وَعَادٞ وَفِرۡعَوۡنُ وَإِخۡوَٰنُ لُوطٖ

ওয়া ‘আ-দুওঁ ওয়া ফির ‘আউনুওয়া ইখওয়া-নুলূত।উচ্চারণ

আদ, ফেরাউন, ১৩ লূতের ভাই, তাফহীমুল কুরআন

তাছাড়া আদ জাতি, ফির‘আউন এবং লুতের সম্প্রদায়মুফতী তাকী উসমানী

আদ, ফির‘আউন ও লূত সম্প্রদায়।মুজিবুর রহমান

আদ, ফেরাউন, ও লূতের সম্প্রদায়,মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

‘আদ, ফির‘আওন ও লূত সম্প্রদায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন

‘আদ, ফির‘আউন ও লূত সম্প্রদায়।আল-বায়ান

‘আদ, ফেরাউন ও লূত জাতি,তাইসিরুল

আর 'আদ ও ফিরআউন ও লূত-এর ভাই-বন্ধুরা,মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১৩

“ফেরাউনের কওম” বলার পরিবর্তে শুধু নাম উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ সে তার জাতির ঘাড়ে এমনভাবে চেপে বসেছিল যে, তার সামনে তার জাতির কোন স্বাধীন বক্তব্য ও দৃঢ়তা অবশিষ্ট ছিল না। সে যে গোমরাহীর দিকেই অগ্রসর হতো তার জাতিও তার পেছনে ছুটে চলতো। তাই একা ঐ ব্যক্তিকে গোটা জাতির গোমরাহীর জন্য দায়ী করা হয়েছে। যেখানে জাতির মতামত ও কর্মের স্বাধীনতা আছে সেখানে তার কাজ-কর্মের দায়-দায়িত্ব সে জাতি নিজেই বহন করে। আর যেখানে এক ব্যক্তির একনায়কত্ব জাতিকে অসহায় করে রাখে সেখানে সেই এক ব্যক্তিই গোটা জাতির অপরাধের বোঝা নিজের মাথায় তুলে নেয়। এর অর্থ অবশ্য এই নয় যে, এ বোঝা এক ব্যক্তির ঘাড়ে উত্তোলিত হওয়ার পর জাতি তার দায়-দায়িত্ব থেকে পুরোপুরি অব্যাহতি পেয়ে যায়। না, সেক্ষেত্রে নিজের ঘাড়ে এক ব্যক্তিকে এভাবে চেপে বসতে দিয়েছে কেন, সেই নৈতিক দুর্বলতার দায়িত্ব জাতির ওপর অবশ্যই বর্তায়। সূরা যুখরূফের ৫৪ আয়াতে এ বিষয়টির প্রতিই ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।

فَاسْتَخَفَّ قَوْمَهُ فَأَطَاعُوهُ إِنَّهُمْ كَانُوا قَوْمًا فَاسِقِينَ

“ফেরাউন তার জাতিকে গুরুত্বহীন মনে করে নিয়েছে এবং তারাও তার আনুগত্য করেছে। প্রকৃতপক্ষে তারা ছিল ফাসেক।”

ব্যাখ্যার জন্য দেখুন, তাফহীমুল কুরআন সূরা, যুখরূফের ব্যাখ্যা, টীকা ৫)

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

১৩. আর আদ, ফিরআউন ও লুত সম্প্রদায়।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(১৩) আ’দ, ফিরআউন ও লূত সম্প্রদায়,