কাযযাবাত কাবলাহুম কাওমুনুহিওঁ ওয়া আসহা-বুর রছছি ওয়া ছামূদ।উচ্চারণ
এদের আগে নূহের কওম, আসহাবুর রাস, ১২ সামূদ, তাফহীমুল কুরআন
তাদের আগেও নূহের কওম, রাসসবাসী ও ছামুদ জাতি (এ বিষয়কে) প্রত্যাখ্যান করেছিল।মুফতী তাকী উসমানী
তাদের পূর্বেও সত্য প্রত্যাখ্যান করেছিল নূহের সম্প্রদায়, রা'স ও সামূদ সম্প্রদায় –মুজিবুর রহমান
তাদের পূর্বে মিথ্যাবাদী বলেছে নূহের সম্প্রদায়, কুপবাসীরা এবং সামুদ সম্প্রদায়।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
এদের পূর্বেও সত্য প্রত্যাখ্যান করেছিল নূহের সম্প্রদায়, রাস্ ও সামূদ সম্প্রদায়, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
তাদের পূর্বে সত্য প্রত্যাখ্যান করেছিল নূহের সম্প্রদায়, রাস্ এর অধিবাসী ও সামূদ সম্প্রদায়।আল-বায়ান
এদের আগে সত্যকে মেনে নিতে অস্বীকার করেছিল নূহের জাতি, রাস্স ও সামুদ জাতি,তাইসিরুল
এদের আগে নূহ-এর স্বজাতি প্রত্যাখ্যান করেছিল, আর রস্-এর অধিবাসীরা ও ছামুদ জাতি,মাওলানা জহুরুল হক
১২
এর আগে সূরা ফুরকানর ৩৮ আয়াতে ‘আসহাবের রাসসের’ আলোচনা করা হয়েছে। এখানে দ্বিতীয় বারের মত তাদের উল্লেখ করা হচ্ছে। তবে উভয় স্থানেই নবীদের অস্বীকারকারী জাতিসমূহের সাথে কেবল মাত্র তাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের কোন বিস্তারিত ঘটনা বর্ণনা করা হয়নি। আরবের কিংবদন্তীতে আর রাস নামে দু’টি স্থান সুপরিচিত। একটি নাজদে এবং দ্বিতীয়টি উত্তর হিজাযে। এর মধ্যে নাজদের আর রাস অধিক পরিচিত এবং জাহেলী যুগের কাব্য গাঁথায় এর উল্লেখই বেশী পাওয়া যায়। অসহাবুর রাস এ দু’টি স্থানের কোনটির অধিবাসী ছিল তা এখন নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। কোন বর্ণনাতেই তাদের কাহিনীর নির্ভরযোগ্য বিশাদ বিবরণ পাওয়া যায় না। বড় জোর এতটুকু সঠিকভাবে বলা যেতে পারে যে, তারা ছিল এমন এক জাতি যারা তাদের নবীকে কূপের মধ্যে নিক্ষেপ করেছিল। তবে তাদের বিষয়ে কুরআন মজীদে শুধু ইঙ্গিত দিয়েই ক্ষান্ত থাকা হয়েছে। এতে বুঝা যায়, কুরআন নাযিলের সময় আরবরা ব্যাপকভাবে তাদের কাহিনী সম্পর্কে অবহিত ছিল। কিন্তু পরবর্তী কালে এসব বর্ণনা ও কাহিনী ইতিহাসে সংরক্ষিত হতে পারেনি।
الرس-এর অর্থ কুয়া। ইয়ামামা এলাকায় এ কুয়াকে ঘিরে একটি জনপদ গড়ে উঠেছিল। তাদেরকে ‘আসহাবুর-রাসস’ বা কুয়াওয়ালা বলা হয়। তারা ছিল ছামূদ জাতির একটি শাখা। তাদের কাছে যে নবীকে পাঠানো হয়েছিল তারা তাকে এ কুয়ার মধ্যে চাপা দিয়ে হত্যা করেছিল। -অনুবাদক
১২. তাদের আগেও মিথ্যারোপ করেছিল নূহের সম্প্রদায়, রাস্ এর অধিবাসী(১) ও সামূদ সম্প্রদায়,
(১) সূরা আল-ফুরকানের ৩৮ নং আয়াতের ব্যাখ্যায় ‘রাস’ এর সম্প্রদায় সম্পর্কে আলোচনা চলে গেছে।
(১২) তাদের পূর্বেও মিথ্যাজ্ঞান করেছিল নূহ এর সম্প্রদায়, রাস্(1) ও সামূদ সম্প্রদায়,
(1) রাস্ সম্প্রদায়ের নির্দিষ্টীকরণের ব্যাপারে মুফাসসেরদের মাঝে বড়ই মতভেদ রয়েছে। ইমাম ইবনে জারীর ত্বাবারী সেই উক্তিটিকেই প্রাধান্য দিয়েছেন, যাতে তাদেরকে ‘আসহাবুল উখদূদ’ (কুন্ডের অধিপতি) বলা হয়েছে; যার আলোচনা সূরা বুরূজে (৪নং আয়াতের টীকায়) করা হয়েছে। (বিস্তারিত জানার জন্য দ্রষ্টব্যঃ তফসীর ইবনে কাসীর ও ফাতহুল ক্বাদীর, সূরা ফুরকান ৩৮নং আয়াতের তফসীর)