ওয়াছতামি‘ ইয়াওমা ইউনা-দিল মুনা-দি মিম মাক-নিন কারীব।উচ্চারণ
আর শোনো যেদিন আহ্বানকারী (প্রত্যেক মানুষের) নিকট স্থান থেকে আহ্বান করবে, ৫২ তাফহীমুল কুরআন
এবং মনোযোগ দিয়ে শোন, যে দিন এক আহ্বানকারী নিকটবর্তী একস্থান থেকে ডাক দেবে, #%২১%#মুফতী তাকী উসমানী
শোন, যেদিন এক ঘোষণাকারী নিকটবর্তী স্থান হতে আহবান করবে –মুজিবুর রহমান
শুন, যে দিন এক আহবানকারী নিকটবর্তী স্থান থেকে আহবান করবে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
শোন, যেদিন এক ঘোষণাকারী নিকটবর্তী স্থান হতে আহ্বান করবে,ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মনোনিবেশ কর, যেদিন একজন ঘোষক নিকটবর্তী কোন স্থান থেকে ডাকতে থাকবে।আল-বায়ান
আর শোন, যেদিন এক ঘোষণাকারী (প্রত্যেক ব্যক্তির) নিকটবর্তী স্থান থেকে ডাক দিবে,তাইসিরুল
আর শোনো সেইদিন যখন একজন ঘোষণাকারী আহ্বান করবেন নিকটবর্তী স্থান থেকে, --মাওলানা জহুরুল হক
৫২
অর্থাৎ যেখানেই যে ব্যক্তি মরে পড়ে থাকবে কিংবা পৃথিবীতে যেখানেই তার মৃত্যু সংঘটিত হয়েছিল সেখানেই তার কাছে আল্লাহর ঘোষকের এ আওয়াজ পৌঁছবে যে, উঠ এবং তোমার রবের কাছে হিসেব দেয়ার জন্য চলো। এ আওয়াজ হবে এমন যে, ভুপৃষ্ঠের আনাচে-কানাচে যেখানেই যে ব্যক্তি জীবিত হয়ে উঠবে সেখানেই সে মনে করবে, যে আহ্বানকারী নিকটেই কোথাও থেকে তাকে আহবান করেছে। একই সময়ে গোটা পৃথিবীর সব জায়গায় সমানভাবে এ আওয়াজ শোনা যাবে। এ থেকেও কিছুটা অনুমান করা যায় যে, আখিরাতের স্থান ও কাল বর্তমান আমাদের এ পৃথিবীর স্থান ও কালের তুলনায় কতটা পরিবর্তিত হবে এবং সেখানে কেমন সব শক্তি কি ধরনের আইনানুসারে তৎপর ও সক্রিয় থাকবে।
অর্থাৎ প্রত্যেকের কাছে মনে হবে ঘোষণাকারী খুব নিকটবর্তী স্থান থেকেই ঘোষণা করছে। খুব সম্ভব এই ঘোষণাকারী হবেন হযরত ইসরাফিল আলাইহিস সালাম, যিনি মৃতদেরকে কবর থেকে বের হয়ে আসার জন্য ডাক দেবেন।
৪১. আর মনোনিবেশসহকারে শুনুনু, যেদিন এক ঘোষণাকারী নিকটবর্তী স্থান হতে ডাকবে,
(৪১) ধ্যান দিয়ে শুনো,(1) যেদিন এক ঘোষণাকারী(2) নিকটবর্তী স্থান হতে আহবান করবে। (3)
(1) অর্থাৎ, অহীর মাধ্যমে কিয়ামতের যেসব অবস্থার কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো মন দিয়ে শোনো।
(2) এই ঘোষণাকারী ইস্রাফীল ফিরিশতা হবেন অথবা জিবরীল। আর এ আহবান সেই আহবান, যে আহবানে লোকেরা হাশরের মাঠে সমবেত হবে। অর্থাৎ দ্বিতীয় ফুৎকার।
(3) এ থেকে কেউ কেউ صخرة بيت المقدس (বাইতুল মুকাদ্দাসের পাথর) বুঝিয়েছেন। বলেন যে, এটা আসমানের নিকটতম স্থান। অন্যান্যের নিকটে এর অর্থ হল, প্রত্যেক ব্যক্তি এই শব্দ এমনভাবে শুনবে যে, মনে হবে যেন এ আওয়াজ নিকট থেকেই আসছে। (ফাতহুল ক্বাদীর) আর এ কথাই সঠিক মনে হয়।