يَوۡمَ يَسۡمَعُونَ ٱلصَّيۡحَةَ بِٱلۡحَقِّۚ ذَٰلِكَ يَوۡمُ ٱلۡخُرُوجِ

ইয়াওমা ইয়াছমা‘ঊনাসসাইহাতা বিলহাক্কি যা-লিকা ইয়াওমুল খুরূজ।উচ্চারণ

যেদিন সকলে হাশরের কোলাহল ঠিকমত শুনতে পাবে, ৫৩ সেদিনটি হবে কবর থেকে মৃতদের বেরুবার দিন। তাফহীমুল কুরআন

যে দিন তারা সত্যি সত্যি আওয়াজ শুনবে, #%২২%# সেটাই (কবর থেকে) বের হওয়ার দিন।মুফতী তাকী উসমানী

যেদিন মানুষ অবশ্যই শ্রবণ করবে মহানাদ, সেই দিনই পুনরুত্থান দিন।মুজিবুর রহমান

যেদিন মানুষ নিশ্চিত সেই ভয়াবহ আওয়াজ শুনতে পাবে, সেদিনই পুনরত্থান দিবস।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

যেদিন মানুষ অবশ্যই শুনতে পাবে মহানাদ, সেই দিনই বের হওয়ার দিন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

সেদিন তারা সত্যিসত্যিই মহাচিৎকার শুনবে। সেটিই উত্থিত হবার দিন।আল-বায়ান

যেদিন সমস্ত মানুষ প্রকৃতই শুনতে পাবে এক (ভয়ংকর) ধ্বনি। সেদিনটি হবে (ভূগর্ভ থেকে সকল আত্মার) বের হওয়ার দিন।তাইসিরুল

সেইদিন তারা সত্যি-সত্যি মহাগর্জন শুনতে পাবে। এইটিই বেরিয়ে আসার দিন।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৫৩

মূল আয়াতাংশ হচ্ছে يَسْمَعُونَ الصَّيْحَةَ بِالْحَقِّ । এর দু’টি অর্থ হতে পারে। একটি হচ্ছে, সমস্ত মানুষই মহাসত্য সম্পর্কিত আহবান শুনতে পাবে। অপর অর্থটি হচ্ছে হাশরের কলরব ঠিকমতই শুনতে পাবে। প্রথম অর্থ অনুসারে বক্তব্যের সারমর্ম দাঁড়ায় মানুষ নিজ কানে সেই মহাসত্যের আহবান শুনতে পাবে যা তারা পৃথিবীতে মেনে নিতে প্রস্তুত ছিল না, যা অস্বীকার করতে তাদের ছিল চরম একগুঁয়েমী এবং যার সংবাদদাতা নবী-রসূলদের তারা বিদ্রূপ করতো। দ্বিতীয় অর্থ অনুসারে এর প্রতিপাদ্য বিষয় দাঁড়ায় এই যে, নিশ্চিতভাবেই তারা হাশরের কলরব-কোলাহল শুনবে, তারা নিজেরাই জানতে পারবে, এটা কোন কাল্পনিক বিষয় নয়, বরং প্রকৃতই হাশরের কলরব-কোলাহল। ইতিপূর্বে তাদেরকে যে হাশরের খবর দেয়া হয়েছিলো তা যে সত্যিই এসে হাজির হয়েছে এবং এ যে তারই শোরগোল উত্থিত হচ্ছে সে ব্যাপারে তাদের কোন সন্দেহই থাকবে না।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

এর দ্বারা ঘোষণাকারীর ঘোষণার আওয়াজও বোঝানো হতে পারে এবং শিঙ্গায় ফুঁ দেওয়ার আওয়াজও।

তাফসীরে জাকারিয়া

৪২. সেদিন তারা সত্য সত্যই শুনতে পাবে মহানাদ, সেদিনই বের হবার দিন।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৪২) যেদিন মানুষ অবশ্যই শ্রবণ করবে এক বিকট আওয়াজ, সেদিনই বের হবার দিন। (1)

(1) অর্থাৎ, এই বিকট আওয়াজ তথা কিয়ামতের ফুৎকার অবশ্যই হবে। দুনিয়াতে যার ব্যাপারে এরা সন্দেহ করত। আর এই দিনটাই হবে কবর থেকে জীবিত হয়ে ওঠার দিন।