ওয়া লাকাদিখতারনা-হুম ‘আলা-‘ইলমিন ‘আলাল ‘আ-লামীন।উচ্চারণ
তাদের অবস্থা জেনে শুনেই আমি দুনিয়ার অন্য সব জাতির ওপর তাদের অগ্রাধিকার দিয়েছিলাম। ২৮ তাফহীমুল কুরআন
আমি তাদেরকে জেনেশুনেই বিশ্ববাসীর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলাম।মুফতী তাকী উসমানী
আমি জেনে শুনেই তাদেরকে বিশ্বে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলাম।মুজিবুর রহমান
আমি জেনেশুনে তাদেরকে বিশ্ববাসীদের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলাম।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
আমি তো জেনে-শুনেই এদেরকে বিশ্বে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলাম, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আর আমি জ্ঞাতসারেই তাদেরকে সকল সৃষ্টির উপর নির্বাচিত করেছিলাম।আল-বায়ান
আমি জেনে বুঝেই বিশ্বজগতের উপর তাদেরকে (অর্থাৎ বানী ইসরাঈলকে) বেছে নিয়েছিলাম।তাইসিরুল
আর আমরা অবশ্য জেনে-শুনেই তাদের নির্বাচন করেছিলাম লোকজনের উপরে,মাওলানা জহুরুল হক
২৮
অর্থাৎ বনী ঈসরাইলদের গুণাবলী ও দুর্বলতা উভয় দিকই আল্লাহর জানা ছিল। তিনি না দেখে শুনে অন্ধভাবে তাদেরকে বাছাই করেননি। সেই সময় পৃথিবীতে যত জাতি ছিল তাদের মধ্য থেকে তিনি এই জাতিকে যখন তাঁর বার্তাবাহক এবং তাওহীদের দাওয়াতের ঝাণ্ডাবাহী বানানোর জন্য মনোনীত করলেন তখন তা করেছিলেন এ জন্য যে, তাঁর জ্ঞানে তৎকালীন জাতিসমূহের মধ্যে এরাই তার উপযুক্ত ছিল।
৩২. আর আমরা জেনে শুনেই তাদেরকে সকল সৃষ্টির উপর নির্বাচিত করেছিলাম।
(৩২) আমি জেনে-শুনেই ওদেরকে বিশ্বে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছিলাম, (1)
(1) বিশ্ব বলতে বানী-ইস্রাঈলের যুগের বিশ্বকে বুঝানো হয়েছে। সাধারণভাবে সর্ব যুগের বিশ্ব নয়। কারণ, কুরআনে উম্মতে মুহাম্মাদকে كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ (সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি) উপাধি দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, বানী-ইস্রাঈলকে তাদের যুগের বিশ্ববাসীর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করা হয়েছিল। তাদেরকে এই শ্রেষ্ঠত্ব ও মাহাত্ম্য কি কারণে দেওয়া হয়েছিল, তা কেবল আল্লাহই জানেন।