মিন দূ নিল্লা-হি ক-লূদাললূ‘আন্না-বাল লাম নাকুন নাদ‘ঊ মিন কাবলুশাইআন কাযা-লিকা ইউদিল্লুল্লা-হুল ক-ফিরীন।উচ্চারণ
তারা জবাব দেবে, তারা আমাদের থেকে হারিয়ে গেছে। এর আগে আমরা যাদেরকে ডাকতাম তারা কিছুই না। ১০৩ আল্লাহ এভাবে কাফেরদের ভ্রষ্টতাকে কার্যকর করে দেবেন। তাফহীমুল কুরআন
আল্লাহ ছাড়া তারা (অর্থাৎ তোমাদের সেই মাবুদগণ), তারা বলবে, তারা তো আমাদের থেকে অদৃশ্য হয়ে গেছে; বরং পূর্বে আমরা কোন কিছুকে ডাকতামই না। #%২৩%# এভাবে আল্লাহ কাফেরদেরকে বিভ্রান্ত করেন।মুফতী তাকী উসমানী
আল্লাহ ব্যতীত? তারা বলবেঃ তারাতো আমাদের নিকট হতে অদৃশ্য হয়েছে, বস্তুতঃ পূর্বে আমরা এমন কিছুকেই আহবান করিনি। এভাবে আল্লাহ কাফিরদের বিভ্রান্ত করেন।মুজিবুর রহমান
আল্লাহ ব্যতীত? তারা বলবে, তারা আমাদের কাছ থেকে উধাও হয়ে গেছে; বরং আমরা তো ইতিপূর্বে কোন কিছুর পূজাই করতাম না। এমনি ভাবে আল্লাহ কাফেরদেরকে বিভ্রান্ত করেন।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান
‘আল্লাহ্ ব্যতীত ?’ এরা বলবে, ‘এরা তো আমাদের নিকট হতে উধাও হয়েছে; বস্তুত পূর্বে আমরা এমন কিছুকে আহ্বান করি নাই।’ এইভাবে আল্লাহ্ কাফিরদেরকে বিভ্রান্ত করেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশন
আল্লাহ ছাড়া’? তারা বলবে, ‘তারা তো আমাদের কাছ থেকে উধাও হয়ে গেছে’, বরং এর পূর্বে আমরা কোন কিছুকে আহবান করিনি’। এভাবেই আল্লাহ কাফিরদেরকে পথভ্রষ্ট করেন।আল-বায়ান
আল্লাহকে বাদ দিয়ে? (উত্তরে) তারা বলবে- তারা আমাদের কাছ থেকে উধাও হয়ে গেছে। না, আমরা আগে (যার অস্তিত্ব আছে এমন) কোন কিছুকেই ডাকিনি। এভাবে আল্লাহ কাফিরদেরকে পথভ্রষ্ট হওয়ার সুযোগ দেন।তাইসিরুল
আল্লাহ্কে বাদ দিয়ে?" তারা বলবে, "তারা আমাদের থেকে উধাও হয়েছে, বস্তুতঃ আমরা ইতিপূর্বে এমন কিছুকে আহ্বান করে চলি নি।" এভাবেই আল্লাহ্ পথভ্রষ্ট হতে দেন অবিশ্বাসীদের।মাওলানা জহুরুল হক
১০৩
একথার অর্থ এই নয় যে, আমরা দুনিয়াতে শিরক করতাম না। বরং এর অর্থ হচ্ছে, এখন আমাদের কাছে একথা পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, দুনিয়ায় আমরা যাদের ডাকতাম তারা কিছুই ছিল না, নগণ্য ছিল, মূল্যহীন ছিল।
