كَذَٰلِكَ وَزَوَّجۡنَٰهُم بِحُورٍ عِينٖ

কাযা-লিকা ওয়া ঝাওওয়াজনা-হুম বিহূরিন ‘ঈন।উচ্চারণ

এটা হবে তাদের অবস্থা। আমি সুন্দরী হরিণ নয়না ৪২ নারীদের সাথে তাদের বিয়ে দেবো। তাফহীমুল কুরআন

তাদের সাথে এ রকমই ব্যবহার করা হবে। আমি ডাগর-ডাগর চোখের হুরদের সাথে তাদের বিবাহ দেব।মুফতী তাকী উসমানী

এরূপই ঘটবে; তাদেরকে সঙ্গিনী দিব আয়তলোচনা হুর।মুজিবুর রহমান

এরূপই হবে এবং আমি তাদেরকে আনতলোচনা স্ত্রী দেব।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এইরূপই ঘটবে; আমি এদেরকে সঙ্গিনী দান করব আয়তলোচনা হুর, ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এরূপই ঘটবে, আর আমি তাদেরকে বিয়ে দেব ডাগর নয়না হূরদের সাথে।আল-বায়ান

এ রকমই হবে, আর তাদের বিয়ে দিয়ে দেব ডাগর ডাগর সুন্দর উজ্জ্বল চোখওয়ালা কুমারীদের (হুরদের) সাথে।তাইসিরুল

এইভাবেই! আমরা তাদের জোড় মিলিয়ে দেব আয়তলোচন হূরদের সাথে।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৪২

মূল শব্দ হচ্ছে بِحُورٍ عِينٍ حور শব্দটি حَوْرَاء শব্দের বহুবচন। আরবী ভাষায় সুন্দরী নারীকে حَوْرَاء বলা হয়। عَيْنٌ শব্দটি عيناء শব্দের বহুবচন। এ শব্দটি বড় চোখ বিশিষ্ট নারীদের বুঝাতে ব্যবহার হয়। (অধিক ব্যাখ্যার জন্য দেখুন, সূরা সাফফাত, টীকা ২৬ ও ২৯)।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৫৪. এরূপই ঘটবে; আর আমরা তাদেরকে বিয়ে দিয়ে দেব ডাগর নয়না হূরদের সাথে,

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৫৪) এরূপই ঘটবে ওদের;(1) আর আয়তলোচনা হুরদের সাথে তাদের বিবাহ দেব। (2)

(1) অর্থাৎ, আল্লাহভীরুদের সাথে অবশ্যই এই ধরনের আচরণ করা হবে।

(2) حُوْرٌ হল حَوْرَآءُ এর বহুবচন। এর উৎপত্তি حَوَرٌ থেকে। যার অর্থ, চোখের সাদা অংশের অত্যধিক সাদা এবং কালো অংশের অত্যধিক কালো হওয়া। حَوْرَآءُ (হুর) এই জন্য বলা হয় যে, দৃষ্টি তাদের রূপ ও সৌন্দর্যকে দেখে হয়রান (মুগ্ধ) হয়ে যাবে। عَيْنٌ হল, عَيْنَآءُ এর বহুবচন। আয়তলোচনঃ প্রশস্ত বা ডাগর চোখ; যেমন হয় হরিণের চোখ। পূর্বেই আলোচনা হয়েছে যে, প্রত্যেক জান্নাতী কমসে কম দু’টি হুর অবশ্যই পাবে। যারা রূপ ও সৌন্দর্যের দিক দিয়ে যেন চাঁদ ও সূর্যের মত উজ্জ্বল হবে। অবশ্য তিরমিযীর একটি সহীহ বর্ণনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, প্রত্যেক শহীদ বিশেষ করে ৭২টি করে হুর পাবেন। (জিহাদের ফযীলতের পরিচ্ছেদসমূহ)