ইয়াওমা লা-ইউগনী মাওলান ‘আম মাওলান শাইআওঁ ওয়ালা-হুম ইউনসারূন।উচ্চারণ
সেটি এমন দিন যেদিন কোন নিকটতম প্রিয়জনও ৩৬ কোন নিকটতম প্রিয়জনের কাজে আসবে না তাফহীমুল কুরআন
যে দিন এক মিত্র অপর মিত্রের কিছুমাত্র কাজে আসবে না এবং তাদের কারও কোনও সাহায্য করা হবে না,মুফতী তাকী উসমানী
যেদিন এক বন্ধু অপর বন্ধুর কোন কাজে আসবেনা এবং তারা সাহায্যও পাবেনা।মুজিবুর রহমান
যেদিন কোন বন্ধুই কোন বন্ধুর উপকারে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
সেদিন এক বন্ধু অপর বন্ধুর কোন কাজে আসবে না এবং এরা সাহায্যও পাবে না। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
সেদিন এক বন্ধু অপর বন্ধুর কোন কাজে আসবে না এবং তারা সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।আল-বায়ান
যেদিন বন্ধু বন্ধুর কোন উপকারে আসবে না, আর তাদেরকে সাহায্যও করা হবে না।তাইসিরুল
যেদিন এক বন্ধু আরেক বন্ধুর থেকে কোনো প্রকারে লাভবান হবে না, আর তাদের সাহায্যও করা হবে না, --মাওলানা জহুরুল হক
৩৬
মূল আয়াতে مَوْلًى শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। আরবী ভাষায় এ শব্দটি এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে বলা হয়, যে কোন সম্পর্কের কারণে অন্যকোন ব্যক্তিকে সহযোগিতা করে। সেই সম্পর্ক আত্মীয়তার সম্পর্ক হোক কিংবা বন্ধুত্বের সম্পর্ক হোক অথবা অন্য কোনো প্রকারের সম্পর্ক হোক তা দেখার বিষয় নয়।
৪১. সেদিন এক বন্ধু অন্য বন্ধুর কোন কাজে আসবে না এবং তারা সাহায্যও পাবে না।
(৪১) সেদিন এক বন্ধু অপর বন্ধুর কোন কাজে আসবে না এবং ওরা সাহায্যপ্রাপ্ত হবে না। (1)
(1) যেমন অন্যত্র বলেছেন, فَإِذَ نُفِخَ فِي الصُّوْرِ فَلآ أَنْسَابَ بَيْنَهُمْ অর্থাৎ, যেদিন শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে সেদিন পরস্পরের মধ্যে আত্মীয়তার বন্ধন থাকবে না এবং একে অপরের খোঁজ-খবরও নিবে না। (সূরা মু’মিনূন ১০১) তিনি আরো বলেছেন, وَلاَ يُسْئَلُ حَمِيْمٌ حَمِيْمًا অর্থাৎ, সুহূদ সৃহূদের খবর নিবে না। (সূরা মা'আরিজ ১০ আয়াত)