বাল মাত্তা‘তুহাউলাইওয়াআ-বাআহুম হাত্তা-জাআহুমুল হাক্কু ওয়া রছুলুম মুবীন।উচ্চারণ
(এসব সত্ত্বেও যখন এরা অন্যদের দাসত্ব করতে শুরু করলো তখন আমি এদের ধ্বংস করে দিলাম আমি বরং এদের ও এদের বাপ-দাদাদেরকে জীবনোপকরণ দিতে থাকলাম এমনকি শেষ পর্যন্ত এদের কাছে ন্যায় ও সত্য এবং সুস্পষ্ট বর্ণনাকারী রসূল এসে গেল। ২৮ তাফহীমুল কুরআন
(তা সত্ত্বেও বহু লোক ফিরে আসল না) তথাপি আমি তাদেরকে ও তাদের বাপ-দাদাদেরকে জীবন ভোগ করতে দেই। পরিশেষে তাদের কাছে আসল সত্য এবং সুস্পষ্ট হেদায়াত দানকারী রাসূল।মুফতী তাকী উসমানী
বরং আমিই তাদেরকে এবং তাদের পূর্ব-পুরুষদেরকে সুযোগ দিয়েছিলাম ভোগের; অবশেষে তাদের নিকট এলো সত্য ও স্পষ্ট প্রচারক রাসূল।মুজিবুর রহমান
পরন্ত আমিই এদেরকে ও এদের পূর্বপুরুষদেরকে জীবনোপভোগ করতে দিয়েছি, অবশেষে তাদের কাছে সত্য ও স্পষ্ট বর্ণনাকারী রসূল আগমন করেছে।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
বরঞ্চ আমিই এদেরকে এবং এদের পূর্বপুরুষদেরকে দিয়েছিলাম ভোগের সামগ্রী, অবশেষে এদের নিকট এলো সত্য এবং স্পষ্ট বর্ণনাকারী রাসূল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বরং তাদের কাছে সত্য ও স্পষ্ট বর্ণনাকারী রাসূল আগমন না করা পর্যন্ত আমি তাদের এবং তাদের পিতৃপুরুষদের ভোগ করার সুযোগ দিয়েছিলাম।আল-বায়ান
হ্যাঁ, আমিই তাদেরকে আর তাদের পূর্বপুরুষকে ভোগের সামগ্রী দিয়েছিলাম। অবশেষে তাদের কাছে আসলো সত্য এবং সবকিছু স্পষ্টকারী রসূল।তাইসিরুল
বস্তুতঃ আমি এদের ও এদের পূর্বপুরুষদের উপভোগ করতে দিয়েছিলাম, যে পর্যন্ত না তাদের কাছে এসেছিল মহাসত্য ও একজন স্পষ্ট প্রতীয়মান রসূল।মাওলানা জহুরুল হক
২৮
মূল আয়াতে رسول مبين শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে যার আরেকটি অর্থ এও হতে পারে যে, এমন রসূল এসেছেন যার রসূল হওয়া সুস্পষ্ট ছিল, যার নবুওয়াত-পূর্ব জীবন ও নবুওয়াত পরবর্তী জীবন স্পষ্ট সাক্ষ্য দিচ্ছিলো যে, তিনি অবশ্যই আল্লাহর রসূল।
২৯. বরং আমি তাদেরকে এবং তাদের পিতৃপুরুষদেরকে দিয়েছিলাম ভোগ করতে, অবশেষে তাদের কাছে আসল সত্য এবং স্পষ্ট বর্ণনাকারী রাসূল।
(২৯) বস্তুতঃ আমিই ওদেরকে এবং ওদের পূর্বপুরুষদেরকে উপভোগের সুযোগ দিয়েছিলাম(1) যতক্ষণ না ওদের কাছে সত্য ও স্পষ্ট প্রচারক রসূল এল। (2)
(1) এখানে আবারও সেই সমস্ত নিয়ামতের কথা উল্লেখ করা হচ্ছে, যা মহান আল্লাহ তাদেরকে দান করেছিলেন এবং নিয়ামতগুলো দেওয়ার পর আযাব প্রেরণ করার ব্যাপারে তাড়াহুড়ো করা হয়নি, বরং তাদেরকে পূর্ণ অবকাশ দেওয়া হয়েছিল। যার কারণে তারা ধোকায় পতিত হয়ে নিজেদের প্রবৃত্তির বান্দা বনে গিয়েছিল।
(2) ‘হক’ বা ‘সত্য’ বলতে কুরআন, আর ‘রসূল’ বলতে মুহাম্মাদ (সাঃ)-কে বুঝানো হয়েছে। مُبِيْنٌ হল রসূলের ‘সিফাত’ (বিশেষণ)। স্পষ্ট ও পরিষ্কারভাবে বর্ণনাকারী অথবা যাঁর রিসালাত একেবারে স্পষ্ট উজ্জ্বল। তাতে কোন প্রকারের অস্পষ্টতা ও প্রচ্ছন্নতা নেই।