ফাআওজাছা মিন হুম খীফাতান ক-লূলা-তাখাফ ওয়াবাশশারূহু বিগুলা-মিন ‘আলীম।উচ্চারণ
তারপর সে মনে মনে তাদের ভয় পেয়ে গেল। ২৬ তারা বললোঃ ভয় পাবেন না। তাছাড়া তারা তাকে এক জ্ঞানবান পুত্র সন্তান জন্মের সুসংবাদ দিল। ২৭ তাফহীমুল কুরআন
এতে তাদের সম্পর্কে ইবরাহীমের মনে ভয় দেখা #%১২%# দিল। তারা বলল, ভয় পাবেন না। অতঃপর তারা তাকে এক মস্ত জ্ঞানী পুত্রের সুসংবাদ দিল।মুফতী তাকী উসমানী
এতে তাদের সম্পর্কে তার মনে ভীতির সঞ্চার হল। তারা বললঃ ভীত হয়োনা। অতঃপর তারা তাকে এক জ্ঞানী পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল।মুজিবুর রহমান
অতঃপর তাদের সম্পর্কে সে মনে মনে ভীত হলঃ তারা বললঃ ভীত হবেন না। তারা তাঁকে একট জ্ঞানীগুণী পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এতে এদের সম্পর্কে তার মনে ভীতির সঞ্চার হল। এরা বলল, ‘ভীত হয়ো না।’ এরপর এরা তাকে এক জ্ঞানী পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
এতে তাদের সম্পর্কে সে মনে মনে ভীত হল। তারা বলল, ‘ভয় পেয়োনা, তারা তাকে এক বিদ্বান পুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল’।আল-বায়ান
(যখন তারা খেল না) তখন সে তাদের ব্যাপারে মনে ভয় পেয়ে গেল। তারা বলল- ‘তুমি ভয় পেও না’, অতঃপর তারা তাকে এক জ্ঞানবান পুত্রের সুসংবাদ দিল।তাইসিরুল
সুতরাং তাদের সম্পর্কে তিনি ভয় অনুভব করলেন। তারা বললে -- "ভয় করো না।" পক্ষান্তরে তারা তাঁকে সুসংবাদ দিল এক জ্ঞানবান ছেলের।মাওলানা জহুরুল হক
২৬
অর্থাৎ তাদের হাত যখন খাবারের দিকে এগুলো না, তখন ইবরাহীমের মনে ভয়ের সঞ্চার হলো। গোত্রীয় জীবনধারায় কারো বাড়ীতে অপরিচিত মুসাফিরের খাবার গ্রহণ থেকে বিরত থাকা কোন অসদুদ্দেশ্যে আগমনের লক্ষণ বলে মনে করা হয়। এটাও তাঁর ভয়ের একটা কারণ হতে পারে। তবে খুব সম্ভব, খাবার গ্রহণ থেকে তাদের বিরত থাকাতেই হযরত ইবরাহীম বুঝে ফেলেছিলেন যে, তারা ফেরেশতা, মানুষের রূপ ধরে এখানে এসেছে। তাছাড়া মানুষের আকৃতিতে ফেরেশতাদের আগমন যেহেতু অস্বাভিবক পরিস্থিতিতেই হয়ে থাকে তাই তিনি আশঙ্কা করেছিলেন, কোন ভয়ংকর পরিস্থিতি আসন্ন, যার কারণে এসব ফেরেশতা এভাবে আগমন করেছে।
২৭
সূরা হূদে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, এটা ছিল হযরত ইসহাক আলাইহিস সালামের জন্মের সুসংবাদ। এর মধ্যে এ সুসংবাদও আছে যে, হযরত ইসহাকের ঔরসে তিনি হযরত ইয়া’কুব আলাইহিস সালামের মত নাতিও লাভ করবেন।
ফেরেশতাগণ যেহেতু পানাহার করেন না, তাই তারা সে খাদ্য গ্রহণ থেকে বিরত থেকেছিলেন, কিন্তু ইবরাহীম আলাইহিস সালাম দেশীয় প্রথা অনুযায়ী মনে করেছিলেন, তারা তার শত্রু (কেননা প্রথা অনুযায়ী শত্রুই মেযবানের বাড়িতে খাদ্য গ্রহণ করে না)। তারপর তারা যখন পুত্র জন্মের সংবাদ দিলেন, তখন তিনি বুঝতে পারলেন, তারা আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে প্রেরিত ফেরেশতা। সুতরাং ৩০ নং আয়াতে তারা তাঁর সাথে সে হিসেবেই কথা বলেছেন।
২৮. এতে তাদের সম্পর্কে তার মনে ভীতির সঞ্চার হল।(১) তারা বলল, ভীত হবেন না। আর তারা তাকে এক জ্ঞানী পুত্ৰ সন্তানের সুসংবাদ দিল।
(১) ইবরাহীম আলাইহিস সালাম তাদের না খাওয়ার কারণে তাদের ব্যাপারে শংকাবোধ করতে লাগলেন। কেননা, তখন ভদ্র সমাজে এই রীতি প্রচলিত ছিল যে, আহার্য পেশ করলে মেহমান কিছু না কিছু আহার্য গ্ৰহণ করত। কোন মেহমান এরূপ না করলে তাকে ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে আগমনকারী শত্রু বলে আশংকা করা হত। (কুরতুবী)।
(২৮) তখন তাদের সম্পর্কে তার মনে ভীতির সঞ্চার হল।(1) তারা বলল, ‘ভয় পেয়ো না।’(2) অতঃপর তারা তাকে এক জ্ঞানী পুত্র-সন্তানের সুসংবাদ দিল।
(1) ভয় এই কারণে অনুভব করছিলেন যে, ইবরাহীম (আঃ) ভাবলেন এরা খাবার খাচ্ছেন না, তার অর্থ আগন্তুকরা কোন কল্যাণের উদ্দেশ্যে নয়, বরং অকল্যাণের উদ্দেশ্যেই এসেছেন।
(2) ইবরাহীম (আঃ) এর মুখমন্ডলে ভয়ের চিহ্ন দেখে ফিরিশতারা এ কথা বললেন।