فَلَمَّا جَآءَتۡهُمۡ رُسُلُهُم بِٱلۡبَيِّنَٰتِ فَرِحُواْ بِمَا عِندَهُم مِّنَ ٱلۡعِلۡمِ وَحَاقَ بِهِم مَّا كَانُواْ بِهِۦ يَسۡتَهۡزِءُونَ

ফালাম্মা-জাআতহুম রুছুলুহুম বিলবাইয়িনা-তি ফারিহূবিমা-‘ইনদাহুম মিনাল ‘ইলমি ওয়া হা-কা বিহিম মা-ক-নূবিহী ইয়াছতাহঝিঊন।উচ্চারণ

তাদের রসূল যখন সুস্পষ্ট নিদর্শনাদি নিয়ে তাদের কাছে এসেছিলেন তখন তারা নিজের কাছে বিদ্যমান জ্ঞান নিয়েই মগ্ন ছিল ১১২ এবং যে জিনিস নিয়ে তারা বিদ্রূপ করতো সে জিনিসের আবর্তেই তারা পড়ে গিয়েছিলো। তাফহীমুল কুরআন

সুতরাং তাদের রাসূলগণ যখন তাদের কাছে সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী নিয়ে আসল, তখনও তারা তাদের কাছে যে জ্ঞান ছিল তারই বড়াই করতে লাগল। ফলে তারা যা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত তাই তাদেরকে পরিবেষ্টন করে ফেলল।মুফতী তাকী উসমানী

তাদের নিকট যখন স্পষ্ট নিদর্শনসহ তাদের রাসূল আসত তখন তারা নিজেদের জ্ঞানের দম্ভ করত। তারা যা নিয়ে ঠাট্টা বিদ্রুপ করত তাই তাদেরকে বেষ্টন করল।মুজিবুর রহমান

তাদের কাছে যখন তাদের রসূলগণ স্পষ্ট প্রমাণাদিসহ আগমন করেছিল, তখন তারা নিজেদের জ্ঞান-গরিমার দম্ভ প্রকাশ করেছিল। তারা যে বিষয় নিয়ে ঠাট্টাবিদ্রুপ করেছিল, তাই তাদেরকে গ্রাস করে নিয়েছিল।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

এদের নিকট যখন স্পষ্ট নিদর্শনসহ এদের রাসূল আসত তখন এরা নিজেদের জ্ঞানের দম্ভ করত। এরা যা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত তাই এদেরকে বেষ্টন করল। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

তারপর তাদের কাছে যখন তাদের রাসূলগণ স্পষ্ট প্রমাণাদিসহ আসল তখন তারা তাদের নিজদের কাছে যে বিদ্যা ছিল তাতেই উৎফুল্ল হয়ে উঠল। আর যা নিয়ে তাঁরা ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত তা-ই তাদেরকে পরিবেষ্টন করল।আল-বায়ান

তাদের কাছে যখন তাদের রসূলগণ স্পষ্ট নিদর্শন নিয়ে আসল, তখন তারা তাদের নিজেদের কাছে যে জ্ঞান ও বিদ্যা ছিল তাতেই উৎফুল্ল হয়ে উঠল। অতঃপর যা নিয়ে তারা ঠাট্টা বিদ্রুপ করত তা-ই তাদেরকে ঘিরে ফেলল।তাইসিরুল

তারপর যখন তাদের রসূলগণ তাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণাবলী নিয়ে এসেছিলেন তখন তাদের কাছে জ্ঞানের যা রয়েছে সেজন্য তারা বেপরোয়া থাকতো, আর ওরা যা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রপ করত তাই তাদের ঘেরাও করল।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

১১২

অর্থাৎ নিজেদের দর্শন ও বিজ্ঞান, নিজেদের পার্থিব জ্ঞান-বিজ্ঞান, নেতাদের মনগড়া ধর্মীয় কিসসা কাহিনী (Mythology) এবং ধর্মীয় বিধি-বিধানকেই (Theology) তারা প্রকৃত জ্ঞান মনে করেছে এবং আম্বিয়া আলাইহিমুস সালামের আনীত জ্ঞানকে হীন ও নগণ্য মনে করে সেদিকে কোন ভ্রুক্ষেপই করেনি।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৮৩. অতঃপর তাদের কাছে যখন স্পষ্ট প্রমাণাদিসহ তাদের রাসূলগণ আসলেন, তখন তারা নিজেদের কাছে বিদ্যমান থাকা জ্ঞানে উৎফুল্ল হল। আর তারা যা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত তা-ই তাদেরকে বেষ্টন করল।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৮৩) ওদের নিকট যখন স্পষ্ট নিদর্শনাবলীসহ ওদের রসূল এসেছিল, তখন ওরা নিজেদের জ্ঞানের দম্ভ করত।(1) ওরা যা নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করত, তাই তাদেরকে বেষ্টন করল।

(1) ইলম বা জ্ঞান বলতে, তাদের মনগড়া বিশ্বাস, কল্পিত ধ্যান-ধারণা, সন্দেহ-সংশয় এবং ভ্রান্ত দাবী ইত্যাদি। বিদ্রূপ স্বরূপ তাকে ইলম বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। কারণ, তারা এগুলোকে জ্ঞানভিত্তিক দলীল মনে করত। তাই তাদের ধারণা অনুযায়ী এ রকম বলা হয়েছে। অর্থ হল, আল্লাহ ও তাঁর রসূলের কথার মোকাবেলায় তারা তাদের ঐ তথাকথিত জ্ঞান নিয়ে গর্ব ও দম্ভ প্রদর্শন করেছিল। অথবা ইলম বলতে, পার্থিব বিষয়ের ইলম। তারা আল্লাহর বিধি-বিধান ও তাঁর ফরযকৃত বিষয়াবলীর জ্ঞান ও শিক্ষার উপর পার্থিব জ্ঞানকে প্রাধান্য দিত।