هُدٗى وَذِكۡرَىٰ لِأُوْلِي ٱلۡأَلۡبَٰبِ

হুদাওঁ ওয়া যিকর-লিউলিল আলবা-ব।উচ্চারণ

যা ছিল বুদ্ধিমান ও জ্ঞানীদের জন্য হিদায়াত ও নসিহত। ৭০ তাফহীমুল কুরআন

যা বোধশক্তিসম্পন্নদের জন্য ছিল হেদায়াত ও নসীহত।মুফতী তাকী উসমানী

পথনির্দেশ ও উপদেশ স্বরূপ; বোধশক্তি সম্পন্ন লোকদের জন্য।মুজিবুর রহমান

বুদ্ধিমানদের জন্যে উপদেশ ও হেদায়েত স্বরূপ।মাওলানা মুহিউদ্দিন খান

পথনির্দেশ ও উপদেশস্বরূপ বোধশক্তিসম্পন্ন লোকদের জন্যে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন

যা জ্ঞান-বুদ্ধিসম্পন্নদের জন্য হিদায়াত ও উপদেশ।আল-বায়ান

(সে কিতাব ছিল) জ্ঞানবুদ্ধিসম্পন্ন লোকেদের জন্য সঠিক পথের দিশারী ও উপদেশ।তাইসিরুল

পথনির্দেশ ও স্মরণীয় বার্তা বুদ্ধিবিবেচনা থাকা লোকদের জন্য।মাওলানা জহুরুল হক

তাফহীমুল কুরআন

৭০

অর্থাৎ যেভাবে মূসার (আ) দাওয়াত প্রত্যাখ্যানকারীরা এ নিয়ামত ও কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হয়েছিলো এবং তাঁর প্রতি ঈমান পোষণকারী বনী ইসরাঈলকেই কিতাবের উত্তরাধিকারী বানানো হয়েছে তেমনিভাবে এখন যারা তোমাকে অস্বীকার করবে তারা বঞ্চিত হবে এবং তোমার প্রতি ঈমান পোষণকারীরাই কুরআনের উত্তরাধীকারী এবং পৃথিবীতে হিদায়াতের পতাকাবাহী হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করবে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

তাফসীরে জাকারিয়া

৫৪. পথনির্দেশ ও উপদেশস্বরূপ বোধশক্তি সম্পন্ন লোকদের জন্য।

তাফসীরে আহসানুল বায়ান

(৫৪) বুদ্ধিশক্তিসম্পন্ন লোকদের জন্য পথনির্দেশ ও উপদেশস্বরূপ। (1)

(1) هُدًى وَذِكْرَى হল ক্রিয়াবিশেষ্য এবং ‘হাল’ (যা পূর্বে আলোচ্য বিষয়ের অবস্থা বর্ণনা করে) এর স্থানে ব্যবহার হয়েছে। আর এই কারণে তার উপর ‘যবর’ এসেছে। অর্থ, هَادٍ এবং مُذَكِّرٍ (হিদায়াত দাতা এবং নসীহতকারী)। ‘বুদ্ধিমানদের’ বলতে যারা সুষ্ঠু বিবেকের অধিকারী। কারণ, তারাই আসমানী কিতাব দ্বারা উপকৃত হয় এবং তা থেকে হিদায়াত ও উপদেশ গ্রহণ করে। অন্যরা তো সেই গাধার মত, যার (পিঠের) উপরে থাকে কিতাবের বোঝা, কিন্তু এ কিতাবগুলোর মধ্যে কি আছে, সে ব্যাপারে সে হয় অজ্ঞ।