়া থেকে পানি তোলার বড় বালতি। জনগণের সুবিধার্থে জনপদের সাধারণ কুয়াগুলোতে পানি তোলার পালা নির্ধারণ করা হয়। প্রত্যেকেই নিজ নিজ পালা অনুযায়ী পানি তোলে। তাই এখানে ذَنُوب শব্দের অর্থ করা হয়েছে প্রাপ্য অংশ বা পালা। (কুরতুবী)
(৫৯) সীমালংঘনকারীদের (প্রাপ্য) অংশ(1) ওটাই যা অতীতে তাদের সমমতাবলম্বীরা ভোগ করেছে। সুতরাং তারা যেন আমার নিকট তাড়াতাড়ি না করে। (2)
(1) ذَنُوْبٌ এর অর্থ, ভরা বালতি। কুঁয়া থেকে পানি তুলে বণ্টন করা হয় এই দিক দিয়ে এখানে বালতিকে অংশের অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। অর্থ হল, অত্যাচারীদের প্রাপ্য শাস্তির অংশ আছে। যেমন, ইতিপূর্বে কুফরী ও শিরককারীদেরকে তাদের শাস্তির অংশ পেতে হয়েছে।
(2) তবে শাস্তির এই অংশ তারা কখন পাবে, তা নির্ভর করে আল্লাহর ইচ্ছার উপর। সুতরাং শাস্তি চাওয়ার ব্যাপারে তারা যেন তাড়াহুড়ো না করে।