‘আমরা পূর্বে কোন কিছুকে ডাকতামই না’ আখেরাতের বিভীষিকাময় অবস্থা দেখে কাফেরগণ এভাবে মিথ্যা বলবে এবং সাফ জানিয়ে দেবে তারা কোন রকম শিরক করত না, যেমন সূরা আনআমে (৬ : ২৩) বর্ণিত হয়েছে। এর এরূপ ব্যাখ্যাও করা যায় যে, আখেরাতে তারা স্বীকার করতে বাধ্য হবে যে, আমরা দুনিয়ায় দেব-দেবী, প্রতিমা ইত্যাদিকে যে ডাকতাম সেটা আমাদের মারাত্মক ভুল ছিল। এখন আমরা বুঝতে পেরেছি সেগুলোর কোন বাস্তবতা ছিল না। মূলত আমরা কোন বাস্তব জিনিসের নয়; বরং কতগুলো অবাস্তব বস্তুরই পূজা করছিলাম।
৭৪. আল্লাহ ছাড়া? তারা বলবে, তারা তো আমাদের কাছ থেকে উধাও হয়েছে(১); বরং আগে আমরা কোন কিছুকে ডাকিনি। এভাবে আল্লাহ্ কাফিরদেরকে বিভ্রান্ত করেন।
(১) অর্থাৎ জাহান্নামে পৌঁছে মুশরিকরা বলবে, আমাদের উপাস্য প্রতিমা ও শয়তান আজ উধাও হয়ে গেছে। অর্থাৎ আমাদের দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না, যদিও তারা জাহান্নামের কোন কোণে পড়ে আছে। তারাও যে জাহান্নামেই থাকবে, এ সম্পর্কে অন্য এক আয়াতে বলা হয়েছেঃ (إِنَّكُمْ وَمَا تَعْبُدُونَ مِنْ دُونِ اللَّهِ حَصَبُ جَهَنَّمَ أَنْتُمْ لَهَا وَارِدُونَ) (সূরা আল-আম্বিয়াঃ ৯৮)।
(৭৪) আল্লাহকে ছেড়ে?’(1) ওরা বলবে, ‘ওরা তো আমাদের নিকট থেকে অদৃশ্য হয়েছে;(2) বরং পূর্বে আমরা এমন কিছুকে আহবান করিনি, যার কোন সত্তা ছিল।’(3) এভাবে আল্লাহ অবিশ্বাসীদেরকে বিভ্রান্ত করে থাকেন। (4)
(1) তারা কি আজ তোমাদের সাহায্য করতে পারবে?
(2) অর্থাৎ, জানি না তারা কোথায় চলে গেছে, তারা আমাদের সাহায্য আর কি করবে?
(3) ভুল স্বীকার করার পর তাদের ইবাদত করার কথাই অস্বীকার করবে। যেমন, অন্যত্র বলেছেন, وَاللَه رَبِّنَا مَا كُنَّا مُشْرِكِينَ অর্থাৎ, (তারা বলবে) আল্লাহর শপথ! আমরা তো কাউকেও শরীক করতাম না। (সূরা আনআম ২৩ আয়াত) বলা হয়েছে যে, এটা মূর্তিগুলোর অস্তিত্ব ও তাদের ইবাদতের অস্বীকৃতি নয়, বরং এ হল এই কথার স্বীকারোক্তি যে, তাদের ইবাদত বাতিল ছিল। কারণ, সেখানে তাদের কাছে এ কথা পরিষ্কার হয়ে যাবে যে, তারা এমন জিনিসের ইবাদত করত, যারা না শুনতে পারে, না দেখতে পারে এবং না উপকার করতে পারে, না অপকার। (ফাতহুল ক্বাদীর) আর দ্বিতীয় অর্থও পরিষ্কার। আর তা হল, তারা শিরক করার কথা একেবারে অস্বীকার করবে।
(4) অর্থাৎ, এই মিথ্যাজ্ঞানকারীদের মত মহান আল্লাহ কাফেদেরকেও বিভ্রান্ত করেন। অর্থাৎ, অব্যাহতভাবে মিথ্যা ভাবতে থাকা ও কুফরী করা এমন জিনিস যে, তার দ্বারা মানুষের অন্তর কালো হয়ে যায় এবং তাতে জং ধরে যায়। অতঃপর তারা সত্য গ্রহণ করার তাওফীক লাভ করা থেকে চিরতরে বঞ্চিত হয়ে যায়।